মুম্বই: বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা! মুম্বই বিমানবন্দরে একই রানওয়েতে এক্কেবারে মুখোমুখি এয়ার ইন্ডিয়া এবং এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের দুই বিমান। শেষ মুহূর্তে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল বা ATC-র নির্দেশে টেক-অফ রান শুরু করেও থেমে যায় দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি। ফলে এড়ানো সম্ভব হয় সম্ভাব্য বিপর্যয়। এই বিমান নির্দিষ্ট সময় থামানো না-গেলে ভয়ঙ্কর বিপদ ঘটতে পারত, বলাই বাহুল্য।
PTI সূত্রের খবর, মঙ্গলবার রাত প্রায় ১০টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে মুম্বই বিমানবন্দরে। শিলিগুড়ি থেকে আসা এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের বিমানটি অবতরণের পর তখনও রানওয়ে পুরোপুরি ছাড়েনি। সেই সময় একই রানওয়ে থেকে দিল্লির উদ্দেশে ওড়ার জন্য তৈরি ছিল এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান। দুই বিমান একই রানওয়েতে বিপজ্জনক অবস্থানে চলে আসায় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল দ্রুত দিল্লিগামী বিমানটিকে টেক-অফ বাতিল করার নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশ পাওয়ার পরই বিমানটির পাইলট ‘টেক-অফ রান’ বন্ধ করেন। এরপর বিমানটি ফিরে যায় নির্ধারিত বে-তে।
এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ৭ জুলাই মুম্বই থেকে দিল্লিগামী AI816 উড়ানের পাইলটরা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের নির্দেশ পাওয়ার পর টেক-অফ রান বন্ধ করেন এবং বিমানটিকে ফের বে-তে নিয়ে যান। সাধারণত, ‘টেক-অফ রান’ বলতে উড়ানের জন্য প্রয়োজনীয় গতি অর্জনের আগে রানওয়ের উপর দিয়ে বিমানের দ্রুতগতিতে ছুটতে শুরু করাকে বোঝানো হয়। ফলে বিমানটি ঠিক কতটা গতি তুলেছিল বা দুই বিমানের মধ্যে দূরত্ব কতটা ছিল, সেই বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য এখনও সামনে আসেনি।
সূত্রের দাবি, মুম্বই থেকে দিল্লিগামী AI816 উড়ানটি বোয়িং 777-300ER ওয়াইড-বডি বিমান দিয়ে পরিচালিত হওয়ার কথা ছিল। অন্যদিকে, শিলিগুড়ি থেকে মুম্বইয়ে আসা AIX1547 উড়ানটি ছিল বোয়িং 737 MAX 8 বিমান। এয়ার ইন্ডিয়ার মুখপাত্র জানিয়েছেন, স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর অনুযায়ী বিমানটির প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা হবে। যাত্রীদের যত দ্রুত সম্ভব গন্তব্যে পৌঁছে দিতে বিকল্প ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।
তবে ঘটনার সময় দুই বিমানে মোট কতজন যাত্রী ও ক্রু সদস্য ছিলেন, তা এখনও জানা যায়নি। একই রানওয়েতে কীভাবে দুই বিমান এমন পরিস্থিতিতে চলে এল, তা নিয়েও নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
Baruipur Incident | যাঁরা দোষী তাঁদের শান্তি পেতে দেখতে চাই : Locket Chatterjee
