নর্থ ক্যারোলিনা: তিনি মতান্তরে বর্তমান বিশ্বের সেরা ফরোয়ার্ড। নিজের প্রথম বিশ্বকাপে মাঠে নেমেই ম্যাচের পর ম্যাচ ইতিহাস গড়ছেন, গোল করছেন, আর সেই আরলিং হালান্ডের (Erling Haaland) কাঁধে চেপেই স্বপ্নের সফরে নরওয়ে। ইতিমধ্যেই ভাইকিংদের গর্জন গোটা বিশ্বে শোনা যাচ্ছে, তারা প্রথমবার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালেও পৌঁছে গিয়েছে। এবার দলের তারকা ফুটবলার হালান্ডকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক ভূমিকায় দেখা গেল।
এক দশক আগে হালান্ড তখনও বিশ্বের সেরা মার্কসম্যানদের অন্যতম হয়ে উঠেননি, সেই সময়ই তিনি তাঁর বয়সভিত্তিক জাতীয় দলের দুই সতীর্খ এরিক বোথেম এবং এরিক টোবিয়াস স্যান্ডবার্গের সঙ্গে মিলে ‘ফ্লো কিংস’ নামে একটি ছোট্টে ব়্যাপ গ্রুপ তৈরি করেন। বছর চারেক আগে ম্যাঞ্চেস্টার সিটিতে যোগদানের পরে সাক্ষাৎকারেও নরওয়ে ফরোয়ার্ডকে এই ব়্যাপ গ্রুপের প্রসঙ্গে কথা বলতে শোনা গিয়েছিল। সেই গ্রুপের ‘কাইগো জো’ নামে একটি গান বিশ্বকাপে হালান্ডের সাফল্যের সঙ্গে সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করে।
আরও পড়ুন:- মিশর ম্যাচের বিতর্কের মাঝেই ফ্রান্স ম্যাচে আর্জেন্তাইন রেফারিরা দায়িত্ব পাওয়ায় নেট দুনিয়ায় অসন্তোষ
ইতিমধ্যেই তা ইউটিউবে ১০ মিলিয়নের আশেপাশে ভিউ পেয়েছে। সেই গানটিই নরওয়ের ডিজে এবং সংগীত পরিচালক কাইগোর সঙ্গে মিলে হালান্ড রিলিজ় করলেন। অতীতে এড শিরান, ইমাজিন ড্রাগনস, সেলেনা গোমেজ়দের মতো তারকাদের সঙ্গে কাজ করা কাইগো বেশ কিছুদিন ধরেই হালান্ডের এই গান রিলিজ় করার পূর্বভাস দিচ্ছিলেন। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল রাউন্ড অফ ১৬-তে নরওয়ে ব্রাজিলকে পরাজিত করলেই তিনি গানটি রিলিজ় করবেন। যেমন কথা তেমনই কাজ।
হালান্ডের জোড়া গোলেই রেকর্ড বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে ২-১ স্কোরে পরাজিত করে নরওয়ে। পৌঁছে যায় মেগা টুর্নামেন্টের শেষ আটে। তারপরেই হালান্ডের এই গান প্রকাশিত হয়। হালান্ড নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় এই গানটি প্রকাশ করে কাইগোকে ধন্যবাদ তো জানানই, মজার ছলেই জিজ্ঞেসও করেন, ‘তার মানে কি আমি সরকারিভাবে আমি এখন একজন শিল্পী?’
তবে গায়ক হিসাবে তার স্বপ্নপূরণের পর এবার হালান্ডকে কিন্তু পুনরায় নিজের সব নজরটা নিজের খেলার দিকেই দিতে হবে। কোয়ার্টার ফাইনালে মায়ামিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কড়া চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে নরওয়ে। সেই ম্যাচে জয়ের জন্য কিন্তু হালান্ডই নরওয়ে দলের সবথেকে বড় ভরসা।
