Birbhum Money Gold Found: ‘সোনা আনা হয়েছিল দুবাই, সুইৎজারল্যান্ড থেকে’, মিনারের বাড়িতে কোথা থেকে কীভাবে এল এত টাকা-সোনা ?


ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, পার্থপ্রতিম ঘোষ, বীরভূম : বীরভূমে পাথর ব্যবসায়ীর আত্মীয়ের বাড়িতে যকের ধন। অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের আত্মীয়ের ঠিকানায় রাশিকৃত সোনা-টাকা। ১০০ গ্রামের ১০টি সোনার বিস্কুট, ১৪টি সোনার বার উদ্ধার করেছে মহম্মদ বাজার থানার পুলিশ। এইসব সোনা সুইজারল্যান্ড, দুবাই থেকে আনা হয়েছিল বলে আদালতে সওয়াল করেছেন সরকারি আইনজীবী। এর পাশাপাশি তিনি আরও দাবি করেছেন যে, দেশের বাইরে চলে গিয়েছেন টুলু মণ্ডল। প্রায় ২০ ঘণ্টার তল্লাশি অভিযানের পর টুলু মণ্ডলের আত্মীয় মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে সাড়ে ২৮ কোটি টাকা ও ১৫ কেজি সোনা। টাকা-সোনা সব মিলিয়ে উদ্ধার হয়েছে সাড়ে ৫০ কোটি। ইতিমধ্যেই মিনার মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। ধৃত মিনার মণ্ডলকে আদালতে পেশ করা হলে তাঁর ৮ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। মিনারকে ভালভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে টুলু মণ্ডলের নাগাল পেতে চায় পুলিশ। সেই সঙ্গে কীভাবে মিনারের বাড়িতে এত পরিমাণ টাকা এবং সোনা এল, তার উৎসও খুঁজছে পুলিশ। 

বীরভূমে পাথর ব্যবসায়ীর টুলু মণ্ডলের আত্মীয়ের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে সাড়ে ২৮ কোটি টাকা ও ১৫ কেজি সোনা। গ্রেফতার করা হয়েছে বাড়ির মালিক মিনার মণ্ডলকে। বুধবার রাতভর চলে টাকা গোনার কাজ। রাতেই সিল করে দেওয়া হয় উদ্ধার হওয়া প্রায় সাড়ে ২৮ কোটি। কিন্তু, নিরাপত্তার অভাববোধ করায়, মিনার মণ্ডলের বাড়িতেই সারারাত অপেক্ষা করে পুলিশ। আজ সকালে DSP ট্রাফিক, অ্যাডিশনাল SP-র উপস্থিতিতে, তা পুলিশের গাড়িতে বোঝাই করা হল। সকালে মিনারের বাড়ি থেকে প্রায় ৩ ফুট লম্বা, ২ ফুট চওড়া ৬টি ট্রাঙ্ক বের করে নিয়ে আসতে দেখা যায়। রীতিমতো কনভয় করে কড়া নিরাপত্তায় তা নিয়ে যাওয়া হয় মহম্মদবাজার থানায়। বাজেয়াপ্ত করা টাকা-সোনা আপাতত স্থানীয় কোনও ব্যাঙ্কে রাখা হতে পারে বলে দাবি পুলিশের। অন্যদিকে, সিল করে দেওয়া হয়েছে তাঁর বাড়ি। শোনা যাচ্ছে, যে সোনা আনা হয়েছিল বিদেশ থেকে তার তলায় এমনভাবে টেপ লাগানো ছিল যাতে ধরা না পড়ে। 

বাগানবাড়ি থেকে ফাইল লোপাটের চেষ্টা ? স্থানীয়রাই আটকে দিল টুলু মণ্ডলের গাড়ি, পুলিশে ছয়লাপ এলাকা

পুলিশ সূত্রে দাবি, বাড়িতে থাকা দুটি আলমারি থেকে এই বিপুল পরিমাণে টাকা উদ্ধার করা হয়। এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে মিনার জানিয়েছেন, টাকা রাখার দায়িত্ব থাকলেও, আলমারি খোলার অধিকার তাঁর ছিল না। এই বিপুল পরিমাণে টাকা এল কোথা থেকে? পুলিশ সূত্রে দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে মিনার মণ্ডল স্বীকার করেছেন, গোটাটাই তাঁর আত্মীয় টুলু মণ্ডলের। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *