NRS-এ রহস্যমৃত্যু নার্সের, কীভাবে মৃত্যু ? দেহের পাশে কেন পড়ে সিরিঞ্জ, ভায়াল ? কলকাতা মেডিক্যালে হবে ময়নাতদন্ত


ঝিলম করঞ্জাই, কলকাতা: রাজ্য়ের এনআরএস হাসপাতালে নার্সের রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় ইনকোয়েস্টের পর উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। এদিকে গতকাল এইচডিইউ বিল্ডিংয়ে তাঁর ডিউটি ছিল। কিন্তু ডিউটি থাকাকালীন অবস্থাতেই নিখোঁজ হন তিনি। পরে গতকাল রাতে ওই নার্সের দেহ হাসপাতালের গাইনি বিল্ডিংয়ের থেকে উদ্ধার করা হয়। যে শৌচালয় থেকে উদ্ধার করা হয় তাঁকে, সেখানে তাঁর দেহের পাশে পড়ে ছিল অচৈতন্য করার ওষুধ ফেন্টানিল, মিডাজোলামের ৩টে ভায়াল। নার্সের কনুইয়ের সন্ধিস্থলের শিরায় দেওয়া হয়েছে ওষুধ, অনুমান চিকিৎসকদের। তবে প্রকৃতই কীভাবে এই মৃত্যু হল, কারণ জানতে ইতিমধ্য়েই দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। 

আরও পড়ুন, নেতাজিকে ‘দেশদ্রোহী’ বলে আক্রমণ, “এটা তো নেহেরু বলেছেন..”, দাবি BJP-র অনন্ত মহারাজের

কলকাতা মেডিক্যালে ময়নাতদন্তের আগে ইনকোয়েস্টেই চাঞ্চল্যকর তথ্য 

যেটা জানা যাচ্ছে যে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, এনআরএস-এ যে নার্সের রহস্যমৃত্যু হয়েছে, তাঁর ময়নাতদন্ত এনআরএস-এ নয়, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে হবে। এবং ইতিমধ্যেই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে সেই ময়নাতদন্ত শুরু হয়েছে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক ডিপার্টমেন্ট কলেজের ফরেন্সিক ডিপার্টমেন্টের যিনি প্রধান, তিনি এই ময়নাতদন্ত করছেন। তবে এই ময়নাতদন্তের আগে একটি ইনকোয়েস্ট (Inquest) হয়েছে এনআরএস-এ। ইনকোয়েস্টে যে বিষয়গুলি নজরে এসেছে, তার মধ্যে অন্যতম, তার কনুইতে নিডল প্রিক ছিল, এবং দুটো কনুইতেই নিডল প্রিক ছিল, প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। 

মৃত্যুর কারণ জানতে ফুসফুস-লিভার-কিডনি সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত

তবে এই মুহূর্তে ময়নাতদন্তের সময় যেটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার শরীর থেকে বেশ কিছু অঙ্গ প্রিজার্ভ করা হবে। কারণ ওই মৃতা নার্সের ক্ষেত্রে বারবার যেটা প্রশ্ন উঠছে যে,  তাঁকে যেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, সেখানে সিরিঞ্জ ছিল। ফলে তাঁর শরীরে কোনও ওষুধের ওভারডোজ হয়েছে কিনা, এটা নিশ্চিত করার জন্য, স্থির করা হয়েছে, তাঁর ফুসফুসকে সংরক্ষণ করা হবে। লিভার সংরক্ষণ করা হবে। স্মল ইনটেস্টটাইনের একদম শুরুর দিকের অংশ নেওয়া হবে। স্টমাকের ভিতর যে কনটেন্ট আছে, সেটাকে প্রিজার্ভ করা হবে। কিডনি ও ব্লাডারে যে ইউরিন আছে, সেটা প্রিজার্ভ করা হবে। ইতিমধ্যেই রক্ত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তাঁর মস্তিষ্কের কিছুটা অংশ প্রিজার্ভ করা হবে। সেইগুলি, পরবর্তী প্যাথোলজিক্যাল টেস্ট হবে এবং স্টেট ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবে পাঠানো হবে। তবে ময়নাতদন্ত শেষ হলেই মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *