Railway Station Water: রেল স্টেশনের কলের জলে E. coli ব্যাকটিরিয়া, প্ল্যাটফর্ম, শৌচাগার অপরিচ্ছন্ন, CAG রিপোর্টে উদ্বেগ


যাওয়া আসার পথে সবসময় মিনারেল ওয়াটার কেনা সম্ভব হয় না। বাড়ি থেকে জল নিয়ে গেলেও, অনেক সময়ই স্টেশনে নেমে জল ভরে নেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু রেল স্টেশনের কলের জল নিয়েই এবার উদ্বেগ সামনে এল। কেন্দ্রীয় সরকারের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (CAG)-এর রিপোর্টেই রেল স্টেশনের পানীয় জল নিয়ে নিয়ে উদ্বেগ ধরা পড়ল। বলা হয়েছে,যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে রেলমন্ত্রকের তরফে নীতিনিয়ম ঠিক করে দেওয়া হলেও, তার বাস্তবায়ন ঘটছে না।

যাওয়া আসার পথে সবসময় মিনারেল ওয়াটার কেনা সম্ভব হয় না। বাড়ি থেকে জল নিয়ে গেলেও, অনেক সময়ই স্টেশনে নেমে জল ভরে নেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু রেল স্টেশনের কলের জল নিয়েই এবার উদ্বেগ সামনে এল। কেন্দ্রীয় সরকারের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (CAG)-এর রিপোর্টেই রেল স্টেশনের পানীয় জল নিয়ে নিয়ে উদ্বেগ ধরা পড়ল। বলা হয়েছে,যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে রেলমন্ত্রকের তরফে নীতিনিয়ম ঠিক করে দেওয়া হলেও, তার বাস্তবায়ন ঘটছে না।

CAG জানিয়েছে, রেলওয়ের বিভিন্ন জ়োন ঠিক মতো কাজ করছে না। ফলে পরিষেবায় ব্যাপক অসঙ্গতি চোখে পড়ছে। ওয়াটার কুলারের পানীয় জলে ই-কোলাই (E.coli) ব্যাকটিরিয়ার উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে। রেল স্টেশনের শৌচারগালির পরিবেশও বেশ অস্বাস্থ্যকর। গত ১২ অগাস্ট সংসদে CAG-এর Passengers amenities and sanitisation at non-suburban railway stations on Indian Railways রিপোর্টটি পেশ হয়, যাতে বলা হয়, ‘ছয়টি জ়োনের ৫৯টি রেল স্টেশনে পানীয় জলের ব্যাকটিরিয়া পরীক্ষাই করা হয়নি।’

CAG জানিয়েছে, রেলওয়ের বিভিন্ন জ়োন ঠিক মতো কাজ করছে না। ফলে পরিষেবায় ব্যাপক অসঙ্গতি চোখে পড়ছে। ওয়াটার কুলারের পানীয় জলে ই-কোলাই (E.coli) ব্যাকটিরিয়ার উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে। রেল স্টেশনের শৌচারগালির পরিবেশও বেশ অস্বাস্থ্যকর। গত ১২ অগাস্ট সংসদে CAG-এর Passengers amenities and sanitisation at non-suburban railway stations on Indian Railways রিপোর্টটি পেশ হয়, যাতে বলা হয়, ‘ছয়টি জ়োনের ৫৯টি রেল স্টেশনে পানীয় জলের ব্যাকটিরিয়া পরীক্ষাই করা হয়নি।’

শহরতলির বাইরে রেলের সমস্ত জ়োনের ৫১২টি স্টেশনের পরিষেবা খতিয়ে দেখে কী মিলেছে, তার উল্লেখ রয়েছে রিপোর্টে। বলা হয়েছে, ওয়াটার কুলার থেকে সংগৃহীত জলের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, তাতে E-coli ব্যাকটিরিয়া রয়েছে। E. Coli ব্যাকটিরিয়া দণ্ডাকৃতির ব্যাকটিরিয়া, যা মানুষের অন্ত্রে প্রবেশ করে। এই ব্যাকটিরিয়ার ক্ষতিকর প্রজাতি থেকে বিষক্রিয়া হতে পারে, মূত্রনালীর সংক্রমণ হতে। রোগ গুরুতর আকার ধারণও করতে পারে এতে

শহরতলির বাইরে রেলের সমস্ত জ়োনের ৫১২টি স্টেশনের পরিষেবা খতিয়ে দেখে কী মিলেছে, তার উল্লেখ রয়েছে রিপোর্টে। বলা হয়েছে, ওয়াটার কুলার থেকে সংগৃহীত জলের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, তাতে E-coli ব্যাকটিরিয়া রয়েছে। E. Coli ব্যাকটিরিয়া দণ্ডাকৃতির ব্যাকটিরিয়া, যা মানুষের অন্ত্রে প্রবেশ করে। এই ব্যাকটিরিয়ার ক্ষতিকর প্রজাতি থেকে বিষক্রিয়া হতে পারে, মূত্রনালীর সংক্রমণ হতে। রোগ গুরুতর আকার ধারণও করতে পারে এতে

সাদার্ন রেলওয়ের কোয়েম্বাত্তূর, পলক্কড় জাংশন, সাউথ সেন্ট্রাল রেলের হায়দরাবাদ, সেন্ট্রাল রেলওয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস, ভিওয়ান্ডি রোড, কল্যাণ, লোনাভালা, ইস্টার্ন রেলওয়ের মধুপুরের মতো স্টেশন থেকে জলের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয় পরীক্ষা করতে।

সাদার্ন রেলওয়ের কোয়েম্বাত্তূর, পলক্কড় জাংশন, সাউথ সেন্ট্রাল রেলের হায়দরাবাদ, সেন্ট্রাল রেলওয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস, ভিওয়ান্ডি রোড, কল্যাণ, লোনাভালা, ইস্টার্ন রেলওয়ের মধুপুরের মতো স্টেশন থেকে জলের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয় পরীক্ষা করতে।

২০২২-’২৩ সালে আটটি জ়োনের ৪৯টি স্টেশন এবং ২০২৩-’২৪ সালের ৯টি জ়োনের ৫৬টি প্ল্যাটফর্মে থাকা কলের জলের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয় পরীক্ষা করে দেখতে। রিপোর্ট হাতে পেয়ে দেখা যায়, তাতে E-coli-সহ ‘টোটাল কলিফর্ম ব্যাকটিরিয়া’ রয়েছে।

২০২২-’২৩ সালে আটটি জ়োনের ৪৯টি স্টেশন এবং ২০২৩-’২৪ সালের ৯টি জ়োনের ৫৬টি প্ল্যাটফর্মে থাকা কলের জলের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয় পরীক্ষা করে দেখতে। রিপোর্ট হাতে পেয়ে দেখা যায়, তাতে E-coli-সহ ‘টোটাল কলিফর্ম ব্যাকটিরিয়া’ রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২-২৩ সালে আটটি জোনের ৪৯টি স্টেশনের এবং ২০২৩-২৪ সালে নয়টি জোনের ৫৬টি স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে থাকা কল-এর পানির নমুনার পরীক্ষায় ‘টোটাল কলিফর্ম’ ব্যাকটেরিয়ার (ই-কোলাইসহ) উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২-২৩ সালে আটটি জোনের ৪৯টি স্টেশনের এবং ২০২৩-২৪ সালে নয়টি জোনের ৫৬টি স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে থাকা কল-এর পানির নমুনার পরীক্ষায় ‘টোটাল কলিফর্ম’ ব্যাকটেরিয়ার (ই-কোলাইসহ) উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

অডিটে দেখা গিয়েছে, ২০২২-’২৩ সালে চারজি জ়োনের ৮টি স্টেশন এবং ২০২৩-’২৪ সালে পাঁচটি জ়োনের ১১টি স্টেশনের জলের নমুনায় টোটাল কলিফর্ম ছাড়াও, অন্য ব্যাকটিরিয়া পরীক্ষার ফলাফলও অসন্তোষজনক ছিল।

অডিটে দেখা গিয়েছে, ২০২২-’২৩ সালে চারজি জ়োনের ৮টি স্টেশন এবং ২০২৩-’২৪ সালে পাঁচটি জ়োনের ১১টি স্টেশনের জলের নমুনায় টোটাল কলিফর্ম ছাড়াও, অন্য ব্যাকটিরিয়া পরীক্ষার ফলাফলও অসন্তোষজনক ছিল।

CAG-এর রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে, ৫১২টির মধ্যে ৪৫৮টিতেই ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধার অভাব রয়েছে। অর্থাৎ ৮৯ শতাংশ ক্ষেত্রেই ঠিক মতো পরিষেবা পান না যাত্রীরা। রেলের বোর্ডের তরফে বাধ্যতামূলক ভাবে যে ন্যূনতম সুযোগসুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল, তাতে খামতি রয়েছে। ন্যনূতম পরিষেবার মধ্যে ছিল স্টেশনগুলিতে বিশুদ্ধ পানীয় জল, ওয়েটিং রুম, বসার ব্যবস্থা, প্ল্যাটফর্মের উপর ছাউনি, শৌচাগার, উঁচু প্ল্যাটফর্ম, পাখা, ফুট ওভার ব্রিজ, ডাস্টবিন, ঘড়ি এবং পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম।

CAG-এর রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে, ৫১২টির মধ্যে ৪৫৮টিতেই ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধার অভাব রয়েছে। অর্থাৎ ৮৯ শতাংশ ক্ষেত্রেই ঠিক মতো পরিষেবা পান না যাত্রীরা। রেলের বোর্ডের তরফে বাধ্যতামূলক ভাবে যে ন্যূনতম সুযোগসুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল, তাতে খামতি রয়েছে। ন্যনূতম পরিষেবার মধ্যে ছিল স্টেশনগুলিতে বিশুদ্ধ পানীয় জল, ওয়েটিং রুম, বসার ব্যবস্থা, প্ল্যাটফর্মের উপর ছাউনি, শৌচাগার, উঁচু প্ল্যাটফর্ম, পাখা, ফুট ওভার ব্রিজ, ডাস্টবিন, ঘড়ি এবং পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম।

ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস, হাওডা, শিয়ালদা, নয়াদিল্লি, মুম্বই সেন্ট্রালের মতো প্রথমসারির নন-সাবআরবান স্টেশনগুলিতেও বসার ব্যবস্থা থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন শৌচাগার, ডাস্টবিন, ইলেকট্রনিক ট্রেন ইন্ডিকেটর বোর্ডের নতো পরিষেবায় খামতি রয়েছে। প্রথম সারির ১২টি স্টেশনে জলের কলের ব্যবস্থায় ঘাটতি রয়েছে। আটটি স্টেশনে পাখা , আটটি স্টেশনে জলের কুলার এবং পাঁচটি স্টেশনে সাইনেজে ঘাটতি রয়েছে।

ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস, হাওডা, শিয়ালদা, নয়াদিল্লি, মুম্বই সেন্ট্রালের মতো প্রথমসারির নন-সাবআরবান স্টেশনগুলিতেও বসার ব্যবস্থা থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন শৌচাগার, ডাস্টবিন, ইলেকট্রনিক ট্রেন ইন্ডিকেটর বোর্ডের নতো পরিষেবায় খামতি রয়েছে। প্রথম সারির ১২টি স্টেশনে জলের কলের ব্যবস্থায় ঘাটতি রয়েছে। আটটি স্টেশনে পাখা , আটটি স্টেশনে জলের কুলার এবং পাঁচটি স্টেশনে সাইনেজে ঘাটতি রয়েছে।

নির্ধারিত মানদণ্ডের তুলনায় ২০১টি স্টেশনে শৌচাগার, ৪০৩টি স্টেশনে প্রস্রাবখানা এবং ২০৩৫টি স্টেশনে জলের কলের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। অবিলম্বে সরকারকে এ নিয়ে পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে।

নির্ধারিত মানদণ্ডের তুলনায় ২০১টি স্টেশনে শৌচাগার, ৪০৩টি স্টেশনে প্রস্রাবখানা এবং ২০৩৫টি স্টেশনে জলের কলের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। অবিলম্বে সরকারকে এ নিয়ে পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে।

Published at : 16 Aug 2026 11:13 AM (IST)

আরও জানুন খবর



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *