Varanasi Situation: ডুবেছে অধিকাংশ ঘাট, গঙ্গার জল ঢুকছে বসবাসের এলাকাতেও! বারাণসীর জুড়ে উদ্বেগের ছবি


কলকাতা: টানা বৃষ্টিতে একেবারেই অচেনা ছবি বারাণসীতে। এই শহরকে বলা হয়, ঘাটের শহর, গঙ্গা যেন আষ্টেপিষ্টে বেঁধে রয়েছে এই শহরকে। রোজ সারাদিন নৌকার আনাগোনা, ঘাটে কত মানুষের হাঁটাচলা, দোকান থেকে শুরু করে সন্ধ্যারতি… গোটা শহরের প্রাণকেন্দ্র যেন এই ঘাটগুলিই। কিন্তু অতিবৃষ্টির প্রভাবে বিপজ্জনকভাবে বাড়ছে বারাণসীর গঙ্গার জল। যে সাম্প্রতিক ছবি প্রকাশ্যে আসছে, সেখানে নদীর ধারের যে সমস্ত ঘাটগুলি রয়েছে, তার অধিকাংশই চলে গিয়েছে জলের তলায়। পবিত্র দশাশ্বমেধ ঘাটের জল এখন ঘাট ছাপিয়ে সামনের রাস্তায়। সিঁড়ি দিয়ে না নেমেও চলছে পুণ্য স্নান। এরমধ্যেই জলস্তর প্রতি ঘণ্টায় ২ সেন্টিমিটার হারে বাড়ছে। জল বেড়ে প্রায় ৬৫ মিটার সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছেছে।

ডুবছে গঙ্গার অধিকাংশ ঘাট, বিপজ্জনকভাবে জলস্তর বাড়ছে কাশীতে

বারাণসীর একটা বড় অংশের একেবারে ধার দিয়ে রয়েছে গঙ্গা, পর পর ঘাট। এখানকার ঘাটগুলোর বৈশিষ্ঠ হল, একটা ঘাটের সঙ্গে আরেকটি ঘাট সংযুক্ত, হেঁটে হেঁটেই এক ঘাট থেকে অন্য ঘাটে চলে যাওয়া যায়। এটা পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণ, প্রায় সমস্ত বয়সের মানুষেবারই ঘাটে সময় কাটাতে ভালবাসে। পাশাপাশি এখানে নিয়মিতভাবে নৌকায় করে গঙ্গায় ভ্রমণ ও করানো হয়। আর বারাণসীর অন্যতম আকর্ষণ, গঙ্গারতি দেখার জন্য প্রত্যেকদিন সাধারণ মানুষ ভিড় জমান দশাশ্বমেধ ঘাটে। জলের ওপরেই রাখা থাকে নৌকা, সেখানে বসে গঙ্গার বুক থেকে আরতি দেখেন অনেকেই। পাশাপাশি ভিড় জমে ঘাটেও। আর দশাশ্বমেধ সহ অন্যান্য ঘাটে স্থানের ব্যবস্থা তো রয়েছেই। যেহেতু বারাণসীর প্রায় সমস্ত ঘাটেই ভিড় জমান পূর্ণার্থীরা, স্নান করার প্রবণতাও থাকে অনেক বেশি, সেই কারণে এখানে গঙ্গাস্নান করার বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। যে সমস্ত ঘাটে সাধারণত মানুষেরা স্থান করেন, সেখানে গঙ্গার একাংশ ঘিরে রাখা হয়েছে। সেখানেই স্নান করেন সাধারণ মানুষ। তবে গঙ্গার জল বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে, ঘাটের প্রায় সমস্ত সিঁড়িই জলের তলায়। রাস্তা থেকেই তাই গঙ্গাস্নান করতে পারছেন সাধারণ মানুষ। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই প্রায় ডুবে গিয়েছে রত্নেশ্বর মন্দির, দশাশ্বমেধ সহ একাধিক ঘাট। নমো ঘাটের যে দু’হাত জোড় করা মূর্তি, তার অনেকটাই ডুবে গিয়েছে।

আরও পড়ুন: Agnimitra Paul: ফুটপাতে বাচ্চার দুধ গরম, সত্যিই সমস্ত ফেলে দিয়েছিলেন অগ্নিমিত্রা পাল? বিতর্ক নিয়ে নিজে কী বলছেন পুরমন্ত্রী?

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *