Headlines

Sukanta Majumdar: ‘একজন ষণ্ডামার্কা লোক আছে, সে কি নিজেকে সুনীল শেট্টি ভাবেন ?’ কাকে নিশানা সুকান্ত মজুমদারের


কলকাতা: বেআইনিভাবে বিল বোর্ড লাগানোর অভিযোগ, আর তা খুলতে গেলে অগ্নিগর্ভ চেহারা নিল ক্য়ামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের অফিস চত্বর। ব্য়াপক বাধার মুখে পড়তে হল পুলিশ ও পুরসভার অফিসারদের। সিঁড়িতে ঢাল হয়ে দাঁড়ান ডেরেক ও ব্রায়েন ও বৈশ্বানর চট্টোপাধ্য়ায়রা। রীতিমতো মারধর, ধাক্কা মারা হয় পুলিশ কর্মীদের। এমনকী মারধরও করা হয় বলে খবর। যদিও বাধা সরিয়ে দফতরের ছাদে উঠে তৃণমূলের বিল বোর্ড ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় পুলিশ ও পুরসভার কর্মীরা। সূত্রের খবর, পুলিশের কাজে বাধা, অবৈধ জমায়েত-সহ একাধিক অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায় ও ডেরেক ওব্রায়েনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। ডেরেক ওব্রায়েনকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ” অভিষেকের পাশে যে ষণ্ডামার্কা লোক আছে, সে কি নিজেকে সুনীল শেট্টি মনে করছেন ?”

অভিযোগ, অবৈধ ভাবেই নাকি বিলবোর্ড লাগানো হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে। তবে এই দাবি মানতে চাননি ‘কালীঘাট তৃণমূলের’ ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। বিলবোর্ড খুলতে যাওয়ার সময় পুলিশ ও পুর আধিকারিকদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন অভিষেক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। বিলবোর্ড খোলার বিষয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলেই কলকাতা হাই কোর্টে যান অভিষেক। এই মামলার দ্রুত শুনানি চেয়ে আইনজীবী অর্ক নাগ ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে আবেদন জানান। এরপর, বিচারপতি জানিয়েছেন শুক্রবার বিষয়টি মামলার জন্য মেনশন করা হবে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ”অবৈধভাবে পুলিশের দাদাগিরি, গুন্ডাগিরি। বিজেপির হাতে তামাক খাচ্ছে। বিজেপির বাবারা মাইনে দেয় না। কোন পার্টি কোথায় বিল বোর্ড লাগাবে সেটা বিজেপি ঠিক করে দেবে? এই রাস্তাজুড়ে বিজেপির হোর্ডিং। এই পুলিশ আর KMC খুলবে একটাও?”

আরও পড়ুন‘সাংসদ না গুন্ডা, নিজেকে অক্ষয় কুমার মনে করছেন?’ ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে অভিষেককে নিশানা সুকান্ত মজুমদারের

সুকান্ত মজুমদার সামগ্রিক ঘটনা নিয়ে চাঁচাছোলা ভাষায় বিঁধলেন অভিষেক ও ডেরেক ওব্রায়েনকে। তিনি বলেন, ”নিয়ম নেমে আজ কলকাতা পুরসভা বিলবোর্ড খুলতে যায়। কারণ বেআইনি নির্মাণ কর্পোরেশনের ভেঙে ফেলা বা খুলে ফেলা উচিত। কিন্তু যে ভাবে আজকে প্রথমে কর্পোরেশনের লোককে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা বাধা দিলেন, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করলেন, এতে তিনি সাংসদ নাকি গুন্ডা সেটা বোঝা যাচ্ছে না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কি নিজেকে অক্ষয় কুমার মনে করছেন নাকি ? আর পাশে যে ষণ্ডামার্কা লোক আছে, সে কি নিজেকে সুনীল শেট্টি মনে করছেন ? যদি মনে করেন তবে তো মুশকিল। পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে হবে।  এবং যে ভাবে বেআইনি কারবার করেছেন, আর বেআইনি কারবার করার পর সেটা নিয়ে আরও বেশি দাদাগিরি করছে, মানে হিন্দিতে একটা কথা আছে, ‘চুরি তো চুরি, আবার সিনাজুরি’ সেটাই করছেন। চোরের মায়ের বড় গলা।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *