বেঙ্গালুরু: মাত্র ১৫ বছর বয়স। বিশ্ব তথা ভারতীয় ক্রিকেটে একের পর এক রেকর্ড গড়ে চলেছে। স্বয়ং রাহুল দ্রাবিড় চেয়েছিলেন এবার যেন লাল বলের ক্রিকেটেও পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া হয় বৈভব সূর্যবংশীকে (Vaibhav Sooryavanshi)। টেস্ট ক্রিকেটকে বাঁচাতে বৈভবের মতো ক্রিকেটার প্রয়োজন বলেও জানিয়েছিলেন ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’।
দলীপ ট্রফিতে (Duleep Trophy) বৈভব সূর্যবংশী দেখিয়ে দিল, লাল বলের ক্রিকেটেও ছাপ ফেলতে তৈরি। দলীপ ট্রফির প্রথম ম্যাচে রান পায়নি বাঁহাতি ব্যাটার। তবে সেমিফাইনালে মধ্যাঞ্চলের বিরুদ্ধে দুরন্ত ইনিংস খেলল। পূর্বাঞ্চলের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরির মাত্র ৮ রান আগে থামল বৈভব। ৮১ বলে ৯২ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে আউট হল। তবে সেঞ্চুরি না পেলেও ১৫ বছরের বিস্ময় কিশোর ৫৭ বছরের পুরনো একটি রেকর্ড ভেঙে দিল।
দলীপ ট্রফির ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসাবে হাফসেঞ্চুরি করল বৈভব। মাত্র ৪২ বলে সেই মাইলফলক স্পর্শ করল বৈভব। সদ্য শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট ম্যাচ খেলে ফেরা সারাংশ জৈনকে ছক্কা মেরে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করে বৈভব। ১৫ বছর ১৫৭ দিন বয়সে এই কীর্তি গড়ল বৈভব।
এর আগে ১৯৬৯ সালের দলীপ ট্রফিতে লক্ষ্মণ সিংহ হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন, যখন তাঁর বয়স ছিল ১৬ বছর ২৩ দিন। তারপর পীযূষ চাওলা ২০০৫ সালে ১৬ বছর ৩০৭ দিন বয়সে হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন। সেটা দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ হিসাবে দলীপ ট্রফিতে হাফসেঞ্চুরির নজির ছিল।
আরও পড়ুন: পাকিস্তান এখন অতীত, ইংল্যান্ডের স্থানীয় ক্রিকেটার হয়ে গিয়েছেন! কী জানালেন আমির?
তবে ৪০ রানে থাকার সময় বৈভবের ক্যাচ পড়ে। ৮১ রানে থাকার সময় সারাংশকে পরপর ২ বলে চার ও ছক্কা মেরে নব্বইয়ের ঘরে ঢোকে বৈভব। তবে হর্ষ দুবের বলে আর্শাদ খানের হাতে ধরা পড়ায় দলীপ ট্রফিতে বৈভবের প্রথম সেঞ্চুরির স্বপ্নভঙ্গ হয়। বাংলার অভিমন্যু ঈশ্বরণ ৬৯ রান করেন। বৈভব ও অভিমন্যু ওপেনিং জুটিতে ১৬২ রান তোলেন।
দলীপ ট্রফির সেমিফাইনালে দুই দলের রুদ্ধশ্বাস লড়াই চলছে। প্রথমে ব্যাট করে ২৬৬ রানে শেষ হয়েছিল মধ্যাঞ্চলের প্রথম ইনিংস। জবাবে বেঙ্গালুরুর সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে পূর্বাঞ্চলের প্রথম ইনিংসও ২৬৬ রানেই শেষ হয়। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় দিনের শেষে মধ্যাঞ্চলের স্কোর ৪৫/৩।
