Headlines

Hooghly: দাদাগিরি পুলকার চালকের, ঘুষি মেরে ছাত্রের বাবার নাক ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল হিন্দমোটরে


সৌরভ বন্দ্যোপাধ্য়ায়, হুগলি: পুলকার চালকের দাদাগিরি। ঘুষিতে ছাত্রের বাবার নাক ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল হিন্দমোটরে। আহতের দাবি, বেশ কয়েকদিন ধরে পুলকারে স্কুলে যাওয়া বা ফেরার পথে অন্য ছাত্ররা তাঁর ছেলেকে মারধর করছিল। সেই বিষয়ে সোমবার চালককে জিজ্ঞাসা করেন তিনি। সেই সময় দুপক্ষের মধ্য়ে শুরু হয় তর্কাতর্কি। তখনকার মতো বিষয়টি মিটে গেলেও অভিযোগ, সন্ধের পর রাত আটটা নাগাদ ওই পুলকারের মালিক ও তার ড্রাইভার সহ ১০, ১৫ জন ছাত্রের বাবার উপর হামলা চালায়। হামলা ঠেকাতে গিয়ে আহত হন আরও বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। ঘটনায় এক অভিযুক্তকে আটক করেছে উত্তরপাড়া থানার পুলিশ।

পড়ুয়ার বাবা জানিয়েছেন, ‘স্কুল থেকে যে গাড়িতে বাচ্চা আসে, সেই গাড়িতে অন্য়ান্য বাচ্চারাও আসে। আমার ছেলে আমাকে বলেছিল যে আমাকে ধরে অন্য ছেলেরা মারধর করলে আমি ড্রাইভার কাকুকে বলি, কিন্তু ড্রাইভার কাকু এগিয়ে আসেনি। আমাকে আমার ছেলে অভিযোগ জানানোর পর আমি ড্রাইভার ছেলেটিকে বলি যে তোর গাড়িতে এতগুলো ছেলে আসে, তাঁদের দায়িত্ব তোর নেই? আমার এমন প্রশ্ন রায় পাল্টা ওই ছেলেটির মামা ও আরও কয়েকজন আসে, আমাকে কপালে, নাকে আচমকা মারে। ইট দিয়ে মারা হয়। গাড়ির মালিকের নাম সোনু। পুলকারগুলো সব বেআইনি ভাবে তচলে। কোনও রেজিস্ট্রেশন নেই, কিছু নেই।’

উল্লেখ্য, ২ মাস আগে রাজ্যে একটি বড় পুলকার দুর্ঘটনা ঘটেছিল। মুর্শিদাবাদের গোবিন্দপুরে রেলগেটে ঘটে যায় এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা। সকাল ৬টা ৪০ মিনিট নাগাদ খাগড়াঘাট ও কর্ণসুবর্ণ স্টেশনের মধ্যে, গোবিন্দপুর রেলগেটে নিমতিতা-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন ধাক্কা মারে পড়ুয়া ভর্তি একটি পুলকারকে। ভয়াবহ সেই রেল দুর্ঘটনায় ৫ জনের প্রাণ গিয়েছিল। এর মধ্যে ৪ জনেই স্কুল পড়ুয়া, তারা এদিন ছিল ওই পুলকারে। ঘটনায়  আহত হয়েছিলেন আরও পাঁচজন। ঘটনার পরে, মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে, মুর্শিদাবাদে উপস্থিত হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার জন্য, রেলের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা ও আহতদের আড়াই লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করা হয়েছিল।

এই ঘটনায় অভিযোগ উঠেছিল মূলত গেটম্য়ানের দিকেই। এপ্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ‘আইনমতে ওর চূড়ান্ত শাস্তি হবে। এটা ক্ষমার অযোগ্য। আমি পরিবারগুলির পাশে আছি। প্রত্যেকের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেছি। এখানে চোখের জল ছাড়া আর অন্য কিছু আমাদের দেওয়ার নেই। উপরওয়ালা, ভগবান, ঈশ্বর – যে যেভাবেই ভাবেন না কেন, এই পরিবারগুলিকে শক্তি দিক। তাঁরা যাতে এই শোক কাটিয়ে উঠতে পারেন। আমি প্রচারের জন্য কাজ করি না। আমি যে অর্থ দিয়েছি, সরকারি অর্থ, আমার অর্থ নয়।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *