পার্থপ্রতিম ঘোষ, আবির দত্ত, বারুইপুর : বারুইপুরকাণ্ডে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু ধৃত এক অভিযুক্তের। পুলিশের গুলিতে মৃত্যু অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। নির্যাতন-খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় পালানোর চেষ্টা, দাবি পুলিশের। পুলিশের সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে গুলি চালায় অভিযুক্ত প্রভাস। পালাতে শুরু করে তারপর। তাকে ধরতে ধাওয়া করে পুলিশ। আত্মরক্ষার্থে পাল্টা জবাব দেয় পুলিশও। গুলি লাগে প্রভাসের। আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। বারুইপুরকাণ্ডে এই প্রভাস মণ্ডলই প্রথম গ্রেফতার হয়েছিল।
বারুইপুরকাণ্ডে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু ধৃত এক অভিযুক্তের। পুলিশের গুলিতে মৃত্যু নাবালিকা নির্যাতন-খুনে ধৃত প্রভাস মণ্ডলের। বারুইপুরের সূর্যপুরে পুনর্নির্মাণের সময় পালানোর চেষ্টা, দাবি পুলিশের। ‘পুনর্নির্মাণের সময় এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনতাই করে গুলি প্রভাসের’, এক রাউন্ড গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা ধৃত প্রভাস মণ্ডলের, দাবি পুলিশের। ‘প্রভাস মণ্ডল পালানোর চেষ্টা করতেই পাল্টা গুলি পুলিশের’, গুলিবিদ্ধ প্রভাসকে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা, দাবি পুলিশের।
পুলিশ সূত্রে খবর, গতকাল রাত ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ বারুইপুরের ওই ঘটনাস্থলে পুনর্নির্মাণের জন্য ধৃত প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে গিয়েছিল পুলিশ। গাড়ি থেকে নামানোর পরেই পুলিশের সার্ভিস রিভলভার কোনওভাবে হাতিয়ে নেয় প্রভাস। গুলি চালায় সে, এমনকী পালানোর চেষ্টাও করে। প্রভাস মণ্ডল পালানোর চেষ্টা করার সময় গুলিবিদ্ধ হয় সে, এমনটাই দাবি পুলিশের। আহত অবস্থায় প্রভাসকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
বারুইপুরকাণ্ডে সবার প্রথমে গ্রেফতার হয়েছিল প্রভাস মণ্ডল। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও কয়েকজন ধরা পড়ে। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রভাস মণ্ডলের বয়ানে বারবার অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছে। পুলিশকে বারংবার বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে প্রভাস। এমন তথ্য সে পুলিশকে দিচ্ছিল যাতে মনে হয় গোটা ঘটনায় তার কোনও দায় নেই, বাকিরাই যুক্ত। পুলিশ সূত্রে খবর, এই প্রভাসের থেকেই জেরায় জানা যায় যে তাকে ১০ হাজার টাকার টোপ দিয়ে ওই নাবালিকাকে তুলে আনতে বলা হয়েছিল। প্রভাসের থেকে এও জানা যায় যে, নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের পর বস্তাবন্দি করে দেহ ফেলা হয়েছিল পুকুরে।
ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে এও জানা গিয়েছে যে, সংজ্ঞাহীন অবস্থায় সম্ভবত নাবালিকাকে বস্তায় ভরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল পুকুরে। প্রভাস জেরায় দাবি করেছিল দেহ ফেলার সময়েই সে গিয়েছিল। থানার ভিতরে পুলিশের সঙ্গে প্রভাস এবং অন্যান্য ধৃতদের কথোপকথনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে ইতিমধ্যেই। বারুইপুরের নৃশংস ঘটনার পর স্থানীয়রাই প্রথমে পাকড়াও করে প্রভাস মণ্ডলকে। জানা যায়, শান্তনু মণ্ডল নামে স্থানীয় এক বিজেপি নেতা প্রভাসকে চড়-থাপ্পড় মেরে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুকুরের ধার থেকে প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে যাওয়ার ছবিও দেখা গিয়েছে ইতিমধ্যেই।
Kolkata News: কৈখালিতে ভুয়ো প্ল্যান বানিয়ে বহুতল নির্মাণ এবং ফ্ল্যাট বিক্রির অভিযোগ | ABP Ananda
