মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবার’-এ মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ভাইয়ের নামে অভিযোগ, কী বলা হল পুলিশের কাছে?


কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবার’-এ এবার মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ভাই অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে জমা পড়ল অভিযোগ। সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।    

৮০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাসিন্দা রঞ্জনা হাজরা এই অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই অজিত বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের পৈতৃক সম্পত্তি জবরদখল করে ব্যবসা চালাচ্ছেন। 

রঞ্জনা হাজরার অভিযোগ, ১৯৯৯ সাল থেকে একাধিকবার থানায় অভিযোগ করেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। অভিযোগকারিণী বলেন, ‘প্রচণ্ড ভয় দেখানো, অত্যাচার। ১৯৯৯ সালে কিছু দখল করেছে, ২০১৭ সালে কিছু দখল করেছেন। পুলিশকে অভিযোগ করেছি, তাতে আমাদের উপরে অত্যাচার আরও বেড়ে গেছে। কালীঘাট থানায় তখন আধিকারিক ছিলেন শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস কালীঘাট থানায় আমার ভাই দীপক হাজরাকে ২০১৭ সালে টানতে টানতে, মারতে মারতে কালীঘাট থানায় তুলে নিয়ে গেছিল’।                                    

যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ভাই অজিত বন্দোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘আমি একটা জমি কিনে বাড়ি করেছি। তার সমস্ত কাগজপত্র,  সেই কাগজপত্র রেখে আমি লোন করে বাড়ি করেছি। আমার সমস্ত পরীক্ষা করা কাগজ। এই ব্যাপারে কেউ কিছু বলতে যায়,  আমিও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে যাব। আমার কাছে সব কাগজ আছে। সর্বৈব মিথ্যা। সর্বৈব মিথ্যা’।                                                                  

অন্যদিকে, বাড়ি দখলের অভিযোগ উঠেছে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক ও কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ ও তাঁর মেয়ে-জামাইয়ের বিরুদ্ধে। তাঁদের বিধাননগর উত্তর থানায় তলব করা হয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অতীন ঘোষ। কমলিনী পাল নামে এই ব্যবসায়ীর দাবি, প্রগতি ময়দান থানায় তাঁদের একটি বাড়ি রয়েছে। অভিযোগ, ‘আমার মা-কে বলা, মেয়েমানুষ দেখে নেওয়া হবে। বিজনেস করে কলকাতায় একা, কমবয়েসি মেয়ে, ডেপুটি মেয়রের বিরুদ্ধে কী করে দাঁড়াতে পারে…’ 

অতীন ঘোষ এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এই যে কমলিনী পাল, তাদের পরিবারের সঙ্গে আমার কোনও দিন কোনও সাক্ষাৎ হয়নি। কোনদিনও কোনও কমিউনিকেশন হয়নি। মানে আমি তাদের চিনি না প্র্যাকটিক্যালি। আমি কোনও দিন কোনও পিকচারে ছিলাম না। আমার নামটা নিয়ে আসা হল শুধুমাত্র এই বিষয়টাকে হাইলাইট করার জন্য’।

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *