১৭.২৯ কোটি টাকার জালনোট কীভাবে পৌঁছাল ব্যাঙ্কের চেস্টে ? আরও কি ছড়িয়ে পড়েছে ? নেপাল-সংযোগের তদন্তে NIA


নয়াদিল্লি : প্রায় ১৭.২৯ কোটি টাকা জালনোটের হদিশ মিলেছে। তাও আবার ব্যাঙ্ক নোটের চেস্ট থেকে। যে ঘটনায় জোরদার তদন্ত নেমেছে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি। এর সঙ্গে ব্যাঙ্কিং সিস্টেমের মাধ্যমে জালনোট ছড়িয়ে দেওয়ার বড় কোনও নেটওয়ার্ক জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। মঙ্গলবার এমনই জানিয়েছেন সিনিয়র এনআইএ আধিকারিকরা। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের এক আধিকারিককে। তারপর থেকেই উত্তরপ্রদেশে জালনোট উদ্ধারের অন্যতম বড় ঘটনাটির তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।

পিএনবি-র ম্যানেজারকে গ্রেফতার করেছে NIA…

সোমবার এনআইএ জাগাদ্রি কারেন্সি চেস্টের ম্যানেজার অমিত কুমারকে গ্রেফতার করেছে। তিনি এই মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত। সাহারানপুরের সোফিয়া মার্কেট এলাকায় অবস্থিত ওই ব্যাঙ্কের কারেন্সি চেস্টে জালনোট শনাক্ত হওয়ার পর যে তিনজন পিএনবি কর্মকর্তা সন্দেহের তালিকায় এসেছিলেন, তিনি তাঁদেরই মধ্যে একজন।

এই গ্রেফতারি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তার কারণ সন্দেহজনক জালনোট কোনও ক্যুরিয়র মারফত, গোপন আস্তানা বা সীমান্ত পারাপারের সময় নয়, বরং উদ্ধার করা হয়েছে ব্যাঙ্কের নিজস্ব ‘কারেন্সি চেস্ট’ (নগদ অর্থ সংরক্ষণের ভাণ্ডার) থেকে। এই ঘটনাটি বিভিন্ন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যেমন- কীভাবে সংশ্লিষ্ট জালনোটগুলি ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় ঢুকে পড়ল এবং এর মধ্যে কিছু পরবর্তী সময়ে বৈধ ব্যাঙ্কিং চ্যানেলের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে কি না।

PNB-র ৩ আধিকারিক স্ক্যানারে…

তদন্তে শনাক্ত হওয়া পিএনবি (PNB)-র তিন কর্মকর্তা হলেন- সিনিয়র ডিভিশনাল ম্যানেজার রবি কুমার কানসে, সোফিয়া মার্কেট কারেন্সি চেস্টের ম্যানেজার সুশীল কুমার এবং জাগাদ্রি কারেন্সি চেস্টের ম্যানেজার অমিত কুমার। প্রাথমিক তদন্তে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি উঠে আসার পর ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এই তিন কর্মকর্তাকেই সাসপেন্ড করেছে।

এই পরিস্থিতিতে পুলিশ তাঁদের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করেছে। তাঁরা নেপাল পালাতে পারেন বলে সন্দেহ। এরইমধ্যে এই তিন আধিকারিকের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছেন SIT এবং ক্রাইম ব্র্যাঞ্চের আধিকারিকরা। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বিভিন্ন রকমের বৈদ্যুতিন ডিভাইস ও নথির। সেইসব জিনিস খতিয়ে দেখা হচ্ছে, তাঁদের সঙ্গে কাদের যোগাযোগ ছিল, তাঁদের গতিপ্রকৃতি এবং অন্যান্য আর কারা তাঁদের সঙ্গে জড়িত। ঘটনায় পুনরায় মামলা রুজু করেছে NIA এবং ৩ সেপ্টেম্বর থেকে তদন্তভার হাতে নিয়েছে এনআইএ। গত ২৯ অগাস্ট সদর বাজার থানায় মূল এফআইআর রুজু করা হয়েছিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *