8th Pay Commission CL News : মাসে অফিসে ২ ঘণ্টা দেরি করলে কাটা যাবে না ছুটি ! অষ্টম বেতন কমিশন স্বস্তি দেবে কর্মীদের ?


Casual Leave News : অষ্টম বেতন কমিশনে (8th Pay Commission) বেতন বৃদ্ধির নীতি (Salary News) নিয়ে প্রস্তাব দেওয়ার দিন শেষ। গত ১৫ জুন ছিল প্রস্তাব জমা দেওয়ার শেষ দিন। এই নির্দিষ্ট দিনের মধ্যে বিভিন্ন কর্মী সংগঠন ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর থেকে শুরু করে ‘বেসিক পে’ (Basic Pay) নিয়ে একাধিক প্রস্তাব জমা দিয়েছে। যার মধ্যে পড়েছে ছুটি নিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব। যেখানে বলা হয়েছে, মাসে ২ ঘণ্টা দেরি করলে যেন কর্মীদের ক্যাজুয়াল লিভ (Casual Leave) কাটা না হয়।     

মাসে অফিসে ২ ঘণ্টা দেরি করল এবার কী হবে
এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে স্বস্তি পাবেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা। অষ্টম বেতন কমিশনে কর্মী সংগঠনের তরফে রাখা প্রস্তাবে বলা হয়েছে, অফিসে দেরি করে আসার ক্ষেত্রে ক্যাজুয়াল লিভ বা সিএল কেটে নেওয়ার নিয়মে বড়সড় বদল প্রযোজন। ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ জয়েন্ট কনসালটেটিভ মেশিনারি (NC-JCM) স্টাফ সাইডের পক্ষ থেকে এই বিশেষ প্রস্তাবটি জমা দেওয়া হয়েছে।

১ দেরিতে হাজিরা নিয়ে নতুন কী প্রস্তাব 
নিয়ম অনুসারে, বর্তমানে কোনও কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী মাসে ২ বারের বেশি (১ ঘণ্টা পর্যন্ত) দেরি করে অফিসে এলে, পরবর্তী প্রতিবার দেরি করার জন্য তার অর্ধেক দিনের ক্যাজুয়াল লিভ (Half-day CL) কেটে নেওয়া হয়।

নতুন প্রস্তাবিত দাবিতে বলা হয়েছে, বর্তমানের বায়োমেট্রিক হাজিরা ব্যবস্থা ও শহরগুলির মাত্রাতিরিক্ত ট্রাফিক জ্যামের কথা মাথায় রেখে এই নিয়মে ছাড় দেওয়া হোক। তাদের প্রস্তাব। নির্দিষ্ট কতবার দেরি হচ্ছে তা না দেখে, পুরো মাসে মোট ১২০ মিনিট বা ২ ঘণ্টার একটি ‘গ্রেস পিরিয়ড’ বা ছাড় দেওয়া হোক। এই ২ ঘণ্টা পার হওয়ার পরেই কেবল হাফ-ডিউটি সিএল কাটার নিয়ম কার্যকর করা হোক। যা কার্যকর হলে স্বস্তি পাবেন কর্মীরা।

২ আঘাতজনিত ছুটির নিয়মে বদল
আগামী দিনে নতুন প্রস্তাবিত ছুটির নিয়মে বদল হলে দেরিতে হাজিরা পাশাপাশি স্টাফ সাইড আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবিক দাবি জানিয়েছে। সেটি হল, ‘ওয়ার্ক রিলেটেড ইলনেস অ্যান্ড ইনজুরি লিভ’ বা WRIIL (কর্মক্ষেত্রে অসুস্থতা ও আঘাতজনিত ছুটি)-র ক্ষেত্রে একটি নিয়মের বিলোপ ঘটানো।

বর্তমানে নিয়ম অনুযায়ী, যে সমস্ত কর্মচারীদের ওপর ‘ওয়ার্কম্যান কমপেনসেশন অ্যাক্ট ১৯২৩’ প্রযোজ্য হয়, তারা WRIIL চলাকালীন যে ছুটি-কালীন বেতন পান, তা থেকে ওই আইনের অধীনে পাওয়া ক্ষতিপূরণের অর্থ কেটে নেওয়া হয়। এছাড়াও এই ছুটির সময়কালীন কর্মচারীদের অ্যাকাউন্টে কোনো আর্নড লিভ (EL) বা হাফ পে লিভ (HPL) যোগ হয় না।

স্টাফ সাইডের দাবি, এই নিয়মটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও এর কারণে কর্মচারীরা কোনও দোষ না থাকা সত্ত্বেও চরম আর্থিক ও মানসিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তাই এই নিয়মটি পুরোপুরি প্রত্যাহার করার আবেদন জানানো হয়েছে।

বিষয় বর্তমান নিয়ম প্রস্তাবিত নিয়ম
দেরিতে আসার সর্বোচ্চ সময় ১ ঘণ্টা পর্যন্ত ১২০ মিনিট (মোট ২ ঘণ্টা)
মাসে কতবার ছাড় সর্বোচ্চ ২ বার কোনো নির্দিষ্ট বার নেই; মাসিক মোট সময় হিসাব হবে
হিসাবের পদ্ধতি প্রতিবার আলাদাভাবে গোনা হয় পুরো মাসের মোট সময় যোগ করা হবে (Cumulative)
পেনাল্টি বা ছুটি কাটার নিয়ম ২ বারের বেশি ১ ঘণ্টা দেরি হলেই পেনাল্টি মাসে মোট ১২০ মিনিটের বেশি দেরি হলে তবেই পেনাল্টি
শাস্তি অর্ধেক দিনের সিএল (Half-day CL) কাটা যায় ১২০ মিনিটের ঊর্ধ্বসীমা পার হলে অর্ধেক দিনের সিএল কাটা যাবে

এই ক্ষেত্রে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে : অষ্টম পে কমিশন কর্মচারীদের এই সমস্ত দাবিদাওয়া ও প্রস্তাব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করবে। এরপর সবদিক বিবেচনা করে কমিশন তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ তৈরি করবে, যা ২০২৭ সালের মধ্যে সরকারের কাছে জমা দেওয়া হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন : সিগারেটের দাম কমাতে ITC-র নতুন ভাবনা, বাজারে এল ছোট সস্তা ‘Classic’ 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *