সব্যসাচীকে নিয়ে তল্লাশি, বাড়ি থেকে ৩ কেজি সোনা উদ্ধার


নদিয়া: সব্যসাচী দত্তকে নিয়ে তল্লাশির পর উদ্ধার হল ৩ কেজি সোনা। নদিয়া জেলা পরিষদের সদস্যের বাড়ি থেকে ৩ কেজি সোনা উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। প্রায় ৪ কোটি ৩৯ লক্ষ টাকার সোনা উদ্ধার । মূলত গতকাল রাতে তোলাবাজি মামলায় ধৃত সব্যসাচীকে নিয়ে তল্লাশির পরেই এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। 

আরও পড়ুন, মমতার হাত থেকে তৃণমূলের দখল চলে গেল ঋতব্রতর হাতে, নতুন চেয়ারপার্সন হলেন অরূপ রায়

 সল্টলেকের এক ব্যবসায়ীর কাছে থেকে ১ কোটি টাকার বেশি তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে সব্যসাচী দত্তর বিরুদ্ধে। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয়েছে বিধাননগর পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যানকে। অভিযোগকারী ব্যবসায়ী  মধুসূদন চক্রবর্তী বলেছিলেন, আমার কাছে উনি এই আড়াই লক্ষ টাকার পরে ১ কোটি টাকা ওঁর (সব্যসাচী দত্তর)ওঁর রোজ বায়না ছিল। বাড়ি করতে গেলে টাকা দিতে হবে। বাড়ি ভাঙতে গেলে টাকা দিতে হবে। বাড়ি কিনতে গেলে টাকা দিতে হবে। বেচতে গেলে টাকা দিতে হবে। না দিলে মারবে।’ যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে বিধাননগর পুরসভার ধৃত তৃণমূল নেতা ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত বলেছিলেন, ১ টাকা যদি কোনও দিন আমাকে দিয়ে থাকে, প্রমাণ করতে পারে, আমাকে ফাঁসি কাঠে দিয়ে দিক, আমি রাজি আছি। পুরোটাই ফলস, ফেব্রিকেটেড।’

 তোলাবাজিকাণ্ডে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত গ্রেফতার হতেই খুলে গেছে প্য়ান্ডোরার বাক্স। বেরিয়ে আসছে একের পর এক অভিযোগ। ইতিমধ্য়ে একাধিক অডিও সামনে এনেছেন অভিযোগকারী। শুনানিতে সরকারি আইনজীবী বলেন, কিছু অডিও-ভিডিও ক্লিপ পাওয়া গেছে।যেখানে টাকা চেয়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে – না দিলে বিপদ হবে। এই ঘটনায় আরও ৫-৬ জড়িত। যাঁরা সব্যসাচীর হয়ে তোলাবাজির টাকা তুলতেন। জামিনের আবেদন খারিজ করে পুলিশ হেফাজত দেওয়া হোক। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তর ৫টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে।FD সহ সেখানে জমা রয়েছে ৩ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা। হদিশ মিলেছে ৫টি সম্পত্তির। পুলিশ সূত্রে দাবি, রাজারহাটের যে ফ্ল্যাটে সব্যসাচী দত্ত থাকেন, সেই বহুতলের ১০ তলায় বেনামে নামে কেনা একটি ফ্ল্যাটের হদিশ মিলেছে। তদন্তকারীদের অনুমান, আরও সম্পত্তির হদিশ মিলতে পারে।  এবার বারাসাত থেকে তৃণমূলের হয়ে ভোটে লড়েন সব্য়সাচী দত্ত, বিজেপির কাছে পরাজিত হন তিনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *