কলকাতা: তারাতলায় ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ গোডাউন। বেসব্রিজের কাছে ঘটা এই দুর্ঘটনায় এখনও আটকে অনেকে। জোর কড়মে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে পুলিশ, সেনা ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর। ভেঙে পড়া বিম, আর ছাদ কেটে নীচে আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারের জন্য নিয়ে আসা হয়েছে ক্রেন, গ্যাস কাটার। এ ছাড়াও অনেকটা বড় জায়গা জুড়ে ভেঙে পড়েছে এই গোডাউন। যে কারণে, সব জায়গায় এখনও পৌঁছানো যাচ্ছে না। আর সেই কারণেই এবার ওড়ানো হল ড্রোন।
যে জায়গাগুলো দেখা যাচ্ছে না, উদ্ধারকারী দল ওই ড্রোনের মাধ্যমে সেই জায়গাগুলো দেখার চেষ্টা করছে। এ ছাড়াও কোন জায়গায় কী পরিস্থিতি, সেটাও বোঝার চেষ্টা করছেন তাঁরা। ড্রোনের সাহায্যে এরিয়াল ভিউ নেওয়া হচ্ছে ওই পুরো জায়গাটার। এ ছাড়াও বোঝার চেষ্টা করা হচ্ছে, কোথাও কোনও প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে কি না। এ ছাড়াও রয়েছে স্নিফার ডগও। তারাও রয়েছে উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে।
উদ্ধারকারী দল ড্রোনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ জায়গাটা দেখে একটা নকশা প্রস্তুত করে ফেলতে চাইছেন। এর পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে, উদ্ধারকারী দল, একাধিক দলের বিভক্ত হয়ে কাজ করছে। এ ছাড়াও তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন সেনা বাহিনীর উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরাও। সেনা জওয়ানরা রয়েছেন, বিপর্যয় মোকবিল দল রয়েছে। এ ছাড়াও রয়েছেন পুলিশ কর্মীরা ও দমকল কর্মীরাও। এমন ভাবে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রতিটা ছোট দলে সকলেরই উপস্থিতি রয়েছে।
আরও পড়ুন: তৃণমূলে এই বান্ধবী কালচারটা ব্যাপক ছিল, অনেকেরই বান্ধবী পালিয়েছে, সিআইডি দেখছে খুঁজে: দিলীপ ঘোষ
এক এক জায়গায় এক এক রকম করে কাজ চলছে। কোথাও গাঁইতির সাহায্যে কংক্রিট খুঁড়ে ঢোকার চেষ্টা চলছে। কোথাও কাটার ব্যবহার করতে হচ্ছে। সেখানে লোহার বিম কেটে ভিতরে ঢুকতে হচ্ছে।
এখানে লোহার বিমের উপর ছাদ ঢালাই করা হয়েছিল। কোনও রকম পিলার ঢালাই করা হয়নি। সরাসরি লোহার বিময়ের উপর ছাদ ঢালাই হওয়ার জন্য মাঝে কোনও সাপোর্ট দেওয়া হয়নি। সাধারণত, কোনও ছাদ ঢালাই হলে নীচে একটা সাপোর্ট থাকে, এখানে সেই সাপোর্ট দেওয়া হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।
কমিশনে গেলেন ঋতব্রত, বলে দিলেন, “আমরাই আসল তৃণমূল”
