ফের যুদ্ধ! ইরানের ৯টির বেশি শহরে বিমান হামলা আমেরিকার, ভয়াবহ পরিস্থিতি


ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পরই ইরানে ফের হামলা চালাল আমেরিকা। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকার সেনাঘাঁটিতে ইরানের হামলার পরই পাল্টা হামলা চালাল আমেরিকা। ইরানের বুরাশরে ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ডের সাইটে হামলা চালাল আমেরিকার নৌসেনা ও বায়ুসেনা। দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের সেনাঘাঁটিতেও এসে পড়ল একের পর এক মিসাইল।

নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পশ্চিম এশিয়া। আগেই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার হুমকি দিয়ে রেখেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার সেই কথা অনুযায়ী কাজ। একসঙ্গে ইরানের ৯টির বেশি শহরে বিমান হামলা চালায় আমেরিকা। দক্ষিণ ইরানের বুশহরে IRGC-র ঠিকানায় হামলা চালান হয়। ইরান শহরের কাছে সেনা ঠিকানায় একের পর এক বিস্ফোরণ চলে। রাতে আমেরিকার বায়ু ও নৌ সেনার মিসাইল দিয়ে হামলা চালায়। ইরানের সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, ইরানের উপসাগরীয় উপকূলের কাছাকাছি দক্ষিণাঞ্চলীয় দু’টি এলাকা বন্দর আব্বাস এবং সিরিকে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে কোনারাক এবং চাবাহার এলাকার কাছেও। 

চাবাহার বন্দরেও আছড়ে পড়েছে একের পর এক মিসাইল। ইরানের কাছাকাছি সমুদ্র এলাকায় ২০টিরও বেশি আমেরিকার যুদ্ধজাহাজের টহল। প্রত্যাঘাতের জন্য প্রস্তুত ইরানও। আমেরিকার হামলার বিরুদ্ধে বন্দর আব্বাস এলাকার কাছে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে ইরানি বাহিনী। আমেরিকার মিসাইল উড়িয়ে দিচ্ছে ইরানও। হামলার ফল ভুগতে হবে আমেরিকাকে, পাল্টা হুঁশিয়ারি দেয় ইরান। বুধবার রাতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড তাদের এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে ইরানে হামলার খবর জানায়। এক্স হ্যান্ডলে তারা জানায়, ”প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে তাদের সেনা বাহিনী হরমুজ প্রণালীতে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করেছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ইরানের এই আস্ফালন অযৌক্তিক, বিপজ্জনক এবং যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন। এর বিরুদ্ধেই কড়া পদক্ষেপ নিল আমেরিকার সেনা বাহিনী।”

অন্যদিকে, ফোন করে সমঝোতায় আসতে চাইছে ইরান, সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার পাল্টা জবাব দিল আমেরিকা। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, সোমবার দক্ষিণ ইরানে নতুন করে বড়সড় হামলা চালিয়েছে মার্কিন বায়ু ও নৌসেনা। ধ্বংস করা হয়েছে ইরানের এয়ার ডিফেন্স ব্যবস্থা, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক, উপকূলীয় রাডার, জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং হরমুজ প্রণালীর আশপাশে থাকা ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস অর্থাৎ IRGC-র ৬০টিরও বেশি ছোট নৌযান। মার্কিন হামলায় দক্ষিণ ইরানের কেশম দ্বীপ, সিরিক এবং বন্দর আব্বাস এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইরানের হামলার আশঙ্কায় বাহরিন, কুয়েত, কাতারেও বাজছে এয়ার সাইরেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *