হারারে: প্রথম ওয়ান ডে ম্যাচে ২৫ রানে বাংলাদেশকে হারিয়ে দিয়েছিল জ়িম্বাবোয়ে। বৃহস্পতিবার হারারে ক্রিকেট মাঠে দ্বিতীয় ওয়ান ডে ম্যাচে বাংলাদেশের সামনে ছিল সিরিজ বাঁচানোর লড়াই। তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজ বাঁচিয়ে রাখতে হলে জিততেই হতো বাংলাদেশকে।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় ম্যাচেও জয়ী জ়িম্বাবোয়ে। ১৩ রানে বাংলাদেশকে হারিয়ে দিল জ়িম্বাবোয়ে। সেই সঙ্গে এক ম্যাচ বাকি থাকতে ওয়ান ডে সিরিজ পকেটে ঢুকিয়ে নিল তারা।
সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে দ্বিতীয় ওয়ান ডে-তে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ। ব্যাট করতে নেমে আয়োজক দেশ জ়িম্বাবোয়ে ৬ উইকেটে ২৪৭ রান সংগ্রহ করে। ম্যাচ জিততে বাংলাদেশকে করতে হতো ২৪৮ রান। ১১ বল বাকি থাকতে ২৩৪ রানে অল আউট হয়ে যায় বাংলাদেশ।
শুরুতে বল হাতে দারুণ নিয়ন্ত্রণ দেখিয়েছিল বাংলাদেশ। মাত্র ৬৬ রানের মধ্যেই ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় জ়িম্বাবোয়ে। তবে এরপর দলের হাল ধরেন বেন কারান। দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন। দুর্দান্ত সেঞ্চুরি উপহার দেন তিনি।
১৪৮ রানে জ়িম্বাবোয়ের ষষ্ঠ উইকেট তুলে নিলেও এরপর আর চাপ ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। সিকন্দর রাজা কারানের সঙ্গে জুটি গড়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। পঞ্চম উইকেটে তাঁরা যোগ করেন ৬৮ রান। রাজা ফিরে যাওয়ার পর মাদান্দে ও কারানের জুটি এবং শেষ দিকে জ়িম্বাবোয়ের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন কারান ও ব্র্যাড ইভান্স। ইনিংসের শেষ দিকে আগ্রাসী ব্যাটিং করে ম্যাচের ছবি বদলে দেন ইভান্স। মাত্র ৩৮ বলে অপরাজিত ৫৮ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল ২টি চার ও ৫টি ছক্কা। বেন কারান ১৩৫ বলে ৯টি চারের সাহায্যে অপরাজিত ১১১ রান করেন।
আরও পড়ুন: মারা গিয়েছিলেন, শুরু হয়েছিল অন্ত্যেষ্টির ভাবনা! অলৌকিকভাবে বেঁচে যান নরওয়েকে শেষ আটে তোলা কোচ
কারান ও ইভান্সের সপ্তম উইকেটের অবিচ্ছিন্ন ৯৯ রানের জুটিতেই শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ২৪৭ রান তোলে জ়িম্বাবোয়ে। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন তাস্কিন আমেদ। ৫৭ রানের বিনিময়ে তিনি নিয়েছেন ২টি উইকেট। মেহেদি হাসান মিরাজ ৩২ রানে পেয়েছেন ২ উইকেট। এছাড়া নাহিদ রানা ও রিশাদ হোসেন একটি করে উইকেট শিকার করেন। জবাবে তাঞ্জিদ হাসান ও তৌহিদ হৃদয় লড়াই করলেও হার মানে বাংলাদেশ।
