মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ..”, বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, কী কী পাচ্ছে এবার রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি ? “আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে..


কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার বিকাশ ভবনে শুভেন্দু অধিকারী। কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের আধিকারিক, উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতিতে কেন্দ্রীয় শিক্ষানীতির পথে চলতে রূপরেখা নির্ধারণে চলে এই বৈঠক। তিনি বলেন, ‘সমস্তস্তরের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পড়ুয়াদের মিড ডে মিলের খাবার গুরুত্ব সহকারে দেখতে হবে। শিক্ষার মান উন্নত করব। আগের সরকারের ভুল নীতির জন্য কেন্দ্রের সাহায্য মেলেনি। শিক্ষা পণ্য হবে না। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনীতি ঢুকবে না। এবার থেকে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে।’

আরও পড়ুন,  “সবং থানা এলাকার বাইরে যেতে পারবেন না মানস ভুঁইয়া..”, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কী নির্দেশ হাইকোর্টের ?

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা ভারত সরকারের বিগত তিন বছরের, সরকারি নীতি না মানার ফলে,   বিগত সরকার অর্থ নেয়নি। ভারত সরকার দিতে চাইলেও, দিতে পারেনি। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এই অর্থবর্ষে..আমরা পাবো। সবগুলি কম্পোনেন্ট নিয়ে সব ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রাইমারি , আপার প্রাইমারি, হাইস্কুল , কলেজ , বিশ্ববিদ্যালয়, বিদ্যার্থী অর্থাৎ ছাত্রছাত্রীদের, আধুনিক শিক্ষা দেওয়া যায়, কী করে ছাত্র-শিক্ষক শিক্ষিকার রেশিও ঠিক রাখা যায়, কীকরে শিক্ষক অধ্যাপক নিয়োগকে রাজনীতি মুক্ত করে, অত্যন্ত পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে, মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ করা যায়, কী করে বিদ্যামন্দিরগুলিকে আধুনিক মানের করা যায়, সব পয়েন্ট নিয়ে ইন ডিটেলসে আলোচনা হয়েছে। ইমিডিয়েট যেটা বিদ্যালয়গুলি পাবে, অর্থাৎ প্রাইমারি আপার প্রাইমারি হাইস্কুলের ক্ষেত্রে, কম্পোজিট গ্রান্ট, যেটা তিন বছর ধরে তাঁরা পায়নি,  আগের সরকারের ভুলে, আমরা ৮১ হাজার বিদ্যালয়ে টার্গেট নিয়েছি। সব জায়গায় গ্যাসে মিড ডে মিল রান্না হবে। পর্যায়ক্রমে সোলার প্যানেল হবে। সব জায়গায় অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন শৌচালয় থাকবে। সব জায়গায় আর্সেনিক মুক্ত পানীয় জল থাকবে। সব বাচ্চারা ভাল থালায় খাওয়াদাওয়া করবে। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরি হবে। এবং রাঢ় বঙ্গ দিয়ে শুরু হচ্ছে। বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম..যে বিদ্যালয়গুলি এখনও ফ্যান লাগানো হয়নি, গরমে বাচ্চারা কষ্ট পায়, সেই ফ্যান লাগান। আমি সাজেস্ট করেছি বালিকা বিদ্যালয়গুলিতে,  এবং কোয়েড স্কুল-কলেজগুলিতে, কন্যাদের, বোনেদের জন্য স্যানিটারি ভেন্ডিং মেশিন চালু করা। এবং আমাদের সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আমরা যতগুলি এনওসি দিয়েছি, তারা ফাংশান করছে, আগে ইনস্পেকশন হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *