আবির দত্ত, কলকাতা : ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় তল্লাশি করতে গিয়ে উদ্ধার হল ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা। হাওড়া থেকে ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে একজনের নাম মানস রায়। অভিযোগ, পাঞ্জাব ন্য়াশনাল ব্যাঙ্ক থেকে জমির জাল কাগজ দেখিয়ে ঋণ নেওয়া হয়েছিল প্রায় ৪ কোটি টাকার। সেই অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। তারপরই গ্রেফতার করা হয় তিনজনকে।
কয়েকদিন আগেই নিউটাউনে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে কোটি কোটি টাকা
ফের উদ্ধার কোটি কোটি টাকা। সাইবার প্রতারণা মামলায় নিউটাউনের একটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি। বিধাননগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম, ডিটেক্টিভ ডিপার্টমেন্ট ও টেকনোসিটি থানার যৌথ অভিযানে নিউটাউনের ওই ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছে ২ কোটি টাকারও বেশি। এ ছাড়াও উদ্ধার হয়েছে টাকা গোনার মেশিন। বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৪ টি গাড়ি ও একটি স্কুটার।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা বাসের পিছনে ধাক্কা লরির, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু অন্তত ৪ জনের, গুরুতর আহত একাধিক
এ ছাড়াও ওই ফ্ল্যাট থেকে আটক হয়েছেন এক মহিলা সহ ৭ জন। তারপর গ্রেফতার করা হয় তাঁদের। পুলিশের দাবি ওই ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে চলত হাওয়ালার কারবার। জানা গিয়েছে নিউটাউনের ওই ফ্ল্যাটে প্রায় ১২ ঘণ্টা চলে এই তল্লাশি অভিযান। ওই ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া টাকা ৩ টে ট্রলি ব্যাগে করে নিয়ে বের করে পুলিশ। সঙ্গে ছিল একাধিক টাকা গোনার মেশিনও।
বিধাননগর পুলিশের একাধিক আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন এই তল্লাশি অভিযানে। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই ফ্ল্যাটটি নিয়ে নেস কয়েকজন ভাড়া থাকতেন এখানে। যদিও এই যে উদ্ধার হওয়া টাকা, সেটা নিয়ে তদন্ত করছেন বিধান নগর সিটি পুলিশের অধিকারিকরা। কারণ, এই টাকা কোথা থেকে এল? এই টাকা কার টাকা, তা এখনও জানা যায়নি।
বিধাননগর পুলিশ সূত্রে খবর একজন মহিলা সহ যে ৭ জন গ্রেফতার হয়েছে, সেই ৭ জনই ভিন রাজ্যের বাসিন্দা। পশ্চিমবঙ্গের কেউ নেই তাঁদের মধ্যে। আরও জানা গিয়েছে, এই ৭ জন ঘাঁটি গেড়ে বসেছিল কলকাতায়। পুলিশ ভেবেছিল, কোনও কল সেন্টার ফ্রডের টাকা এটা। কিন্তু পরে জানতে পারে এই টাকা আসলে হাওয়ালার টাকা। এই টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, গত ৬ মাস এই ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিল এরা।
