ঋত্বিক প্রধান, পূর্ব মেদিনীপুর : দিঘা-নন্দকুমার জাতীয় সড়কে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা বাসের পিছনে ধাক্কা লরির। বাসের চালক, হেলপার-সহ ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৪ জনের। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩ জন। দিঘা-নন্দকুমার জাতীয় সড়কের হেঁড়িয়া হাসপাতালের কাছে ঘটেছে দুর্ঘটনা। ইতিমধ্যেই ঘাতক লরিটিকে আটক করেছে খেজুরি থানার পুলিশ।
কয়েকদিন আগেই কলকাতার নিউটাউনে ঘটেছে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা
নিউটাউনে বাস দুর্ঘটনা। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গার্ডওয়ালে ধাক্কা মারে যাত্রীবোঝাই একটি বাসে। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ৩ জন। তাদেরকে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জানা গিয়েছে, নিউটাউন থেকে সাপুরজির দিকে যাচ্ছিল বাসটি। কোল ইন্ডিয়া ভবনের সামনে ঘটে এই অঘটন। দুর্ঘটনার সময়ে ওই বাসে অন্তত ২০ থেকে ৩০ জন যাত্রী ছিলেন বলে খবর।
ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় তল্লাশি, উদ্ধার হল ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা, গ্রেফতার ৩ জন
কিছুদিন আগে দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছিল
দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। রাজস্থানের দৌসায় দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাস, দুর্ঘটনায় অন্তত ৮ জন বাসযাত্রীর মৃত্যু। ঋষিকেশ থেকে ইন্দোরগামী বাসে ধাক্কার পর ভয়াবহ আগুন। ভোররাতে দুর্ঘটনার সময় বাসের অধিকাংশ যাত্রী ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে বেশ কয়েকটি ভিডিও, ছবি। সেখানে দেখা গিয়েছে দাউদাউ করে জ্বলছে বাস এবং ট্রেলারটি।
রাজস্থানের দৌসা জেলার কাছে দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়ের উপর একটি স্লিপার বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় একটি ট্রেলারের। চোখের নিমেষে দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে যাত্রী বোঝাই দুরপাল্লার বাস এবং ওই ট্রেলারটি। মঙ্গলবার রাত ২টো ৩০ মিনিট নাগাদ এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, বাসের গতি যথেষ্ট বেশি ছিল। যাত্রী বোঝাই বাসটি সজোরে ধাক্কা মারে একটি ট্রেলারে। তারপর আগুন ধরে যায় বাস এবং ট্রেলার, দু’টিতেই। জানা গিয়েছে, ঋষিকেশ থেকে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর যাচ্ছিল ওই বাসটি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা কথায়, বাসে আগুন ধরে যাওয়ার পর ভিতর থেকে বাঁচার জন্য আর্তনাদ করছিলেন যাত্রীরা। স্লিপার বাস হওয়ার ফলে অনেক যাত্রী ছিলেন আপার বা উপরের বার্থে। ঘুমাচ্ছিলেন তাঁরা। সেখান থেকে কার্যত ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয় তাঁদের। প্রাণ বাঁচাতেই ছুঁড়ে ফেলা হয় তাঁদের। প্রত্যক্ষদর্শীদের অনেকেই জানিয়েছেন, বেশিরভাগ যাত্রী যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁরা বাসের আপার বার্থে ঘুমাচ্ছিলেন। ঘুমের মধ্যেই আগুনে ঝলসে মৃত্যু হয়েছে তাঁদের। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল আসে পুলিশ ও দমকলবাহিনী। আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে যাত্রীদের উদ্ধার করার কাজ শুরু করেন দমকলকর্মীরা।
