Messi With Yamal: ইয়ামালকে স্নান করিয়ে দিচ্ছেন মেসি, ভাইরাল ছবিটি কি AI দিয়ে তৈরি? কী জানাল UNICEF?


নিউ জার্সি: লামিনে ইয়ামাল (Lamine Yamal) কয়েকদিন আগে বলেছিলেন, ‘আমি একটু বড় হয়েছি। লিও-ও বড় হয়েছে। ফাইনালিসিমা খেলতে পারিনি তবে আশা করছি ফাইনালে লিওনেল মেসির (Lionel Messi) বিরুদ্ধে খেলতে পারব।’

ইয়ামালের সেই স্বপ্নপূরণ হতে চলেছে। যাঁকে আদর্শ করে তিনি ফুটবল খেলেছেন, সেই মেসির বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের ফাইনালে নামতে চলেছেন ইয়ামাল। তার আগে ফের চর্চায় মেসি ও ইয়ামালের ১৮ বছর আগে ভাইরাল হওয়া সেই ছবি। যেখানে মেসিকে দেখা গিয়েছিল শিশু ইয়ামালকে স্নান করিয়ে দিচ্ছেন। বার্সেলোনার একটি চ্যারিটি ক্যালেন্ডারে ২০০৮ সালে ছাপা হয়েছিল সেই ছবি। সেই দুজনই বিশ্বকাপ ফাইনালে যুযুধান।

দুজনেরই উত্থান বার্সেলোনার লা মাসিয়া অ্যাকাডেমি থেকে। দুজনই খেলেছেন বার্সেলোনায়। ইয়ামাল জাতীয় দলের হয়ে ইউরো কাপ ও নেশনস লিগ জিতেছেন। মেসির ঝুলিতে বিশ্বকাপ, ফাইনালিসিমা ও জোড়া কোপা আমেরিকা। 

ইয়ামালের বাবা মুনির নাসরাওই প্রথম ছবিটি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন ও তা ভাইরাল হয়ে যায়। বিশ্ব ফুটবলের সর্বকালের সেরা তারকা স্নান করিয়ে দিচ্ছেন এমন এক শিশুকে, যে কি না ভবিষ্যতের মেসি হিসাবে পরিচিতি পাবে! স্পেনের যে ফটোগ্রাফার ছবিটি তুলেছিলেন, সেই জোয়ান মনফর্ট বলেন, ‘এরকম ছবি কখনওই অর্থ দিয়ে কেনা সম্ভব নয়।’

মেসির সঙ্গে ইয়ামালের ছবিটি ওঠার নেপথ্যেও রয়েছে গল্প। ছবিটি নেহাতই কাকতালীয়। জোয়ান জানিয়েছেন, ফটোশ্যুটের জন্য একটা লটারি হয়েছিল। সেখানে অনেক শিশুই অংশগ্রহণ করেছিল। বার্সেলোনার অন্যান্য তারকা – রোনাল্ডিনহো, জ়াভি কিংবা ইনিয়েস্তা – এরকম কারও সঙ্গেও ইয়ামালের ছবি থাকতে পারত। তবে ইয়ামালের পরিবার বেছে নিয়েছিল মেসিকে।

জোয়ান আরও বলেছেন, ‘মেরুন ব্যাকগ্রাউন্ড, আলো, জায়গা সব আমি ঠিক করেছিলাম। আমি এরকম ফ্রেম চেয়েছিলাম। মেসির তখন বছর ২০ বয়স। শিশুটির বয়স ৮ মাস। আমি নিশ্চিত সেই প্রথম মেসি কোনও বাচ্চাকে কোলে নেয়।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছিলেন, ছবিটি প্রকৃত নাকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দিয়ে তৈরি? তবে ইউনিসেফ এক্স পোস্টে জানিয়েছে, ছবিটি বাস্তবেই তোলা হয়েছিল। প্রত্যেক শিশু যাতে ভালভাবে বাঁচে, সেই উদ্দেশ্য নিয়ে চ্যারিটির জন্য অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছিল।

 

রবিবার ভারতীয় সময় রাত সাড়ে বারোটায় নিউ জার্সির মেট লাইফ স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্তিনা ও স্পেন। যে ম্যাচে মুখ্য আকর্ষণ মেসি-ইয়ামাল দ্বৈরথ। মেসি আট গোল করে যৌথভাবে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ স্কোরার। ইয়ামাল একটিমাত্র গোল করেছেন। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে। তবে টুর্নামেন্ট যত এগোচ্ছে, ততই ঝলমল করছেন ইয়ামাল। সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে তাঁর জন্যই বারবার চুরমার হয়েছে দিদিয়ে দেশঁর দলের রক্ষণ।

আরও পড়ুন: মারাদোনাকে জয় উৎসর্গ মেসির, গ্যালারিতে গান ‘ফকল্যান্ড, দিয়েগো আর মেসির শেষ স্বপ্নের জন্য…’

 





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *