কলকাতা: ১৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে রাজ্যে। শ্যাম স্টিলের কারখানার নতুন ইউনিটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে এসে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে বলব, এসে দেখে যাবেন, হেলিকপ্টার পাঠাবো..।”
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের আর্থিক উন্নতি হবে। উন্নয়নের জন্য সরকারের সঙ্গে সবাই একজোট হয়ে কাজ করবে। আমি সবাইকে স্বাগত জানাই। ..প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে বলব, আপনার হাতে এখন অনেক সময়, এই প্ল্যান্টের ভিতরটা দেখে যাবেন। কেন বললাম জানেন, উনি কথায় কথায়, বিশেষ করে মারোয়ারিদেরকে, হিন্দিভাষীদের লোকেদের বলেন, এই লোকেরা তো বাহারি (বাইরে থেকে এসেছে)। গুজরাত হতে দেব না। উত্তরপ্রদেশ হতে দেব না।…আপনি একবার এসে দেখে যাবেন, আমাকে জানাবেন, আমি সরকারি হেলিকপ্টারটা দিয়ে দেব। আর যাই বলুন, এদেরকে বাহারী বলবেন না। এবার যদি এই সরকার না আসত, এরসব ওড়িশা চলে যাবে ঠিক করেছিল। সিন্ডিকেটরাজ,তোলাবাজি, রাস্তায় গাড়ি নিয়ে বের হলে, হাত পাততো। গুন্ডা ট্যাক্স …কী অবস্থা করে রেখেছিলেন আপনারা !’
তিনি বলেন, আমাদের সরকার ল্যান্ড সিলিং, বিনিয়োগকারীরা যা চাইবে করব। ৩৪ বছরে হয়নি। বাম আমলে গুলি চলেছে। তৃণমূল সরকার বলেছে, তুমি জমি কেন, আমি নেই। জোর করে জমি অধিগ্রহণ চলবে না। আমরা জমি কিনে দেব। সরকারের দায়িত্ব আছে। কত কাজ দিলেন, তার ওপর ইনসেন্টিভ দেব। ১০০ কোটির ওপর বিনিয়োগ হলে স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতির প্রয়োজনই নেই। এতদিন স্কোয়ারফুট কাউন্সিলর ছিল। স্কোয়ারফুট অনুযায়ী দিয়ে যাবেন। এসব হবে না। যে ২ বছর নির্মাণ চলবে, জল বিদ্যুৎ থেকে সব দেব। আইনশৃঙ্খলা না ঠিক না থাকলে শিল্প আসে না।পরামর্শ দেব, পলিউশন ঠেকাতে শ্যাম স্টিল ভাল কাজ করেছে। পশ্চিম মেদিনীপুরে একটি কারখানা আছে, কারও নাম নেব না, এত দূষণ, মানুষকে বর্বাদ করে দিচ্ছেন। পশ্চিমবঙ্গে এত আর্থিক অবস্থা খারাপ কেন? রেভিনিউ লিকেজ ছিল। বীরভূমে ৩৪ বছরে হরতাল হরতাল। দুনিয়ার মজদুর এক হও বলতে বলতে চিত্তরঞ্জন, দুর্গাপুর শেষ করে দিয়েছে। পরের সরকার, গ্রেটার বাংলাদেশ করতে চেয়েছিল। বাংলার মানুষ বাঁচিয়ে দিয়েছেন। এখন গড়তে হবে, বেকারের হাতে কাজ, শিল্পপতিদের পরিবেশ দিতে হবে। আমরা করব জয়। ‘
