Headlines

‘সেবাশ্রয়’ কাণ্ডের জের, বাতিল হয়ে গেল রাজ্যের এই নার্সিংহোমের লাইসেন্স ও রেজিস্ট্রেশন


সন্দীপ সরকার, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ‘সেবাশ্রয়’ কাণ্ডের জের। বিনা অনুমতিতে USG মেশিন স্থানান্তরিত করায় লাইসেন্স ও রেজিস্ট্রেশন বাতিল হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার  ‘জীবন আরোগ্য’ নামে একটি নার্সিংহোমের। জেলা প্রশাসনের জারি করা নির্দেশিকায় লেখা হয়েছে, ২৩ জুলাই DIMC-র পরিদর্শনে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানের রেজিস্টার্ড অফিসে আলট্রাসাউন্ডের জন্য নির্ধারিত ঘরে ছিল না USG মেশিন। তার প্রেক্ষিতেই নেওয়া হল এই পদক্ষেপ।

আরও পড়ুন, সাতসকালে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা কলকাতায়, ভেঙে চুরমার উইন্ডস্ক্রিনের কাচ, দুমড়ে মুচড়ে খুলে এল নাম্বার প্লেট, আহত একাধিক, নেওয়া হল ESI হাসপাতালে

ফলতায় সেবাশ্রয়-২ এর ক্যাম্পে এখনও পড়ে রয়েছে রোগীদের মেডিক্যাল রিপোর্ট। মেডিক্যাল রিপোর্টগুলির সবকটির ওপরেই ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজের নাম জ্বলজ্বল করছে। অর্থাৎ সরকারি হাসপাতালের পরিকাঠামো ব্যবহার করা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে করা সেবাশ্রয় ক্যাম্পে। নামে সেবাশ্রয়, কিন্তু সেখানে সেবাই নাকি ছিল ব্রাত্য। রোগীদের জীবন নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা হয়েছে বলে ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠেছে।সেই সেবাশ্রয়কে ঢাল করেই ওষুধ, টেস্ট কিট, চিকিৎসা সরঞ্জাম নিয়ে বিরাট বড় দুর্নীতির অভিযোগও সামনে এসেছে।আর এবার ফলতার সেবাশ্রয়-২ এর ক্যাম্পে ঢুকে যা দেখা গেল, তাতে এই স্বাস্থ্য শিবির আয়োজনের উদ্দেশ্য নিয়ে আরও বড় প্রশ্ন উঠে গেল।

 ক্যাম্পের ভিতরে একটি ঘরের দরজায় ওপরে লেখা রয়েছে ল্যাব। সেই ঘরে ঢুকতেই দেখা গেল, মেঝেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে কাগজ। উল্টে পাল্টে দেখতেই বোঝা গেল, সেগুলো আসলে বিভিন্ন রোগীর মেডিক্যাল রিপোর্ট। টুইস্ট এখানেই শেষ নয়। এই একটি রিপোর্টেও সই নেই কোনও চিকিৎসকের। রিপোর্টের নীচে সইয়ের জায়গা ফাঁকা। ডায়মন্ড হারবার বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস (ববি) বলেন, শুধু নমুনা সংগ্রহের পর রিপোর্ট দেওয়া হয়নি এমনটাই নয়, রোগীদের কেস হিস্ট্রির রিপোর্টও ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে ফলতার সেবাশ্রয়-২ এর ক্যাম্পে।

সেবাশ্রয় ক্যাম্পে দেখানোর পর রোগীদের বিভিন্ন মেডিক্যাল টেস্টের পরামর্শ দিতেন চিকিৎসকরা। কিন্তু বহু রোগীর অভিযোগ, নমুনা দেওয়ার পর রিপোর্ট তাঁরা হাতে পাননি। সরিষা নারায়ণ তলার বাসিন্দা সাকিনা বিবি। পেটে ব্যথা নিয়ে গিয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবারে সেবাশ্রয় ক্যাম্পে। তাঁকে USG করার পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসক। কিন্তু অভিযোগ, সেই রিপোর্ট তিনি হাতে পাননি। এরপর উঠেই যায় ক্যাম্প। আবার ফলতার সেবাশ্রয় ক্যাম্পে গিয়ে দেখা গেল, ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে হেমাটোলজির রিপোর্ট। অর্থাৎ যে রোগীরা নমুনা দিয়েছিলেন, তাঁরা কেউই রিপোর্ট পাননি। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *