Malda News: ভরসন্ধ্যায় কেঁপে উঠল গৃহস্থের বাড়ি, মালদার কালিয়াচকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ৪ নাবালক-সহ গুরুতর জখম ৭


সোমক লাহিড়ি, মালদা : ভরসন্ধেয় বিকট শব্দ। মালদার কালিয়াচকে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল গোটা বাড়ি। গুরুতর জখম হল ৪ নাবালক-সহ মোট ৭ জন। রাতেই আহতদের প্রথমে সুজাপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও পরবর্তীকালে মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বুধবার সন্ধে নাগাদ কালিয়াচকের সুজাপুরে আখিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। গ্যাস সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ বলে দাবি পরিবারের। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখছে কালিয়াচক থানার পুলিশ। 

এবার বিপাকে কলকাতার আরও ৬টি ব্লাড ব্যাঙ্ক, তালিকায় কারা ? কী কী অভিযোগ ? 

বাইক তল্লাশিতে উদ্ধার প্রায় ৪১ লক্ষ, মালদায় ফের টাকার পাহাড়ের হদিশ 

বুধবার সন্ধেবেলা কালিয়াচকের সুজাপুর বালুপুর বাগানবাড়ি এলাকায় এক গৃহস্থের বাড়ি তীব্র বিস্ফোরণ কেঁপে উঠেছে বলে খবর। এই বিস্ফোরণের জেরে আগুনে ঝলসে গুরুতর জখম হয়েছে চার নাবালক-সহ মোট সাতজনl স্থানীয়রা আহতদের প্রথমে সুজাপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসেন এবং তারপর রাতেই আহতদের মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়l বিস্ফোরণের ঘটনার বিষয়টি জানাজানি হতেই কালিচক থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় l স্থানীয়দের দাবি রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়েই এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। আর তার জেরেই আহত হয়েছে সাত জনl জানা গিয়েছে, যে বাড়িতে বিস্ফোরণ হয়েছে, তার গৃহকর্তার নাম আখিরুল ইসলামl পুলিশ সূত্রে খবর, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, আশেপাশের টালির বাড়িগুলোও কেঁপে উঠেছিল l পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকা পরিদর্শন করেছে ইতিমধ্যেই। কীভাবে বিস্ফোরণ ঘটেছে, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কিছু, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে কালিয়াচক থানার পুলিশ। 

কয়েকদিন আগে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নীলগঞ্জে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়েছে। কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে নিমেষের মধ্যে ছড়িয়ে পরে আগুন। আতঙ্ক ছড়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে। ঘটনাস্থলে দমকল এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয় সূত্রে খবর পাওয়া যায়, দিন কয়েক আগে নীলগঞ্জের নারায়ণপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বাজি ও বারুদ উদ্ধার করেছিল নীলগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ। উদ্ধার করা এই বাজি একটি গোডাউনে মজুত রাখা ছিল। সেই গোডাউনেই মজুত রাখা বাজিতেই হঠাৎ বিস্ফোরণ হয়। বাজির মধ্যে বারুদ থাকার ফলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের দু’টি ইঞ্জিন। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে দমকল। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *