CJP Instagram Account: গায়েব হয়ে গেল ককরোচ জনতা পার্টির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট, স্বাধীনতা দিবসের সকালে, পুনরুদ্ধারের পর অভিজিৎ দীপকে লিখলেন…


নয়াদিল্লি: স্বাধীনতা দিবসে হঠাৎ গায়েব হয়ে গেল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট। ইনস্টাগ্রামে তাদের অ্যাকাউন্টে গেলে দেখাচ্ছিল ‘User not found’. স্ক্রিনে লেখা ভেসে উঠছিল যে, ‘এই মুহূর্তে পেজটি পাওয়া যাচ্ছে না’। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র কণ্ঠ রোধ করতেই অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে দাবি করেন অভিজিৎ দীপকে। সেই নিয়ে শোরগোল পড়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। এর কিছু ক্ষণ পর ফের অ্যাকাউন্টটি আগের অবস্থায় ফিরে আসে।

শনিবার স্বাধীনতা দিবসের সকালে ইনস্টাগ্রাম থেকে গায়েব হয়ে যায়  ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র অ্যাকাউন্ট। সকাল ৬টা বেজে ১৬ মিনিটে অভিজিৎ লেখেন, ‘ককরোচ জনতা পার্টির অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল সরিয়ে দিয়েছে কাপুরুষরা!’। 

আরও পড়ুন: ‘নকশাল মানসিকতার লোকজনকে চিহ্নিত করতে হবে, বিচ্ছিন্ন করতে হবে’, স্বাধীনতা দিবসে বললেন মোদি

এর কিছু সময় পর আবারও CJP-র অ্যাকাউন্টটি ফিরে আসে ইনস্টাগ্রামে। সকাল ৬টা বেজে ৪৫ মিনিটে অভিজিৎ লেখেন, ‘আজ সকালে CJP-র ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে আমরা অ্যাকাউন্টটি ফিরিয়ে আনতে সফল হয়েছি আবার’। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লালকেল্লায় ভাষণ দিতে ওঠার আগে এই ঘটনা ঘটে। 

ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ফিরিয়ে আনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিজিৎ লেখেন, ‘অত্যন্ত লজ্জার বিষয় যে যারা CJP-র বিরোধিতা করছে, আমাদের কণ্ঠরোধ করতে তারা স্বাধীনতা দিবসকেই বেছে নিল’। ‘কাপুরুষোচিত’ আচরণ করে তাঁদের আন্দোলনকে দমানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন অভিজিৎ।

আরও পড়ুন: রাস্তার মাঝে হামাগুড়ি শিশুর, একটুর জন্য রক্ষা, ভিডিও ভাইরাল, মায়ের আচরণে সন্দেহ

এর আগে, দিল্লি যন্তর মন্তরে NEET প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলাকালীনও ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র ইনস্টাগ্রাম অ্যারাউন্টটি নিয়ে সমস্যা দেখা দেয়। গত ২২ জুলাই অ্যাকাউন্টটি সরিয়ে দেওয়া হয়। অভিজিৎ সেই সময় সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করেছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ২ কোটি ৬২ লক্ষ ‘ফলোয়ার’ রয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তর একটি মন্তব্যের দরুণ CJP-র সূচনা। রাতারাতি লক্ষ লক্ষ মানুষ তাদের সংগঠনে নাম লেখায়। NEET প্রশ্নপত্র ফাঁসে দেশব্যাপী যে আন্দোলন-বিক্ষোভ দেখা দেয়, তার নেপথ্যে ছিল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ই।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *