House Collapse: ভোররাতে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল তিনতলা বাড়ি, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পরিবারের সদস্যদের


সোমনাথ মিত্র, পশ্চিম মেদিনীপুর: ভোররাতে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল তিনতলা মাটির বাড়ি। বাড়ির ভিতরেই চাপা পড়ে যান পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য। যদিও স্থানীয় বাসিন্দাদের তৎপরতায় কোনও ক্ষতি হওয়ার আগেই তাঁদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে, বাড়ি ভেঙে চাপা পড়েছে একাধিক প্রয়োজনীয় নথি থেকে শুরু করে সমস্ত আসবাবপত্র। ঘটনাকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা ২ নম্বর ব্লক অঞ্চলে।               

আরও পড়ুন: সরকারি প্রকল্পের ভিডিও বানালেই মিলবে ১ লক্ষ টাকা! কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য বড় ঘোষণা বিহারে

ঘটনাটি চন্দ্রকোনা ২ নম্বর ব্লকের ভগবন্তপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের মুড়াকাটা গ্রামের। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রামের বাসিন্দা সেরাজুল খান পেশায় কৃষক ও দিনমজুর। চার সন্তান ও পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ওই বৃহৎ মাটির বাড়িতেই বসবাস করতেন তিনি।                

 

পরিবারের সদস্যদের দাবি, শুক্রবার ভোরে আচমকাই বিকট শব্দে বাড়ির একটি বড় অংশ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। সেই সময় বাড়ির ভিতরে থাকা পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য ধ্বংসস্তূপের মধ্যে চাপা পড়েন। শব্দ শুনে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। এরপর স্থানীয় মানুষের সহযোগিতায় তাঁদের দ্রুত ওই ধ্বংস্তূপের নীচে থেকে বের করে নিয়ে আসা হয়। ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত না হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে পরিবারে।                 

আরও পড়ুন: অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩ হাজার টাকা ঢুকতেই হনুমান মন্দিরে পুজো, প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর সুস্থতা কামনায় মহিলারা

তবে বাড়ি ভেঙে পড়ায় বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘরের মধ্যে থাকা আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অন্যান্য সামগ্রী ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে। কেন আচমকা বাড়িটি ভেঙে পড়ল, তা এখনও স্পষ্ট নয় পরিবারের সদস্যদের কাছে।                 

এদিকে, ভেঙে পড়া বাড়ির কিছু অংশ এখনও বিপজ্জনকভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে। ফলে নতুন করে দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কিত প্রতিবেশীরা। পরিবারের দাবি, প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি পরিদর্শন করুক এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনীয় সাহায্যের ব্যবস্থা করুক।               



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *