কলকাতা: গড়িয়াহাট মার্কেটে যৌথ অভিযান চালাল খাদ্য় সুরক্ষা দফতর ও এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ। সকাল থেকেই বিভিন্ন মাছ-মাংসের দোকানে যান
আধিকারিকরা। এর মধ্য়েই একটি মাংসের দোকান থেকে উদ্ধার হল কিলো কিলো ফ্রোজেন মিট। অভিযোগ, মজুত করে রাখা মাংসের গায়ে ডেট ট্য়াগিং ছিল না। যে কারণে প্রচুর পরিমাণ মাংস পুরসভার ময়লার গাড়িতে ফেলে দেওয়া হয়। এমনকী সেখান থেকে ফের যাতে কেউ মাংস ব্য়বহার করতে না পারে, তাই ঢালা হল ফিনাইল। পাশাপাশি বাজার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে বিভিন্ন মাছের স্য়াম্পেল।
গড়িয়াহাট মার্কেটে যৌথ অভিযান
দিকে দিকে যেন পচা খাবারের রাজত্ব। কোথাও দিনের পর দিন মাংস মজুত রাখতে রাখতে তাঁর গায়ে সাদা সাদা ছোপ পড়ে গেছে। আবার কোনও দোকানে দেখা যাচ্ছে পনিরের মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে পোকা। আবার কোথাও ট্রেড লাইসেন্স নেই। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। ১৯৯ নম্বর বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট মিষ্টির দোকানে ঘোষ সুইটসে পনিরে পোকা। গড়িয়াহাট মার্কেটে যৌথ অভিযান চালাল খাদ্য় সুরক্ষা দফতর ও এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ।
এবিপি আনন্দ: আপনার এটায় রং পাওয়া গেছে, কোত্থেকে আনান আপনারা এটা,কীভাবে করেন?
মশলা ব্যবসায়ী: লঙ্কা যে চাকিতে পেশাই, লঙ্কার যে কালারটা সেটা ওর মধ্যে থাকে…
এবিপি আনন্দ: বলছেন আর্টিফিশিয়াল কালারের কথা?
মশলা ব্যবসায়ী: না না, আমাদের থাকে না। মেশিনে যাঁরা পেশায় তাঁদের যদি মেশিনে উনিশ-বিশ হয়ে আসে সেখান থেকে।)
এবিপি আনন্দ: বড়িতে কালার দিচ্ছেন?
দোকান মালিক: আমরা তো কিনে বিক্রি করি।
সকাল থেকেই বিভিন্ন মাছ-মাংসের দোকানে যান আধিকারিকরা। এর মধ্য়েই একটি মাংসের দোকান থেকে উদ্ধার হল কিলো কিলো ফ্রোজেন মিট। অভিযোগ, মজুত করে রাখা মাংসের গায়ে ডেট ট্য়াগিং ছিল না। যে কারণে প্রচুর পরিমাণ মাংস পুরসভার ময়লার গাড়িতে ফেলে দেওয়া হয়। এমনকী সেখান থেকে ফের যাতে কেউ মাংস ব্য়বহার করতে না পারে, তাই ঢালা হল ফিনাইল। পাশাপাশি বাজার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে বিভিন্ন মাছের স্য়াম্পেল।খাস কলকাতার পাশাপাশি অন্যান্য জেলাগুলোতেও সামনে এল খাবারের ব্যবসায় বেনিয়মের ছবি।বনগাঁর কুন্দিপুরে আইসক্রিমের ডিস্ট্রিবিউটরের ঘরে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালান খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা।
ED Raid News: সংস্থার অ্যাকাউন্ট কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন জায়গায় সন্দেহজনক লেনদেন, দাবি ED-র
