Kolkata: নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রাগাছি যাওয়ার পথে আচমকাই খালে উল্টে পড়ল গাড়ি


রঞ্জিত সাউ, নিউটাউন: জগৎপুরের(Jagatpur) দিক থেকে যাত্রাগাছি (Jatragachi) যাওয়ার পথে উল্টে গেল গাড়ি (Car Accident)। যাত্রাগাছি স্কুলের কাছে গাড়িটি উল্টে বাগজোলা খালপাড়ে পরে যায়। স্থানীয় সূত্রে খবর, জগৎপুরের দিক থেকে যাত্রাগাছি যাওয়ার পথে সেই গাড়িটি যাচ্ছিল। হঠাৎ করেই গাড়িটি রাস্তার ধারে থাকা ডিভাইডারে ধাক্কা মেরে সোজা খালে গিয়ে পড়ে যায়। স্থানীয় লোকেদের তৎপরতায় গাড়িতে থাকা একটি লোক, একজন মহিলা সহ এক বাচ্চাকে উদ্ধার করে। যতদূর সম্ভবত গাড়িতে স্বামী-স্ত্রী ও তাদের বাচ্চাই ছিলেন। গাড়িটি জগৎপুর দিক থেকে যাত্রাগাছির দিকে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে ডিভাইডারে ধাক্কা মারতে মারতে সোজা গিয়ে বাগজোলা খালে উল্টে যায়, এমনটাই অনুমান করছেন সবাই। যদিও গাড়িতে থাকা স্বামী স্ত্রী ও বাচ্চার সেরকম কিছু ক্ষতি হয়নি। জানা গিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা বিকট শব্দ শুনে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং উদ্ধারকাজে হাত লাগান।

গত সপ্তাহে রাখী পূর্ণিমার দিনে একটি ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনার খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। যা এবিপি লাইভেও প্রকাশিত হয়েছিল। বারুইপুরে এক ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ২ যুবক। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছিল যে বারুইপুর থেকে ফেরার পথে মর্মান্তিক এই পথ দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চৌহাটি সংলগ্ন এলাকায় একটি স্কুলের সামনে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা মারে একটি গাড়ি। এরপরই ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দুজনের। আর রাখি পূর্ণিমার দিন এই দুর্ঘটনা এক বোনের থেকে তার ভাইকে কেড়ে নিয়েছিল। ময়নাতদন্তে নিয়ে যাওয়ার আগে দাদা সাগ্নিক সেনের হাতে শেষবার রাখি পরিয়ে দিলেন বোন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য দেহ নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সময় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সাক্ষী ছিলেন সেই এলাকায় উপস্থিত প্রত্যেকেই। দাদার নিথর দেহের সামনে নিজেকে সামলে রাখতে পারেননি বোন। দাদাকে শেষবারের মতো রাখি পরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। ভাইয়ের নিথর দেহের হাতে রাখি পরাতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

যাত্রী সুরক্ষা ও সেফটির জন্য় বারবার সরকার, প্রশাসনের তরফে অনেক বার্তা দেওয়া হয়। রাস্তায় হেলমেট পরে বেরনো থেকে শুরু করে নিয়ন্ত্রিত স্পিডে গাড়ি চালানো সব কিছু নিয়েই বার্তা দেওয়া হয়েছে বারবার। কিন্তু এরপরও বেপরোয়া গাড়ি চালানোর খেসারত দিতে হয়েছে প্রচুর মানুষকে প্রতিনিয়ত। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *