গোসাবা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: নদী বাঁধের একটা বড় অংশ ধসে ডুবে গেল নদীতে। আর দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা ব্লকে নদী বাঁধ ভাঙায় ছড়াল আতঙ্ক। শনিবার ভোরে সাতজেলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের দয়াপুর এলাকায় গোমর নদীর বাঁধের প্রায় ৭০ ফুট অংশ ধসে যায়। আচমকা বাঁধের বড় একটি অংশ নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়।
আরও পড়ুন: গতকাল একধাক্কায় কমার পর আজ কিছুটা বাড়ল সোনার দাম, রুপো বেড়েছে সাড়ে ৩ হাজারের বেশি!
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সকাল পাঁচটা নাগাদ আচমকা বাঁধ ধসে পড়ার শব্দ শুনতে পান নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। শব্দ শুনে ঘর থেকে বেরিয়ে এসে তাঁরা দেখতে পান, বাঁধের বিস্তীর্ণ অংশ বসে গিয়েছে। ফলে ভরা কোটালের সময় নদীর জল বাঁধ টপকে বা ধসে যাওয়া অংশ দিয়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়।
ঘটনার খবর দ্রুত সেচ দফতরে জানানো হয়। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে প্রশাসনের প্রতিনিধিরাও তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছন। এরপর স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় শুরু হয় বাঁধ মেরামতির কাজ। আপৎকালীন পরিস্থিতিতে বাঁশ এবং বালিভর্তি বস্তা ব্যবহার করে ধসে যাওয়া অংশ সামলানোর চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন: ভারতে এলেন জিনপিং, ‘মতপার্থক্য’ মিটিয়ে এগোনোর বার্তা চিনের, কী নিয়ে হবে আলোচনা?
নদীর জলস্তর বাড়লে বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ আরও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। তাই মেরামতির পাশাপাশি পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন প্রশাসন ও স্থানীয়রা। নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের মধ্যেও সতর্কতা জারি রয়েছে।
সুন্দরবনের এই এলাকায় নদীবাঁধের উপরেই বহু মানুষের বসতি ও জীবন-জীবিকা নির্ভরশীল। ফলে বাঁধে ধস নামলেই স্থানীয়দের মধ্যে প্লাবনের আশঙ্কা তৈরি হয়। দয়াপুরের সাম্প্রতিক ঘটনায় ফের সামনে এসেছে সেই ঝুঁকি। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শুধু অস্থায়ীভাবে বাঁধ মেরামত করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। নদীর প্রবল স্রোত ও কোটালের চাপ মোকাবিলায় এলাকায় শক্তপোক্ত ও স্থায়ী নদীবাঁধ নির্মাণ করা প্রয়োজন। ঘটনার পর সেই দাবিই আরও জোরালো হয়েছে।
CM Suvendu Adhikari | “বিসর্জনের দিন বদলে দেওয়া হয়েছিল…”, মমতাকে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর
