কলকাতা: রাজ্যে ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস। বজ্রবিদ্যুৎ সহ দুর্যোগের সম্ভাবনা রয়েছে গোটা দক্ষিণবঙ্গে। মূলত হালকা থেকে মাঝারি বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে।অপরদিকে, আইএমডি সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গে ভারী বর্ষণের হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাবার পূর্বাভাস রয়েছে।
আরও পড়ুন, জোড়াফুল প্রতীক পেলেই, NCPI সাংসদদের দলে ফেরার অনুরোধ করবেন বলে জানালেন মদন মিত্র, পাল্টা দেবজিৎ
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণ ছত্তিশগড় ও সংলগ্ন অঞ্চলের উপর অবস্থানরত নিম্নচাপটি, একই স্থানের উপর অবস্থান করছে। এর সঙ্গে যুক্ত ঘূর্ণাবর্তটি, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে গড়ে ৭.৬ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত। এবং উচ্চতার সঙ্গে দক্ষিণ পশ্চিম দিকে হেলে রয়েছে। আজ দক্ষিণ ছত্তিশগড় ও বিদর্ভের উপর দিয়ে, পশ্চিম উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠে গড় অবস্থায় মৌসুমী অক্ষরেখাটি জয়সলমীর , রাজগড়, বৈতুল, দক্ষিণ ছত্তিশগড়, ও সংলগ্ন অঞ্চলের উপর অবস্থানরত, নিম্নচাপের কেন্দ্র গোপালপুর হয়ে, সেখান থেকে পূর্ব দক্ষিণপূর্ব দিকে পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত, বিস্তৃত রয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে গড়ে, ১.৫ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিসতৃত।
আইএমডি সূত্রে খবর, দক্ষিণবঙ্গের হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশপাশি কিছু জেলায় হলুদ সতর্কতা রয়েছে। ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বেশ কিছু জেলায়। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বর্ষণের আশঙ্কা থাকছে বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। অপরদিকে, উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। হলুদ সতর্কতা থাকছে আজ সারাদিনই। এই হলুদ সতর্কতা উত্তরবঙ্গে আগামীকালও থাকছে। উপরেরদিকের জেলাগুলিতেই মূলত প্রবল বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। ৩০ থেকে ৪০ কিমি গতিবেগে প্রতি ঘণ্টায় বয়ে যেতে পারে ঝোড়ো হাওয়া বলে জানাতে পারে, আবহাওয়া দফতর।
হাওয়া অফিস সতর্কতা জারি করে বলেছে, বজ্রবিদ্যুৎ এর সময়, যেনও কোনওভাবেই খোলা মাঠে বা বিদ্যুৎ এর খুঁটির তলায় বা জলাশয়ের সংস্পর্শে না আসে। ঝড় বা বৃষ্টির সময় যাতে কোনওভাবেই খোলা জায়গায় কেউ ঘোরাঘুরি না করে, তাতে খারাপ আবহাওয়া থাকলে, আঘাত পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে। অপরদিকে, টানা বৃষ্টিতে অনেক জায়গাতেই জল জমেছে। কীট পতঙ্গ, সাপের আতঙ্ক তো আছেই, সেই সঙ্গে ডেঙ্গির সংক্রমণও বেড়েছে।পাশাপাশি বিশেষ করে শহরাঞ্চলে, জলমগ্ন এলাকায় তড়িতাহিত হওয়া-সহ কোনও অঘটন যাতে পুনরায় না ঘটে, সেই বিষয়েও খেয়াল রাখছে প্রশাসন।
ECI on TMC: ‘জোড়াফুল’ কার? শুনানির পর কালীঘাট তৃণমূল-এর কাছে নথি চাইল কমিশন
