বাপন সাঁতরা, হুগলি: বিজেপির প্রচার মিছিল ঘিরে উত্তপ্ত গোঘাটের বর্মা। তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে দুপক্ষের বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। বেশ কয়েকটি গাড়ি ও বাইক ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। একে-অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলছে বিজেপি-তৃণমূল দুপক্ষই। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে লাঠিপেটা করতে হয়। সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজন আটক, গোঘাটের OC-কে সরাতে হবে, দাবি বিজেপির
আরও পড়ুন, টোস্ট দিয়েই সকাল শুরু সোমেন পুত্রের, কী কী খেতে পছন্দ করেন বালিগঞ্জ কংগ্রেস প্রার্থী রোহন মিত্র ?
দ্বিতীয় দফার আগে ধুন্ধুমার গোঘাটে, বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মারধরের অভিযোগ
বিজেপির অভিযোগ, তাদের প্রচার মিছিলে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল। বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। যদিও এদিন বর্মা এলাকায় বিজেপি প্রার্থী প্রশান্ত দিগার প্রচার মিছিল করেন। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপির মিছিল থেকে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে কটূক্তি, গালিগালাজ করা হয়। প্রচারের গাড়িতে রড, লাঠি সহ অস্ত্র বোঝাই করে এনেছিল বিজেপি বলে অভিযোগ। তাঁদের লাঠি, রড নিয়ে তেড়ে এসে মারধর করে।ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। বিজেপি এনিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাবে বলে দাবি করেছে। বিজেপি প্রার্থী এই ঘটনায় গোঘাট থানার ওসিকে অপসারণের দাবি তুলেছেন। তবে ঘটনার পর এখনও পরিস্থিতি থমথমে রয়েছে।
ঠিক কী হয়েছিল ?
গোঘাটের বিজেপি প্রার্থী প্রশান্ত দিগরের দাবি, তৃণমূল নেতার নেতৃত্বে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। পরিকল্পনা মাফিক আগে থেকেই এখানে বোমা সহ- অন্যান্য অস্ত্র মজুত রেখেছিল। হামলাকারীদের মধ্যে ৩০ থেকে ৪০ জন মহিলা এবং ৭০ থেকে ৮০ জন পুরুষ উপস্থিত ছিল বলে অভিযোগ। একেবারে অতর্কিত…নির্মমভাবে হামলা চালানো হয়েছে। এরই সঙ্গে সঙ্গে ১৫ থেকে ২০ টি বাইক ভেঙে গুড়ো গুড়ো করে দিয়েছে।একজন আক্রান্তের অভিযোগ, ওরা প্রচারের গাড়িতেই অস্ত্র নিয়ে আসছিল। প্রতিটা প্রচারের গাড়িতেই লোহার রড, বাঁশ, বোম ছিল বলে অভিযোগ। এবং তা দিয়ে হামলাও করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তাঁর দাবি, এটা মুসলিম গ্রাম, ওরা আমাদেরকে শায়েস্তা করার জন্য এই হামলা চালিয়েছে।
দ্বিতীয় দফার আগে জেলায় জেলায় অশান্তি
এদিকে পরশু দিনই রাজ্য বিধানসভার দ্বিতীয় দফায় ভোট। তার আগেই জেলায় জেলায় অশান্তির খবর উঠে আসছে। প্রতিটি ঘটনাতেই কড়া পদক্ষেপ রাখছে নির্বাচন কমিশন।
