কলকাতা: মেটিয়া, সপ্তগ্রাম, বীজপুর ১০ রাউন্ডে হয়ে যাবে। ৫৩৩ কাউন্টিং অবজার্ভার থাকবেন। তার মধ্যে ২৯৩ কাউন্টিং অবজার্ভার আছেন। ১৬৩ জন অ্য়াডিশনাল কাউন্টিং অবজার্ভার ও ৭৭ জন পুলিশ অবজার্ভার। প্রতি হলে একজন কাউন্টিং অবজার্ভার থাকবেন। রাত পোহালেই ভোট গণনা। কাল রাজ্যের ২৯৩ কেন্দ্রে ভোট গণনা। ২৯৩ কেন্দ্রের জন্য অতিরিক্ত ৪৩২ জন কাউন্টিং অবজার্ভার নিয়োগ করা হয়েছে। সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়ে দিলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল।
এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কোন কোন কেন্দ্রে কতজন করে কাউন্টিং অবজার্ভার রাখা হচ্ছে-
আলিপুরদুয়ার: ৫ কেন্দ্রের দায়িত্বে ৬ জন কাউন্টিং অবজার্ভার
মাদারিহাটের জন্য অতিরিক্ত ১ জন কাউন্টিং অবজার্ভার
বাঁকুড়া: ১২ কেন্দ্রের দায়িত্বে ১৫ জন কাউন্টিং অবজার্ভার
বীরভূম: ১১ কেন্দ্রের দায়িত্বে ১২ জন কাউন্টিং অবজার্ভার
বীরভূমের হাসনের জন্য অতিরিক্ত ১ জন কাউন্টিং অবজার্ভার
কোচবিহার: ৯ কেন্দ্রের দায়িত্বে ১১ জন কাউন্টিং অবজার্ভার
মেখলিগঞ্জ ও সিতাইয়ের জন্য ১ জন করে কাউন্টিং অবজার্ভার
দক্ষিণ দিনাজপুর: ৬ কেন্দ্রের দায়িত্বে ৭ জন কাউন্টিং অবজার্ভার
হুগলি: ১৮ কেন্দ্রের দায়িত্বে ২৪ জন কাউন্টিং অবজার্ভার
বলাগড়, পাণ্ডুয়া, সপ্তগ্রাম, ধনেখালি, খানাকুলের জন্য অতিরিক্ত কাউন্টিং অবজার্ভার
হাওড়া: ১৬ কেন্দ্রের দায়িত্বে ২৫ জন কাউন্টিং অবজার্ভার
বালি, হাওড়া দক্ষিণ, সাঁকরাইল, পাঁচলার জন্য অতিরিক্ত কাউন্টিং অবজার্ভার
উলুবেড়িয়া পূর্ব, শ্যামপুর, উদয়নারায়ণপুর, জগৎবল্লভপুর, ডোমজুড়ের জন্যও অতিরিক্ত কাউন্টিং অবজার্ভার
কলকাতা উত্তর: ৭ কেন্দ্রের জন্য ৭ পর্যবেক্ষক
কলকাতা দক্ষিণ: ৪ কেন্দ্রের জন্য ৫ পর্যবেক্ষক
বালিগঞ্জের জন্য অতিরিক্ত কাউন্টিং অবজার্ভার
দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ফলতা বাদে ৩০ কেন্দ্রের জন্য ৪৫ জন কাউন্টিং অবজার্ভার
বাসন্তী, কুলতলি, কাকদ্বীপ, সাগর, জয়নগরের জন্য অতিরিক্ত কাউন্টিং অবজার্ভার
ভাঙড়, বারুইপুর পশ্চিম, সাতগাছিয়া, সোনারপুর দক্ষিণে অতিরিক্ত কাউন্টিং অবজার্ভার
সোনারপুর উত্তর, টালিগঞ্জ, মহেশতলা, বজবজ ও মেটিয়াব্রুজে অতিরিক্ত কাউন্টিং অবজার্ভার
দেড় মাসের যুদ্ধ শেষ হতে বাকি আর কয়েকঘণ্টা। তারপরই বোঝা যাবে কী ছিল গণদেবতার মনে? পরিবর্তন নাকি প্রত্য়াবর্তন? তার আগে শেষ মুহূর্তেও টানটান স্নায়ুযুদ্ধ। জীবন-মরণ লড়াই। তৃণমূল নেত্রী ইতিমধ্যেই বলে দিয়েছেন যে গণনাকেন্দ্রে ১০ সেকেন্ডও যেন লোডশেডিং না হয় দেখবেন। ১০ সেকেন্ডে ৫০টা মেশিন পাল্টে দিতে পারে। যদি কোথাও লোডশেডিং হয়, দলীয় নেতৃত্বকে জানাবেন। যদিও পাল্টা খোঁচা দিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেছেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী শুধুমাত্র ভবানীপুরে যেন লোডশেডিং না হয় সেদিকটা যেন খেয়াল রাখেন। যতই আলো জ্বলে উঠুক, মুখ্যমন্ত্রী ভবানীপুরে জিততে পারবেন না।’
