Ayush Singh AI Success Story : দুঃসময়ে ভরসা ল্যাপটপ আর ইন্টারনেট ! AI শিখে ১৯ বছরে মাসে ১ কোটি রোজগার, তাক লাগাবে আয়ুষের সাফল্য-কাহিনি


মাত্র কয়েক বছর আগে তাঁর কাছে ছিল শুধু একটি ল্যাপটপ, একটি ইন্টারনেট সংযোগ এবং শেখার প্রবল ইচ্ছা। আজ সেই তরুণকে ঘিরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে তুমুল আলোচনা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি প্রতিবেদনে দাবি,  মাত্র ১৯ বছর বয়সে AI-এর সাহায্যে প্রতি মাসে প্রায় ১ কোটি টাকা আয় করছেন ভারতীয় তরুণ আয়ুষ সিং।

সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হল,  তিনি কোনও আইআইটি, আইআইএম বা বিদেশের নামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেননি। বরং নিজের চেষ্টাতেই তৈরি করেছেন AI-ভিত্তিক কেরিয়ার। তাও মাত্র ১৯ বছর বয়সে, যখন সকলে স্কুলের গণ্ডি শেষ করে। এই গল্পটি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক্কেবারে ভাইরাল। এতটুকু বয়সে এমন পাহাড়ছোঁয়া সাফল্যের মন্ত্র জানতে চাইছেন অনেকেই। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, তাঁর আয়, MIT-এর প্রশংসা এবং অন্যান্য সাফল্য সংক্রান্ত একাধিক দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

১৩ বছরেই শুরু হয়েছিল AI-এর সঙ্গে পরিচয়

আয়ুষ সিংকে নিয়ে ভাইরাল হওয়া গল্পটি প্রথম প্রকাশ্যে আসে Topmate-এর প্রতিষ্ঠাতা ও CTO দীনেশ সিংয়ের একটি LinkedIn পোস্টে।  সেখানে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ মহামারীর সময়, যখন আয়ুষের বয়স মাত্র ১৩ বছর, তখন তাঁর পরিবার আর্থিক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই তিনি অনলাইন কোর্স দেখে Machine Learning এবং Artificial Intelligence শেখা শুরু করেন। কোনও কোচিং নয়, কোনও বড় প্রতিষ্ঠানের ডিগ্রি নয়—নিয়মিত অনুশীলনই ছিল তাঁর মূল শক্তি।

১৪ বছরেই বিদেশি স্টার্টআপে কাজের সুযোগ?

ভাইরাল পোস্টে আরও দাবি করা হয়েছে, AI শেখার কিছুদিনের মধ্যেই আয়ুষ বিদেশি স্টার্টআপগুলির সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পান। এমনও দাবি করা হয়েছে যে, ১৪ বছর বয়সে তাঁর একটি কাজের প্রশংসা করেছিল Massachusetts Institute of Technology (MIT)। যদিও এই দাবির কোনও সত্যতা যাচাই এখনও সামনে আসেনি। পরে তিনি Natural Language Processing (NLP), Machine Learning এবং MLOps নিয়ে একাধিক আন্তর্জাতিক প্রকল্পে কাজ করেছেন বলেও পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিজের স্টার্টআপও তৈরি করেছেন

অভিজ্ঞতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আয়ুষ শুধু নিজেকে অন্যদের হয়ে প্রজেক্টে কাজ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখেননি। ভাইরাল স্টোরিতে দাবি,  তিনি শিক্ষার্থীদের জন্য “Entern” নামে একটি প্ল্যাটফর্ম শুরু করেন। পাশাপাশি “Second Brain Lab” নামে একটি AI কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতাও তিনি।তাঁর লক্ষ্য ছিল AI শেখাকে আরও সহজ করা এবং তরুণদের বাস্তব কাজের সুযোগ করে দেওয়া।

সত্যিই কি মাসে ১ কোটি টাকা আয়?

সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে এই দাবিকে ঘিরেই। LinkedIn পোস্টে বলা হয়েছে, বিভিন্ন AI প্রোগ্রাম, প্রশিক্ষণ, কনসাল্টিং এবং স্টার্টআপের মাধ্যমে আয়ুষ বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় ১ কোটি টাকা আয় করছেন।  এছাড়া দাবি করা হয়েছে, তাঁর AI প্রোগ্রামে হাজার হাজার শিক্ষার্থী যোগ দিয়েছেন এবং অনেকেই চাকরিও পেয়েছেন।  

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এই সাকসেস-স্টোরির দাবিগুলি সম্পূর্ণ সত্য কি না, তা যাচাই করে দেখেনি এবিপি লাইভ। তবে আয়ুষ সিংকে ঘিরে ভাইরাল হওয়া এই গল্পটি একটি বিষয় স্পষ্ট করে—বর্তমান সময়ে Artificial Intelligence শুধু চাকরির নতুন ক্ষেত্রই নয়, উদ্যোক্তা হওয়ারও বড় সুযোগ তৈরি করছে।   



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *