Bangladesh Blast News : ঢাকায় ভরা সভায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ, আর্ত চিৎকার, রক্তারক্তি, ভয়াবহ ঘটনা


ঢাকা : বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কাছে রাজনৈতিক সভায় বিস্ফোরণ । সাভারে নবগঠিত ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা NCP-র কর্মসূচি চলাকালীন একটি ককটেল বা দেশীয় বোমা বিস্ফোরণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন বলে সর্বশেষ রিপোর্টে জানা গিয়েছে। তাঁদের মধ্যে তিনজনের অস্ত্রোপচার করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার, ৬ জুলাই রাতে। স্থানীয় সময় রাত প্রায় ৯টা ৪৫ মিনিট নাগাদ সাভার থানা স্ট্যান্ড সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে NCP-র সভা চলছিল। সেই সময় আচমকা বিস্ফোরণের শব্দে গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

মঞ্চে ছিলেন NCP-র শীর্ষ নেতারা

রিপোর্ট অনুযায়ী, বিস্ফোরণের সময় সভার মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন NCP-র আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং দলের উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম-সহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা। ঢাকা জেলা NCP-র আহ্বায়ক নাবিলা তাসনিদ যখন বক্তব্য রাখছিলেন, সেই সময় বিস্ফোরণটি ঘটে বলে স্থানীয় রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। বিস্ফোরণের তীব্র শব্দে সভাস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই নিরাপদ জায়গায় সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

আহত অন্তত ৪, তিনজনের অস্ত্রোপচার

প্রাথমিক রিপোর্টে তিনজন আহত হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মোট চারজনকে চিকিৎসার জন্য এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বাংলাদেশের স্থানীয় কিছু সংবাদমাধ্যমে দাবি, আহতর সংখ্যা আরও বেশি। আহত হয়েছেন ২ জন সংবাদকর্মীও। আরও বড় বিপদ হতে পারত বলে আশঙ্কাপ্রকাশ করেছেন NCP-র নেতানেত্রীরা। কারও কারও দাবি, ওই বিস্ফোরণের সময় ইচ্ছাকৃত ভাবে পুরো এলাকার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা হয়। তারপরই ফাটে ককটেল বোমা। 

আহতদের মধ্যে তিনজনকে অস্ত্রোপচারের জন্য অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়। আহতদের একজনের পায়ে গুরুতর ক্ষত হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর সভাস্থলে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়।

কেন আয়োজন করা হয়েছিল এই কর্মসূচি?

NCP-র তরফে ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’ নামক কর্মসূচির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।  সাভারে এই মিছিল ও সভার আয়োজন করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশে শুরু হওয়া  আন্দোলনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের সেই আন্দোলন প্রথমে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিকে কেন্দ্র করে শুরু হলেও পরে তা ব্যাপক সরকারবিরোধী আন্দোলনে পরিণত হয়। পরবর্তী সময়ে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন।  ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত একাধিক নেতা পরে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা NCP গঠন করেন।

বিস্ফোরণ ঘিরে তদন্ত

বিস্ফোরণটি কীভাবে ঘটল এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।  নেপথ্যে কারা ছিল, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।  ঘটনার সময় সভাস্থলে শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত থাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *