এস্তাদিও মন্টিরেরি: ইতিহাস গড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল দল (South Africa Football Team)। প্রথমবার বিশ্বকাপ ফুটবলের নক আউটে জায়গা করে নিয়েছে প্রোটিয়া শিবির। দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের সঙ্গে সঙ্গে রাউন্ড অব ৩২-তে জায়গা করে নিয়েছে ‘বাফানা বাফানা’। হ্যাঁ, এই নামেই পরিচিত দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবল দল। শেষবার ২০১০ সালে বিশ্বকাপের মঞ্চে খেলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেবার আয়োজক দেশ হিসেবে খেলেছিল প্রোটিয়া শিবির। আর ১৬ বছর পর ফের বিশ্বকাপের মঞ্চে খেলতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল দল প্রথমবার নক আউটে। কোরিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ছেলেদের পারফরম্য়ান্সে বিরাট খুশি কোচ হুগো ব্রুস। তার থেকেই তিনি খুশি ছেলেরা অনেক বড় বড় সমালোচকদের জবাব দিতে পেরেছে। তিনি নিজেই বলছেন, ‘বড় বড় কথা বলা অনেকের মুখ বন্ধ করিয়ে দিয়েছি।’
এবারের টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্য়াচে মেক্সিকোর বিরুদ্ধে হারতে হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকাকে। সেই ম্যাচে ২-০ ব্যবধানে হেরে গিয়েছিল বাফানারা। নিজেদের দ্বিতীয় ম্য়াচে চেক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে ড্র করেছিল। আর দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে ১-০ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিয়ে নক আউটে পৌঁছে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। ব্রুস বলছেন, ‘আমার দলের ছেলেদের পারফরম্যান্স নিয়ে আমি খুব গর্বিত। আমি মনে করি গত কয়েক সপ্তাহে যারা ভেবেছিল আমাদের কিছু পরিবর্তন করা উচিত, সেই বড় বড় কথা বলা লোকদের আমরা জবাব দিয়েছি।’
২০২১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন হুগো। ৭৪ বছরের বর্ষীয়াণ কোচ বলছেন, ‘আমি আগেও বলেছি যে এটা হয়ত কোচিং কেরিয়ারেও আমার শেষের অধ্যায় চলছে। আমি নিজেও চাইব যে এমন কিছু ইতিহাসের সাক্ষী থেকেই কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়াতে। ছেলেরা সেই পথে আমাকে গর্বিত করেছে। আমি ওদের কোচ হিসেবে নয়, ওদের বন্ধু হিসেবে থাকতে চাই সবসময়।’
আগামী রবিবার ২৯ জুন দক্ষিণ আফ্রিকা রাউন্ড অফ ৩২-তে কানাডার বিরুদ্ধে খেলতে নামবে। সেই ম্য়াচে জিতলে পরের রাউন্ডে। ব্রুস বলছেন, ‘আমি জানি ছেলেরা কানাডার বিরুদ্ধেও নিজেদের সেরাটাই দেবে। ওরা তৃতীয় রাউন্ডে ওঠার চেষ্টা করবে। আর সেটিও আমাদের জন্য ঐতিহাসিক একটা মুহূর্ত হবে। ছেলেরা সবাইকে প্রমাণ করতে মরিয়া যে এই দলটা যে কোনও বিশ্বমানের দলকে টেক্কা দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।’
FIFA World Cup 2026: মহাকাশে বিশ্বকাপের ফুটবল! ‘Trionda’ নিয়ে গবেষণা করছে NASA?
