কলকাতা: ভালবাসার মাসে, ‘চুমু’-র গান! ভ্যালেন্টাইন্স ডে (Valentine’s Day)-র পরেই রাজনীতি নয়, আদ্যপান্ত ভালবাসার বার্তা দিয়েছিল ‘হুলিগানইজম’ (HooliGaanIsm)। নতুন গান, ‘এক মিনিটের চুমু’-র ভিউ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ইউটিউবে। সদ্য মুক্তি পেলেও এই গানের শ্যুটিং অবশ্য হয়েছে বেশ অনেকদিন আগেই। মিউজিক ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, অনুজয় চট্টোপাধ্যায় ও সুচরিতা মান্নাকে। আর যাঁর গলায় এসেছে ‘এক মিনিটের চুমু’-র বার্তা, তিনি দেবরাজ ভট্টাচার্য (Debraj Bhattacharya)।
‘হুলিগানইজম’-এ এবার ভালবাসার গান, কতটা প্রশংসা পেলেন দেবরাজ? অভিনেতা সঙ্গীতশিল্পী বলছেন, ‘এখনও তো খুবই ইতিবাচক কথা শুনছি। তবে সোশ্যাল মিডিয়া দেখে তো সবটা বোঝা যায় না। গানটা ঠিক কতটা প্রভাব ফেলতে পারল, সেটা সময় বলবে। তবে বলতে পারি, শুরুটা ভাল হয়েছে।’ ভালবাসার মাস বলেই কী ‘হুলিগানইজম’-এর উপহার ‘চুমু’? দেবরাজ বলছেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা ছিল ভ্যালেন্টাইন্স ডে-তেই গানটা মুক্তি পাবে। কিন্তু সেটা না হলেও, ফেব্রুয়ারি মাসেই গানটা এসেছে। এরপরে নির্বাচনের আগেও আরেকটা গান আসবে।’
নির্বাচনের আগে গান মানে কি ‘হুলিগানইজম’-এর জনপ্রিয় রাজনৈতিক প্যারোডি? দেবরাজ হেসে বললেন, ‘হুলিগানইজমের তরফ থেকে যে গানগুলি মুক্তি পেয়েছে বা আগামী দিনেও পাবে, তাতে একেবারে সরাসরি, নাম নিয়ে রাজনীতির কথা থাকবে না। তবে গানগুলি সম্পূর্ণ রাজনীতি বর্জিত হবে এমনটাও নয়। প্রেমও কী সম্পূর্ণ রাজনীতি বর্জিত? আমরা কখনও মানুষের মনে এই ধারণা তৈরি করে দিতে চাই না যে, ‘হুলিগানইজম’ মানেই রাজনৈতিক গান। ৩ ঘোষ-কে নিয়ে আমাদের যে গানটি ভাইরাল হয়েছিল, সেই গানটা আমরা কখনও মিউজিক অ্যালবামের মধ্যে বের করব না। ওটা শুধুমাত্র স্টেজ শো-এর জন্যই তোলা থাকবে। তবে ‘হুলিগানইজম’ যে ফ্লুকে মাত্র একটাই রাজনীতির গান গেয়ে ফেলেছে, এমনটা নয়। যখনই মানুষের ‘বদলাবে গতিপথ’ বা ‘এক মিনিটের চুমু’ শুনে মনে হবে, আমরা বোধহয় রাজনীতির কথা বলা থেকে সরে গেলাম, তখনই আমরা এমন একটা গান নিয়ে আসব যেটা আদ্যপান্ত রাজনৈতিক।’
দলের অন্যতম সদস্য অনির্বাণ ভট্টাচার্যের নামের সঙ্গে জুড়েছে অলিখিত ‘ব্যান’, ‘হুলিগানইজম’-এর শো বাতিল হওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। এই সমস্ত ঘটনা কী ‘হুলিগানইজম’-এর কাজে বাধা সৃষ্টি করে? দেবরাজ বলছেন, ‘অনেক ভাবনাচিন্তা করে এখন কাজ করতে হয়। যবে থেকে ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছি, কখনও শুনিনি কোনও শিল্পীকে এইভাবে ব্যান করা যায়। আমাদের গানের শ্যুটিং নিয়ে এর আগেও সমস্যার মুখে পড়েছি। অনির্বাণ আবার ছন্দে ফিরুক, সেটা আমরা সবাই চাই। ওঁর হয়ে ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই কথা বলেছেন। আসলে কাজের পরিবেশে এতরকমের অযাচিত সমস্যা আসে.. তার মধ্যে হুলিগানইজম আমাদের ভাল থাকার ঠিকানা হয়ে উঠেছে। আমরা নিজেদের মতো করে কাজ করার চেষ্টা করি। এখন তো আমাদের চ্যানেল থেকেই নতুন সমস্ত গান মুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই দলটা আমাদের কাছে নিঃশ্বাস নেওয়ার জায়গা।’
