Janakalyan Shibir: জনকল্যাণ কর্মসূচীতে গেলে কীভাবে হচ্ছে রেজিস্ট্রেশন? কতক্ষণ চলবে এই শিবির?


কলকাতা: সরকারি পরিষেবা এবার আরও কাছে। রাজ্যজুড়ে শুরু হল ‘জন কল্যাণ শিবির’। এক ছাতার তলায় মিলবে একাধিক কেন্দ্রীয় ও রাজ্য প্রকল্পের সুবিধা। নন্দীগ্রামের শিবিরে ফিতে কেটে উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী। আয়ুষ্মান প্রকল্প থেকে অন্নপূর্ণা যোজনা, জব কার্ড থেকে কিষাণ ক্রেডিট কার্ড, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড থেকে শিক্ষাক্ষেত্রে বিভিন্ন স্কলারশিপ। 

কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারি প্রকল্পের সুবিধার জন্য আবেদন, যাচাই ও পরামর্শ- সব সুবিধা একসঙ্গে দেওয়ার জন্য সোমবার থেকে জনকল্যাণ শিবিরের শুরু করল পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার। নন্দীগ্রাম থেকে এই পরিষেবার সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।                                    

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের রাজ্যে আজকে প্রায় ১ হাজার ১০০-র কাছাকাছি স্থানে জনকল্যাণ শিবির হচ্ছে। এই জনকল্যাণ শিবিরে, কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকারের ৫৪টি গুরুত্বপূর্ণ স্কিম, যার সরাসরি কল্যাণ বা  সুযোগ আমাদের এই রাজ্যের মানুষ পাবেন। মহিলারা পাবেন।  কৃষকরা পাবেন। অসংগঠিত শ্রমিকরা পাবেন। বেকার যুবকরা পাবেন। ছাত্রছাত্রীরা পাবেন এবং সমাজের সমস্ত বর্গ, সমস্ত জায়গার লোকেরা পাবেন।’                 

আরও পড়ুন, ‘কর্মসংস্থানের সুযোগ রাজ্যবাসীকে দেওয়া হবে’, শিল্পায়ন-চাকরির প্রতিশ্রুতি মুখ্যমন্ত্রীর

সোমবার থেকে বুধবার, রাজ্যজুড়ে চলবে জনকল্যাণ শিবির। জেলায় জেলায় বিভিন্ন ব্লক স্তরে এক ছাতার তলায় মিলবে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের আবেদনের সুবিধা।

কী পদ্ধতিতে কাজ হচ্ছে? 

এক সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘বেনিফিশারির কাছ থেকে রেজিস্ট্রেশন একটা হচ্ছে আমাদের এখানে। তারপর আমরা ফর্ম দিচ্ছি। যাঁরা দিতে আসছে তাঁদের রেজিস্ট্রেশন করিয়ে জমা করে নিচ্ছি। আধার কার্ড দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হচ্ছে।’ 

প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবে যাতে কেউ সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, তার জন্য সব প্রকল্পের প্রতিনিধিরাই থাকবেন শিবিরে। পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ‘আমাদের নতুন সরকার আসার পর, আগের সরকারের সুবিধে এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সুবিধে কাউকে বাদ দেওয়া হয়নি। জনকল্যাণ শিবির সকাল ১০টা থেকে ৫টা  ১৫, ১৬, ১৭ তিনদিন এটা চলবে।’ 

জেলায় জেলায় বিভিন্ন জনকল্যাণ শিবিরের প্রথম দিনেই দেখা গেল উপচে পড়া ভিড়।                 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *