নয়াদিল্লি: নির্ধারিত সময়ের চেয়ে পাঁচ বছর দেরিতে জনগণনার কাজ শুরু হয়েছে সবে। কিন্তু তার ফলাফল সামনে আসার অপেক্ষা না করেই সীমানা পুনর্বিন্যাস ঘটাতে উদ্যোগী কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। মহিলাদের ৩৩% সংরক্ষণ দিয়ে লোকসভার আসন ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে ৮৫০ করার প্রস্তাব দিয়েছে তারা, যার মধ্যে ৮১৫টি আসনে প্রতিনিধিত্ব থাকবে রাজ্যগুলির, ৩৫টিতে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির। সেই নিয়ে বিতর্ক চরমে পৌঁছেছে। মহিলার সংরক্ষণের মোড়কে আসলে রাজ্যের অধিকার খর্বের চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলছেন বিরোধীরা। পরিস্থিতি প্রতিকূল হচ্ছে বুঝতে পেরেই ‘নিয়ম বহির্ভূত ভাবে’, নির্বাচন চলাকালীন লোকসভায় বিশেষ অধিবেশন ডেকে বিল পাস করানো হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলছেন বিরোধীরা। সেই নিয়েই এই মুহূর্তে সরগরম দেশের রাজনীতি। (Women’s Reservation Bill and Delimitation 2026)
১৬ থেকে ১৮ এপ্রিল সংসদের বিশেষ অধিবেশন রয়েছে সংসদে, তার ৪৮ ঘণ্টারও কম সময় আগে সাংসদদের হাতে তিনটি বিল তুলে দিয়েছে কেন্দ্র, ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল ২০২৬, সীমানা পুনর্বিন্যাস বিল ২০২৬ এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন সংশোধনী বিল ২০২৬। শেষের দু’টি বিল সাধারণ। সংখ্য়াগরিষ্ঠের সমর্থন পেলেই পাস হয়ে যাবে। কিন্তু সংবিধান সংশোধন বিলটি পাস করাতে লোকসভা এবং রাজ্যসভার মোট সদস্যের ৫০ শতাংশের সমর্থন যেমন প্রয়োজন, তেমনই অধিবেশনে উপস্থিত থাকা এবং ভোটাভুটিতে অংশ নেওয়া সদস্যদের দুই তৃতীয়াংশের সমর্থনও প্রয়োজন। এ কারণে বিরোধীদের সমর্থন চেয়ে সরকারের তরফে আবেদন জানানো হয়েছে। (Lok Sabha Expansion)
কিন্তু জনগণনার ফলাফল হাতে আসার আগে কেন্দ্রের তরফে এই অতি তৎপরতার বিরোধিতা করছে I.N.D.I.A শিবির। কেন্দ্রের দাবি, মহিলাদের সংরক্ষণ কার্যকর করতেই তিনটি বিল আনা হচ্ছে। কিন্তু তিনটি বিলে যে যে প্রস্তাব রয়েছে, তাতে বৃহত্তর পরিবর্তন ঘটানোর ইঙ্গিতই মিলছে বলে দাবি বিরোধীদের। বলা হচ্ছে, বিল তিনটি পাস হয়ে গেলে সংসদের পাটিগণিত যেমন বদলে যাবে, তেমনই জনসংখ্যার নিরিখে সংসদে প্রতিনিধিত্ব এবং কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্কেও পরিবর্তন ঘটবে। উত্তর এবং পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলিতে লাগাতার জয়ী হয়ে আসছে যে রাজনৈতিক দল, তাদের হাতেই ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হবে বলেও অভিযোগ, অর্থাৎ বিজেপি এবং তাদের শরিকদের ক্ষমতা আরও বাড়বে, দক্ষিণ-সহ আরও বেশ কিছু রাজ্যের রাজনৈতিক গুরুত্ব থাকবে না সেভাবে।
২০২৩ সালের মহিলা সংরক্ষণ আইনে লোকসভা এবং বিধানসভাগুলিতে মহিলা প্রতিনিধিদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের কথা বলা ছিল। সীমানা পুনর্বিন্যাস এবং জনগণনার সঙ্গে সেটির সংযোগ ছিল। কিন্তু কেন্দ্রের নয়া প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের জনগণনার ফল হাতে আসার আগেই সংরক্ষণ কার্যকর করা হবে। কিন্তু এই মুহূর্তে লোকসভার আসনসংখ্যা অনুযায়ী কেন মহিলাদের সংরক্ষণ দেওয়া হল না, সেই প্রশ্নের কোনও সদুত্তর মেলেনি। বরং তিনটি বিল সংযুক্ত করলে অন্য ছবি উঠে আসছে। এতে আসন বণ্টনের ক্ষেত্রে ১৯৭১ সালের জনগণনা ব্যবহারের উপর থাকা স্থগিতাদেশ হটিয়ে দেওয়া সম্ভব। প্রথমে ১৯৭৬ সালে এবং পরবর্তীতে ২০০১ সালে ২০২৬ পর্যন্ত ওই স্থগিতাদেশ কার্যকর রাখার উদ্দেশ্য ছিল জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে দেশের মানুষকে উৎসাহিত করা এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নীতি কার্যকর করা রাজ্যগুলি যেন প্রতিনিধিত্ব না হারায়। তাই নয়া বিল কার্যকর হলে দক্ষিণের রাজ্যগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে দক্ষিণের রাজ্যগুলি গোড়া থেকেই সক্রিয়। জনসংখ্যার উপর যেহেতু বাজেট বরাদ্দও নির্ভর করে, তাই দক্ষিণের রাজ্যগুলি পাওনা থেকে বঞ্চিত হতে পারে বলেউ উদ্বিগ্ন সকলে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মোদিকে। প্রয়োজনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামতেও পিছপা হবেন না বলে জানিয়েছেন।
১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিলটিতে লোকসভার আসনসংখ্যা ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে ৮৫০ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অনুচ্ছেদ ৮২-তেও সংশোধন ঘটানোর প্রস্তাব রয়েছে। ৩ নম্বর ধারাটিকে বিলোপের প্রস্তাব রয়েছে, যাতে ২০২৭ সালের জনগণনা অনুযায়ী পরবর্তী সীমানা পুনর্বিন্যাসের বিধান রয়েছে। ৮২ নং অনুচ্ছেদে ‘প্রত্যেক আদমশুমারির পর পুনর্বিন্যাসে’র শীর্ষক অংশটিকে বদলে ‘নির্বাচনী কেন্দ্রের পুনর্বিন্যাস’ করার প্রস্তাব রয়েছে বিলে। ফলে প্রত্যেকবার জনগণনার পর জনগণনার পর বিভিন্ন রাজ্যে লোকসভা আসনগুলির পুনর্বিন্যাসের যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তা আর থাকবে না।
অনুচ্ছেদ ১৭০টিরও সংশোধন ঘটবে এতে। অর্থাৎ রাজ্যের বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে তফসিলি জাতি এবং তফসিলি জনজাতিদের জন্য আসন সংরক্ষণিত রাখার বিধানগুলিও পাল্টে যাবে। সংরক্ষণের ভিত্তি হিসেবে ২০০১ সালের পরিবর্তে কোন সালকে বেছে নেওয়া হবে, তা আইনত সংসদ নির্ধারণ করবে। অর্থাৎ কোন সালের জনগণনাকে এক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে, তা নির্ধারণ করবে সংসদ। নির্দিষ্ট ভাবে কোনও জনগণনার উল্লেখ থাকবে না।
যে সীমানা পুনর্বিন্যাস বিল ২০২৬ পেশ করেছে কেন্দ্র, তাতে সুপ্রিম কোর্টের কোনও বিচারপতির নেতৃত্বে ‘সীমানা নির্ধারণ কমিশন’ গঠনের কথা বলা হয়েছে। সেই কমিশনের সদস্য হবেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং বিভিন্ন রাজ্যের নির্বাচন কমিশনাররা। সর্বশেষ জনগণনার হিসেব সামনে রেখে ওই কমিশন বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের লোকসভা, বিধানসভা আসন বণ্টন করবে এবং নির্বাচনী এলাকা নির্ধারণ করবে।
২০২১ সালে জনগণনা হওয়ার কথা থাকলেও, পাঁচ বছর পর সেই কাজ শুরু হয়েছে চলতি মাসেই। ফলাফল হাতে আসবে ২০২৭ সালে। পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুর মতো রাজ্য়ে বিধানসভা নির্বাচনের মুখেই কেন বিশেষ অধিবেশন ডেকে বিল পাস করাতে অতিসক্রিয় হয়ে উঠছে কেন্দ্র, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বর্তমান জনগণনার জন্য অপেক্ষা না করে কেন ১৫ বছর আগের, ২০১১ সালের জনগণনাকে ভিত্তি করে এগোতে চাইছে কেন্দ্র, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস সাংসদ কেসি বেণুগোপালও। ২০২৭ সালের জনগণনার পরিসংখ্যানে জাতিগণনার হিসেবও থাকার কথা। তার আগেই আসন পুনর্বণ্টন করে নিতে চাইছে কি না কেন্দ্র, সেই প্রশ্নও তুলেছেন বিরোধীরা। কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশের দাবি, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে হারতে চলেছে বিজেপি। তাই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার হাতিয়ার হিসেবে এসব করতে চাইছে মোদি সরকার। সেই নিয়ে সব বিরোধী দলগুলির মধ্যে বৈঠকও হয়েছে একদফা।
২০০৯ সালের সীমানা পুনর্বিন্যাসে রাজ্যগুলির সীমানা বদলে গিয়েছিল। তবে ভারসাম্য যাতে নষ্ট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা হয়েছিল সেই সময়। কিন্তু কেন্দ্রের যুক্তি, জনবিন্যাসে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। জনসংখ্যার অসামঞ্জস্যপূর্ণ বৃদ্ধিতে বৈষম্য দেখা দিয়েছে নির্বাচনী এলাগুলির মধ্যে। তফসিলি জাতি, তফসিলি জনতাতি নারীদের নিয়েই যেহেতু মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ কার্যকর করার চেষ্টা হচ্ছে, চাই সীমানা পুনর্বিন্যাস এবং আসন বণ্টনের বিষয়টিও সর্বশেষ জনগণনার ভিত্তিতে করার প্রস্তাব রয়েছে নয়া বিলে।
বর্তমানে দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে ১২৯টি লোকসভা আসন রয়েছে, তামিলনাড়ু থেকে ৩৯টি, কর্নাটক থেকে ২৮টি, অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে ২৫, কেরল থেকে ২০, তেলঙ্গানা থেকে ১৭, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচ্চেরী এবং লক্ষদ্বীপ থেকে ১টি করে। দেশের তিনটি বৃহৎ রাজ্য থেকে লোকসভায় প্রতিনিধিত্ব রয়েছে যথাক্রমে উত্তরপ্রদেশ-৮০, বিহার-৪০, রাজস্থান ২৫। অর্থাৎ মাত্র তিনটি রাজ্যে ১২৫টি লোকসভা আসন রয়েছে। শেষ প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দক্ষিণের রাজ্যগুলির তুলনায় উত্তরের রাজ্যগুলিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেশি। ১৯৭১ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত হওয়া জনগণনার হিসেব বলছে, রাজস্থান, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ এবং গুজরাতের মতো রাজ্যের সম্মিলিত জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১৫০ শতাংশের বেশি। সেই তুলনায় কেরল, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গানা, কর্নাটকের সম্মিলিত হার ১০০ শতাংশের নীচে। দক্ষিণ ভারতে জন্মের হার যেখানে ২.১-এর নীচে, উত্তর ভারতের রাজ্যগুলিতে তা বেশি। ফলে ২০১১ সালের জনগণনার নিরিখেও যদি লোকসভার আসনের পুনর্বণ্টন করা হয়, সেক্ষেত্রে উত্তর ভারতের রাজ্যগুলি বেশি আসন পাবে।
রাজ্যের প্রাপ্য টাকা পেতে পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি, দক্ষিণের রাজ্যগুলিকেও লড়াই করতে হচ্ছে কেন্দ্রের সঙ্গে। তামিলনাড়ু, কেরল সরকারের সঙ্গেও টানাপোড়েন চলছে কেন্দ্রের। কিন্তু অর্থনৈতিক দিক দিয়ে দক্ষিণের রাজ্যগুলি এগিয়ে। কেন্দ্রের ভাঁড়ারে করবাবদ সেখান থেকে মোটা টাকা ঢোকে। সেই তুলনায় কেন্দ্রের তাদের প্রাপ্য অর্থের পরিমাণ অনেকটাই কম। পরিসংখ্যান বলছে, মহারাষ্ট্র এবং দক্ষিণের পাঁচ রাজ্য থেকে যত টাকা কর আদায় করে কেন্দ্র, তার থেকে কেন্দ্রের থেকে তাদের প্রাপ্তি অনেক কম। প্রতি ১ টাকা পিছু মহারাষ্ট্রের প্রাপ্তি ০.০৮ টাকা, কেরলের ০.৬২ টাকা। ২০১১ সালের জনগণনাকে ভিত্তি করলে উত্তর ভারতের রাজ্যগুলিতে আসনও বাড়বে, সেখানে বেশি টাকাও পাঠাবে কেন্দ্র। তাই কেরলের সিপিএম সাংসদ জন ব্রিটাস বলেন, “দক্ষিণ ভারতকে উত্তর ভারতের রাজনৈতিক উপনিবেশ করে রাখার চক্রান্ত চলছে।” স্ট্যালিন ইতিমধ্যেই মোদিকে ‘ফাইনাল ওয়ার্নিং’ দিয়েছেন। তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি চিঠি পাঠিয়েছেন মোদিকে এবং দক্ষিণ ভারতের মুখ্যমন্ত্রীদের।
গত ১৩ এপ্রিল এ নিয়ে Hindu-তে একটি প্রতিবেদন লেখেন কংগ্রেস সনিয়া গাঁধী। তিনি জানান, মহিলাদের সংরক্ষণ সমস্যা নয়, সমস্যা হল সীমানা পুনর্বিন্যাস। ২০২৩ সালে সর্বসম্মতিতেই মহিলাদের সংরক্ষণ দিতে ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ পাস হয়েছিল সংসদে। জনগণনা এবং সীমানা পুনর্বিন্যাসের উপর সেটি নির্ভরশীল ছিল। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকেই সংরক্ষণ চালু করতে সেই সময় জোর দিয়েছিলেন মল্লিকার্জুন খড়গে। কিন্তু কংগ্রেস নেতার সেই প্রস্তাবে তখন রাজি হয়নি কেন্দ্র। এখন সংবিধান সংশোধন করে ২০২৯ সাল থেকে মহিলাদের সংরক্ষণ চালু করার কথা বলা হচ্ছে। ৩০ মাস পর হঠাৎ কেন মনের পরিবর্তন হল মোদির, প্রশ্ন তোলেন সনিয়া। বিশেষ অধিবেশন ডাকার জন্য আর কিছু দিন কেন অপেক্ষা করতে পারলে না, জানতে চান। নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ গিয়ে মোদি সরকার বিরোধীদের ‘নারী বিদ্বেষী’ বলে চিহ্নিত করতে চাইছেন বলেও অভিযোগ তুলছেন বিরোধীরা। বর্তমানে সাংসদদের মধ্যে পুরুষদের প্রতিনিধিত্ব ৮৫ শতাংশ, সাংসদদের মধ্যে ৯১ শতাংশ। আসন বাড়িয়ে কেন মহিলাদের সংরক্ষণ দেওয়ার কথা ভাবতে হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। তাঁদের প্রশ্ন, আসন হাতছাড়া হবে না বলে পুরুষ সাংসদদের আশ্বস্ত করতেই কি মহিলাদের জন্য় আলাদা করে আসন বাড়াতে হচ্ছে? শুধুমাত্র আসন বাড়ালেই সংসদে আলোচনার পরিসর বাড়বে কি না, সাধারণ মানুষের সমস্যা অগ্রাধিকার পাবে কি না, তা নিয়েও সন্দিহান অনেকে।
