Price Rise : ফের দাম বাড়বে সাবান ছাড়াও এই জিনিসগুলির, আপনার পকেটে পড়বে টান !


Palm Oil Crisis In India : আপনার গৃহস্থ্যের জিনিসপত্রে পড়বে টান। শীঘ্রই দাম বাড়তে (Price Rise) পারে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের। সেই ক্ষেত্রে রোজকার মুদি দোকানের জিনিস (Grocery Product) কিনতে আরও খরচ বাড়বে আম আদমির।

অপরিশোধিত তেলের পর এবার আরও সমস্য়ায় ভারত
আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের ফলে দীর্ঘদিন উত্তেজনা থেকেছে হরমুজ প্রণালীতে। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের জ্বালানির পরিবহণের পথ হওয়ায় এই ঘটনায় থামকে গিয়েছিল অপরিশোধিত তেলের যাত্রাপথ। ফলে দ্রুত দাম বৃদ্ধি হয়েছিল জ্বালানির। যার প্রভাব পড়েছিল ভারতেও। এবার পাম অয়েলের সঙ্কট বৃদ্ধি পাচ্ছে দেশে। যার ফলস্বরূপ বাড়তে পাড়ে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম। 

কেন ভারতের ওপর পড়বে পাম অয়েলের প্রভাব
ভারতের বাজারে এই পাম অয়েলের প্রভাব পড়ার অন্যতম কারণ আমাদের দেশ বিদেশ থেকে এই তেল আনার অন্যতম আমদানিকারক। বিশ্বের সবথেকে বেশি পাম অয়েল বিদেশ থেকে আমদানি করে ভারত। চাহিদা বৃদ্ধির তুলনায় এখন সেরকম জোগান নেই পাম অয়েলের। হিসেব বলছে, বছরে ৯.৬ মিলিয়ন টন বা ৯৬ লক্ষ টন পাম অয়েল প্রয়োজন পড়ে বারতের। যার মধ্যে দেশে আমাদের ৪ লক্ষ টন পাম অয়েল তৈরি হয়। যার অর্থ, বিদেশের ওপর বেশি নির্ভর করতে হয় আমাদের। যে কারণে এই সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

কোথা থেকে পাম অয়েল পাওয়া যায়
পাম গাছ থেকেই এই তেল পাওয়া যায়। এই গাছ পূর্ণতা পেতে প্রচুর বৃষ্টির প্রয়োজন। দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় প্রচুর পরিমাণ এই পাম গাছ পাওয়া যায়। যে কারণে এখান থেকেই বিশ্বের বেশিরভাগ পাম অয়েলের রফতানি করা হয়। ভারত মূলত, ইন্দোনেশিযা ও মালেশিয়া থেকে বেশিরভাগ পাম অয়েল আমদানি করে। 

ইন্দোনেশিয়ার এক সিদ্ধান্তেই সমস্যায় ভারত
পরিসংখ্যান বলছে, দেশের ৯০ শতাংশ পাম অয়েলের চাহিদা বিদেশ থেকে আমদানি করে মেটায় ভারত। এই সংখ্যাটা প্রায় ৯০ শতাংশের বেশি। এই আমদানির অর্ধেকের বেশি ইন্দোনেশিয়া থেকে আসে। বর্থমানে ইন্দোনেশিয়া তার পাম অয়েল বিদেশে রফাতানি করা বন্ধ করে দিয়েছে। পরিবর্তে নিজেদের জ্বালানির চাহিদা পূরণ করতে পাম অয়েল দিয়ে বায়ো ডিজেল তৈরি করছে দক্ষিণপূর্ণ এশিয়ার এই দেশ। ইন্দোনেশিয়ার এই সিদ্ধান্তের ফলে বছরে ১.৫ থেকে ২ মিলিয়ন টন পাম অয়েল আর বিশ্বে পৌঁছেবে না। যার ফল ভোগ করতে হবে বিশ্ববাসীকে।

কোন কোন জিনিসের দাম বাড়বে ?
পাম তেল রান্নার কাজে ও বহু পণ্যের উৎপাদনের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই, এর ঘাটতির ফলে অনেক নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ৫ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে বল আশঙ্কা করছে বাণিজ্য মহল।

সাবান ও শ্যাম্পুতে ফেনা তৈরির উপাদান হিসেবে পাম তেল ব্যবহৃত হয়। উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির ফলে HUL এবং Godrej Consumer-এর মতো কোম্পানিগুলোর ওপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে।
লিপস্টিক থেকে শুরু করে ক্রিম ও লোশন,সবকিছুতেই এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
বিস্কুট ও চিপসের মতো বেক ও ভাজাভুজি খাবারেও এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। তাই, পাম তেলের ঘাটতির কারণে Parle, Britannia-র মতো কোম্পানিগুলোর পণ্যের দাম বেড়ে যেতে পারে।  

   

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *