ঢাকা: আইপিএল চলছে জোরকদমে। তারই মাঝে বড় সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটার।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন বাংলাদেশের ফাস্টবোলার রুবেল হোসেন (Rubel Hossain)। দীর্ঘ দেড় দশকের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কেরিয়ারে ইতি টানলেন। বুধবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানালেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ফাস্টবোলার রুবেল হোসেন।
বুধবার নিজের ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন বার্তা দেন রুবেল। সেখানেই তিনি ঘোষণা করেন যে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আর দেখা যাবে না তাঁকে। ৩৬ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করলেন। তবে দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলা চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন রুবেল হোসেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় রুবেল লিখেছেন, ‘আমি পেসার রুবেল হোসেন। বাংলাদেশের জার্সিতে খেলেছি ২৭ টেস্ট, ১০৪ ওয়ান ডে এবং ২৮ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। জাতীয় দল আমার আবেগ। কিন্তু একটা সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিতেই হতো। সেই চিন্তা করেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালাম।’
২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রুবেল টেস্ট ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেকেই ৩ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের জয়ে অন্যতম কারিগর ছিলেন রুবেল। ২০২০ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ডিতে কেরিয়ারের শেষ টেস্ট ম্যাচ খেলেন তিনি। সব মিলিয়ে ২৭টি টেস্ট খেলে তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ৩৬টি উইকেট। যার মধ্যে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১৬৬ রানে ৫ উইকেট তাঁর কেরিয়ারের সেরা সাফল্য।
We thank fast bowler Rubel Hossain for his service to Bangladesh cricket. Rubel Hossain, Bangladesh’s hero in some of the country’s most memorable victories, has announced his retirement from international cricket. pic.twitter.com/pJmfeVYOgq
— Bangladesh Cricket (@BCBtigers) April 15, 2026
টেস্ট ক্রিকেটের পাশাপাশি ওয়ান ডে ও টি-টোয়েন্টি ফর্ম্যাটেও রুবেল ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম ভরসা। দেশের হয়ে ১০৪টি ওয়ান ডে এবং ২৮টি আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচ খেলেছেন রুবেল। ২০১৫ সালের ওয়ান ডে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁর বিধ্বংসী স্পেল আজও লোকের মুখে মুখে ফেরে। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বাংলাদেশ পৌঁছে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছিল।
এছাড়া নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যাটট্রিকসহ ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ অনেক মুহূর্ত তিনি উপহার দিয়েছেন। বিশেষ করে ম্যাচের শেষ দিকে (ডেথ ওভার) নিয়ন্ত্রিত বোলিং ও রিভার্স সুইং দিয়ে বাংলাদেশকে অনেক শ্বাসরুদ্ধকর জয় এনে দিয়েছেন এই গতি তারকা।
