Stock Market Prediction :  শেয়ার বাজারে বড় ধসের আশঙ্কা, বুধবার কি রক্তাক্ত হবে দালাল স্ট্রিট ?


Show Quick Read

Key points generated by AI, verified by newsroom

Indian Stock Market :  দোল উৎসবের ছুটির পর বুধবার ফের বড় ধস নামতে পারে ভারতের শেয়ার বাজারে। ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের মধ্যে বিনিয়োগকারীদের জন্য এখনও খুব একটা সুখবর নেই বললেই চলে। পশ্চিম এশিয়ায় ঘনীভূত হওয়া যুদ্ধের ছায়া সরাসরি আছড়ে পড়ছে ভারতের দালালাল স্ট্রিটে। গিফট নিফটি (Gift Nifty) এবং বিশ্ববাজারের গতিপ্রকৃতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বুধবার সকালে সেনসেক্স ও নিফটি এক বিশাল ‘গ্যাপ-ডাউন’ (Gap-down) বা বড় পতনের সাথে যাত্রা শুরু করতে পারে।

কেন এই অস্থিরতা ?
ইরান ও আমেরিকার মধ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতই এই আতঙ্কের মূল কারণ। সোমবার থেকেই অপরিশোধিত তেলের (Crude Oil) দাম আকাশছোঁয়া। ব্রেন্ট ক্রুড ব্যারেল প্রতি ৮০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ইরানের পক্ষ থেকে রিয়াদের মার্কিন দূতাবাসে হামলা এবং স্ট্রেইট অব হরমুজ (Strait of Hormuz) বন্ধ করে দেওয়ার হুমকির ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি নিরাপত্তার সংকট তৈরি হয়েছে।

বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি একনজরে:
গিফট নিফটি (Gift Nifty): মঙ্গলবার দুপুরে গিফট নিফটি প্রায় ৬৩২ পয়েন্ট বা ২.৫৩% নিচে ২৪,৩৬০ স্তরে ট্রেড করছিল। এটি নিফটির জন্য অত্যন্ত নেতিবাচক সংকেত।

বিশ্ববাজারের হালচাল: এশিয়ার বাজারে হাহাকার পড়ে গেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি (Kospi) ৭.২% পড়েছে, যা ২০২৪ সালের পর সবথেকে বড় পতন। জাপানের নিক্কেই ৩% এবং হংকংয়ের হ্যাং সেং ১% নিচে নেমেছে। ইউরোপের বাজারগুলোও লাল সঙ্কেতে লেনদেন করছে।

ভয় সূচক (India VIX): সোমবার ভারতের ভয়ের সূচক বা ইন্ডিয়া ভিক্স ২৫% বেড়ে ১৭.১৩-এ পৌঁছেছে, যা গত ৯ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

নিফটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্তর (Technical View)
বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, বুধবার নিফটির জন্য ২৪,৬০০ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল।

নিচে নামলে: যদি নিফটি ২৪,৬০০-এর নিচে স্থায়ী হয়, তবে এটি আরও কমে ২৪,৩০০ (আগস্ট ২০২৫-এর সর্বনিম্ন স্তর) পর্যন্ত চলে যেতে পারে।

উপরে উঠলে: যদি বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে, তবে ২৫,০০০ স্তরটি প্রথম বাধা বা রেজিস্ট্যান্স হিসেবে কাজ করবে। এরপর ২৫,১০০ এবং ২৫,২৫০ স্তরে বড় বাধা রয়েছে।

বিনিয়োগকারীদের ওপর প্রভাব
আমদানি করা তেলের দাম বাড়লে ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া লজিস্টিক এবং উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় কোম্পানিগুলোর লাভের মার্জিনেও টান পড়তে পারে। ফলে বিনিয়োগকারীরা এখন ‘রিস্ক-অফ’ মোডে অর্থাৎ ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ থেকে টাকা সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন।

( মনে রাখবেন : এখানে প্রদত্ত তথ্য শুধুমাত্র তথ্যের উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে। এখানে উল্লেখ করা জরুরি যে, বাজারে বিনিয়োগ করা ঝুঁকি সাপেক্ষ। বিনিয়োগকারী হিসাবে অর্থ বিনিয়োগ করার আগে সর্বদা একজন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করুন। ABPLive.com কখনও কাউকে এখানে অর্থ বিনিয়োগ করার পরামর্শ দেয় না। এখানে কেবল শিক্ষার উদ্দেশ্যে এই শেয়ার মার্কেট সম্পর্কিত খবর দেওয়া হয়। কোনও শেয়ার সম্পর্কে আমরা কল বা টিপ দিই না। )



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *