কলকাতা: সম্প্রতি টাটা মোটরস ভারতের বাজারে Tata Sierra EV লঞ্চ করেছে। এই বৈদ্যুতিক SUV-টি রিয়ার-হুইল ড্রাইভ (RWD) এবং কোয়াড-হুইল ড্রাইভ (QWD) – দুই ধরনের বিকল্পে পাওয়া যাচ্ছে। ফলে ক্রেতাদের সামনে বড় প্রশ্ন, বেশি দাম দিয়ে QWD কেনা কি সত্যিই সার্থক, নাকি RWD-ই বেশি যুক্তিযুক্ত?
আরও পড়ুন: আয়কর রিফান্ডের টাকা কতদিনে ঢুকবে আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে? কী করলে ঢুকবে তাড়াতাড়ি?
Sierra EV-র QWD ভ্যারিয়েন্টে রয়েছে ডুয়াল মোটর সেটআপ। এটি মডেলের সবচেয়ে দামি সংস্করণ, যার এক্স-শোরুম দাম ২৬ লক্ষ টাকা। একই সঙ্গে এটি ৭৫ kWh ব্যাটারিযুক্ত সবচেয়ে দামি RWD ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় এক লক্ষ টাকারও বেশি ব্যয়বহুল। QWD-তে একটি এক্সক্লুসিভ রঙের বিকল্পও দেওয়া হয়েছে।
পারফরম্যান্সের দিক থেকে QWD স্পষ্টভাবেই এগিয়ে। ৩০০ PS শক্তি এবং ৫০০ Nm-এর বেশি টর্কের সাহায্যে গাড়িটি ০ থেকে ১০০ কিমি/ঘণ্টা গতি তুলতে ৬ সেকেন্ডেরও কম সময় নেয়। অন্যদিকে, ৭৫ kWh ব্যাটারিযুক্ত RWD ভ্যারিয়েন্টে শক্তি ২০৯ hp। তবে ৬৩ kWh ব্যাটারির RWD সংস্করণে ২৩৮ hp শক্তি পাওয়া যায়, যা বড় ব্যাটারির RWD মডেলের থেকেও বেশি।
আরও পড়ুন: ‘মন কি বাত’ শুনে তারকেশ্বরে পুজো দিলেন সুকান্ত মজুমদার, তিনি কী চাইলেন জানেন?
রেঞ্জের ক্ষেত্রে অবশ্য এগিয়ে রয়েছে সিঙ্গল মোটর RWD। ৭৫ kWh ব্যাটারি প্যাকের RWD সংস্করণ একবার চার্জে সর্বাধিক ৬৬৫ কিলোমিটার চলতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে। তুলনায় QWD ভ্যারিয়েন্টের দাবি করা রেঞ্জ ৬২৪ কিলোমিটার।
ফলে যাঁদের কাছে বেশি রেঞ্জ বেশি গুরুত্বপূর্ণ, তাঁদের জন্য ৭৫ kWh ব্যাটারির RWD ভ্যারিয়েন্টই বেশি উপযোগী হতে পারে। অন্যদিকে, দ্রুত গতি, বেশি শক্তি এবং উন্নত ড্রাইভিং পারফরম্যান্স চাইলে QWD একটি আকর্ষণীয় বিকল্প।
সব মিলিয়ে, Sierra EV-র QWD ভ্যারিয়েন্ট আসলেই গাড়ি প্রেমীদের জন্য। যদিও বেশি রেঞ্জ এবং তুলনামূলক কম দামের কারণে RWD ৭৫ kWh সংস্করণ অধিকাংশ ক্রেতার কাছে বেশি বাস্তবসম্মত ও অর্থসাশ্রয়ী পছন্দ হতে পারে।
