” অন্নপূর্ণা যোজনার ৩ হাজার টাকা..”-সহ রাজ্য সরকারের এই প্রকল্পগুলি নিয়ে জরুরি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, কী কী ‘প্রতিশ্রুতি’ পূরণের বার্তা ?


পূর্ব মেদিনীপুর: অন্নপূর্ণা যোজনা-সহ সরকারি একাধিক প্রকল্প নিয়ে হলদিয়ার কদমতলায় সভা থেকে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি বলেন,’আগামী ৫৬ মাস প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে রাজ্য সরকার।’

আরও পড়ুন, পুরভোটে সুদীপ প্রার্থী হলে প্রচারে নামবেন তাপস রায়, বললেন,”দল চাইলে সুদীপের হয়ে প্রচার করব, পদযাত্রা করব”

এদিন মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari) বললেন, আগামী ৫৬ মাস প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে রাজ্য সরকার। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অবহেলিত, অত্যাচারিত প্রত্যেকটি পরিবারের, হাতে কাজ পেটে ভাত, মাথায় ছাদ, এ আমার অঙ্গীকার, আমি এটা পূরণ করব। ইতিমধ্যে চার মাসে ৬৭ হাজার দিদি এবং বোনকে, অন্নপূর্ণা যোজনার ৩ হাজার টাকা, পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার আপনাদের অ্যাকাউন্টে, পাঠানো শুরু করেছে। অর্ধসমাপ্ত বাড়ি, ৮ হাজার বাড়িকে, আমরা দ্বিতীয় কিস্তির ৬০ হাজার করে টাকা, আরও ১৩ হাজার ৭০০ নতুন বাড়ির জন্য, প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার করে টাকা, ইতিমধ্য়ে আপনাদেরকে আমরা, দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। জনকল্যাণ শিবিরে, যারা নতুন জবকার্ড, বার্ধক্য ভাতা, অন্যান্য সামাজিক কর্মসূচিতে আবেদন করেছিলেন, সেটা আমরা পূরণ করার কাজ করেছি। আমরা হরিপুরে, ফায়ার ব্রিগেড স্টেশন চালু করেছি। নন্দীগ্রাম, হলদিয়া, ব্রিজের সয়েল টেস্ট, টেন্ডারের প্রস্তুতি, রাইটসকে দিয়ে সমীক্ষা, প্রাথমিকভাবে ১০০ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ আমরা করেছি। তাই এতটুকু বিচলিত হবেন না, যে পরিষেবা ২০২১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৯৫৬ ভোটে হারানোর পরে, যত অফিস , যত পরিষেবা নিত্যদিনের নন্দীগ্রামের জনগণ পেতেন, ২০২৬ সালে ১০ হাজারের কাছাকাচি ভোটে, আমাকে জেতানোর জন্য, একই পরিষেবা ২০৩১ পর্যন্ত, দেওয়ার গ্যারান্টি শুভেন্দু অধিকারী, আপনাদেরকে করে গেল।’

 এদিন বক্তব্যের শুরুতে তিনি বলেন, ‘আপনারা যে বিপুল জয় এনে দিয়েছেন, সরকার তৈরি হয়েছে। সরকার কাজ শুরু করেছে। এবং মাত্র চার মাস সরকারের সময় অতিবাহিত হয়েছে। এই সরকার তার বর্তমান কার্যকালে আরও ৫৬ মাস ধরে, জনগণের স্বপ্নপূরণ, সংকল্প পত্রের প্রতিশ্রুতি পূরণ, এবং রাষ্ট্রবাদী ভারতীয়, সংষ্কৃতি এবং বাঙালির ঐতিহ্য, আমরা রক্ষা করার কাজ এগিয়ে নিয়ে যাব। নন্দীগ্রামের বিপুল জনতা জনার্দন, তাঁদের কাছে আমার একটাই প্রতিশ্রুতি, আপনারা নিশ্চিন্তে থাকবেন, যেদিন আমি তমলুকের এমপি থেকে সরে গিয়েছিলাম, সেদিন অনেকেই, এমপির পরিষেবা ইত্যাদি নিয়ে, তাঁরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু আপনারদের প্রয়োজনে,  আপনাদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে, আমার প্রাক্তন সাংসদ হিসেবে অভাব বুঝতে দিইনি।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *