তোলাবাজির অভিযোগে তৃণমূল কাউন্সিলর সমরেশ চক্রবর্তী গ্রেফতার


কলকাতা: তোলাবাজির অভিযোগে তৃণমূল কাউন্সিলর গ্রেফতার। প্রোমোটার পেটানো তৃণমূল কাউন্সিলর সমরেশ চক্রবর্তী (Samaresh Chakraborty) গ্রেফতার। কিছুদিন আগে ফের কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ উঠে। এরপরেই গ্রেফতার হলেন বাগুইআটির কাউন্সিলর সমরেশ। 

২০২৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর তোলা না দেওয়ায় প্রোমোটারকে মারধরে অভিযোগ উঠেছিল সমরেশ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। প্রোমোটারকে পেটানোর পরেই উধাও হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। পরে গোপনে আত্মসমর্পণ করেন।

নতুন সরকার ক্ষমতায় আসতেই কিন্তু শুরু হয়েছে অ্যাকশন। দফায় দফায় বিভিন্ন স্থান থেকে একের পর এক গ্রেফতার হচ্ছেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতারা। সমরেশের মতোই তৃণমূলের আরেক বিদায়ী কাউন্সিলর মানস রায়কে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর্থিক প্রতারণা মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন দুর্গাপুর পুরসভার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর। মোবাইলের দোকান থেকে মোবাইল কিনে প্রভাব খাটিয়ে টাকা না দেওয়ার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে।

দুবরাজপুরের তৃণমূল পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি ও তাঁর ছেলেকে গ্রেফতার করা হল। তৃণমূল নেতা স্বপন মণ্ডল ও তাঁর ছেলে দীপাঞ্জন মণ্ডল গ্রেফতার করা হয়েছে। দুবরাজপুরে পারুলিয়া গ্রামে গন্ডগোলের জেরে সদাইপুর থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা ও তাঁর ছেলে। 

বাঁকুড়ার পাত্রসায়রে হাটকৃষ্ণনগরে অশান্তিতে ইন্ধনের অভিযোগেও গ্রেফতার হয়েছেন পাত্রসায়রের দুই তৃণমূল নেতা। ধৃত বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মিলন করি। গ্রেফতার কুশবদ্বীপের অঞ্চল সভাপতি শাহজাহান মিদ্দা। হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন ভাঙড়ের দেউলি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হাফিজুল মোল্লা ও তাঁর সহযোগী শাহজাহান মোল্লা। নির্বাচনের সময় আইএসএফ সহ বিরোধীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে।

খুন ও খুনের চেষ্টার অভিযোগেও গ্রেফতার করা হয়েছে একাধিক তৃণমূল নেতাকে। খুনের চেষ্টার ঘটনায় যোগসাজশের অভিযোগে গ্রেফতার বাঁকুড়ার তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি নেতা শ্যামসুন্দর দত্ত। ১৫ এপ্রিল বাড়ি ফেরার পথে আক্রান্ত হন বিবেক মালাকার নামে এক যুবক। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বিবেক মালাকারের বাবা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা। 

খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন নবগ্রাম ব্লক তৃণমূল সভাপতি। ২০২৩ সালে এক যুবককে গুলি করে খুনের অভিযোগ করা হয় তৃণমূল নেতা মহম্মদ এনায়েতুল্লাহের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন ও খুনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছিল পুলিশ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *