পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ED দফতরে হাজির মদন মিত্রর বড় ছেলে, ঠিক কী অভিযোগ ?


কলকাতা : পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ED’র তলব। ED দফতরে হাজিরা মদন মিত্রর বড় ছেলে স্বরূপের। ব্যাঙ্কের নথি নিয়ে আসতে বলা হয় স্বরূপকে। বড় ছেলে স্বরূপের পাশাপাশি মদন মিত্রর স্ত্রী অর্চনা মিত্রকেও তলব করেছে ইডি। গতকালই ED-তে হাজিরা দেন মদন মিত্রর ছোট ছেলে শুভরূপ। প্রায় ৯ ঘণ্টা ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর বের হন তিনি। বের হওয়ার পর ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে চাননি শুভরূপ মিত্র।

পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ED-র স্ক্যানারে মদন মিত্রর (Madan Mitra) পরিবার। এই মামলায় আগেই কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের স্ত্রী ও দুই পুত্রকে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। আগামীকাল, অর্থাৎ বুধবার সেই তলব অনুযায়ী CGO কমপ্লেক্সে হাজিরা দিয়েছিলেন মদন মিত্রর ছোট ছেলে শুভরূপ মিত্র। প্রায় ৯ ঘণ্টা ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর বাইরে বেরোন তিনি। এবার বৃহস্পতিবার এই একই মামলায় ED দফতরে কামারহাটির বিধায়কের বড় ছেলে স্বরূপ মিত্র। পাশাপাশি, হাজিরা দিলেন মদন মিত্রর স্ত্রী অর্চনা মিত্রও। হাজিরা দিতে আসার সময় নিজেদের ব্যাঙ্কের নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল মদন মিত্রর বড় ছেলে স্বরূপ মিত্রকেও।                      

আরও পড়ুন – পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার স্ক্যানারে এবার মদন মিত্রের পরিবার! কে কে জড়িত ?

মদন মিত্রকেও তলব              

দুই ছেলে ও স্ত্রী অর্চনা মিত্রকে তলব করেছে ED. এবার অন্যদিকে এই পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২৯ জুলাই কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ককে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেদিন সকাল ১১টায় তাঁকে তলব করা হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে। সঠিক সময়ে হাজিরার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। 

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত জুন মাসে তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ভবানীপুর এবং কালীঘাটের বাড়িতেও যান ইডির আধিকারিকেরা। কলকাতা সহ মোট সাতটি জায়গায় তল্লাশি চালায়। মদন মিত্রের বাড়ি ছাড়াও দক্ষিণেশ্বর, সন্তোষপুর, জোকা এবং বেলেঘাটাতেও তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। এর আগে সুজিত বসু এবং তাঁর পুত্র সমুদ্র বসুর বিরুদ্ধে আদালতে যে চার্জশিট জমা দেয় তদন্তকারী সংস্থা, তাতে উল্লেখ ছিল, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় চাকরিপ্রাপকদের নাম বেআইনি ভাবে সুপারিশ করার অভিযোগ উঠেছে সুজিতের বিরুদ্ধে। কমবেশি ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম রয়েছে। প্রায় ২৫০ কোটির লেনদেন হয়েছে, কেনা হয়েছিল বিপুল সম্পত্তি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *