ফের দিল্লিতে ‘খুন’ বাঙালি মহিলা !


নয়াদিল্লি : ফের দিল্লিতে খুন বাঙালি মহিলা। পূর্ব কৈলাসে বেসরকারি পলিক্লিনিকে কাজ করতেন ওই মহিলা। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার ধারালো অস্ত্র ও ছুরি, জালে চিকিৎসককে। মৃতদেহ দেখতে না দেওয়ার অভিযোগ পরিবারের, প্রতিবাদে বিক্ষোভ। 

আরও পড়ুন, “শুভেন্দু ডাকলেই দিদিকে ছেড়ে চলে যাব”, BJP যোগ দিতে প্রস্তুত এবার মমতার ভাই, বললেন, “..তৃণমূলের এই অবস্থার জন্য দায়ী

দিল্লির পূর্ব কৈলাসে খুন হন বাঙালি মহিলা। জানা গিয়েছে, মৃতের নাম মিনা হালদার। তবে খুনের প্রকৃত কারণ কী, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। খুনের অভিযোগ স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত চিকিৎসক মণীশ গুপ্তা, জানিয়েছে পুলিশ। বলার অপেক্ষা রাখে না এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই ওই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দেশের রাজধানীর মতো জায়গায় এই ঘটনা ঘটার পর একাধিক প্রশ্ন উঠে এসেছে। ইতিমধ্যেই ওই মহিলা খুনের ঘটনায় তদন্তে নেমেছে পুলিশ।


Delhi News: ফের দিল্লিতে 'খুন' বাঙালি মহিলা

সম্প্রতি বাঙালি সহকারী অধ্যাপিকার হাড়হিম হত্যাকাণ্ডের সম্মুখীন হয়েছিল দেশের রাজধানী। নিজের ফ্ল্যাট থেকে রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় প্রায় ১৪০০ কিলোমিটার দূরে পূর্ব বর্ধমানের বাদামতলা থেকে পুলিশের জালে ধরা পড়েছিলেন এক দম্পতি। দিল্লি পুলিশ ও পূর্ব বর্ধমান পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার হলেন রামপ্রসাদ দাস ও বনশ্রী দাস। নিহত অধ্যাপিকার নাম, দেবস্মিতা পাল (৪০)। স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলায় দিল্লির একটি ফ্ল্যাটে একা থাকতেন তিনি। বাবা-মা থাকতেন দিল্লিতেই আলাদা ফ্ল্যাটে। দিল্লির ফ্ল্যাট থেকে দেবস্মিতার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে সন্দেহ হয় বর্ধমানের দম্পতিকে। 
 
দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, নিহত অধ্যাপিকার মামাবাড়ি বর্ধমান শহরের বাদামতলায়। সেই বাড়িটি দীর্ঘদিন খালি পড়ে থাকায় বছর ২ আগে ওই দম্পতিকে বাড়িটি ভাডায দেওয়া হয়। রবিবার বর্ধমানে আসে দিল্লি পুলিশের একটি প্রতিনিধি দল। বাদামতলার এই বাড়ির সামনে হাজার ডাকাডাকিতেও সাড়া না দেওয়ায়, পাঁচিল টপকিয়ে, ভিতরে ঢোকে পুলিশ। দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় ওই দম্পতিকে। 

 দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার মায়ের সঙ্গে শেষবার ফোনে কথা বলেন দেবস্মিতা।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তাঁকে ফোনে পাওয়া যায়নি। বোনের খোঁজ নিতে দুপুরে তাঁর ফ্ল্যাটে যান দিদি। দেখেন, বাইরে থেকে তালাবন্ধ দরজা। সন্দেহ হওয়ায় তালা ভেঙে ঢুকে দেখতে পান বোনের দেহ। ফোন করে খবর দেন পুলিশে। কিন্তু কারা খুন করল ওই মহিলাকে? আর কেনই বা খুন করা হল?বর্ধমান শহরের বাদামতলায় এই দোতলা বাড়িটি দেবস্মিতার দাদুর। স্থানীয় সূত্রে খবর,নীচের তলার ৬টি ঘর নিয়ে ভাড়ায় থাকতেন দম্পতি। সম্প্রতি সেই ঘর ছেড়ে দিতে বলেন দেবস্মিতা ও তাঁর মা। কিন্তু, তা ছাড়তে রাজি ছিলেন না ভাড়াটিয়া দম্পতি। এরপরই তাঁরা দেবস্মিতাকে খুনের ছক কষেন।  



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *