নয়া দিল্লি: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে বৈঠক শেষে এবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বাসভবনে পৌঁছে গিয়েছেন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। সামনে আসা ছবিতে স্পষ্ট সেখানে রয়েছেন, মিতালি বাগ, শর্মিলা সরকার, শতাব্দী রায়, ইউসুফ পাঠান, বাপি হালদার, জগদীশ বর্মা বসুনিয়া, সায়নী ঘোষ। বৈঠক শেষে একে একে ২০ নম্বর আকবর রোডে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বাসভবনে পৌঁছে গিয়েছেন তাঁরা।
আরও পড়ুন: আজ জোড়া বৈঠকে বিদ্রোহী ব্লক, যোগ দিতে পারেন আরও ২ সাংসদ! আগামিকালই লোকসভায় আলাদা হয়ে যাছে তৃণমূল?
জানা গিয়েছে, এতক্ষণ তাঁদের পরিকল্পনা ছিল, তাঁদের পৃথক ব্লক হিসাবে মান্যতা যদি দেওয়া হয়। তাহলে তাঁরা পুরোনো জায়গা ছেড়ে, NDA-এর পাশে বসবেন। কিন্তু বর্তমানে পাওয়া খবর অনুযায়ী, তাঁদের হাতে একটি বিকল্পও রয়েছে। প্রথমত, তাঁরা অন্য কোনও দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন। সেই ক্ষেত্রে লোকসভায় সেই দলের প্রতিনিধিত্ব বেড়ে যাবে। যদিও সেটা বিজেপি নয়। হয়তো ত্রিপুরা বা আসামের কোনও দল, যারা NDA-তে রয়েছে।
প্রথমদিন যখন বিক্ষুব্ধ ১৪ জন লোকসভার সাংসদ গিয়েছিলেন ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়ি, তখন তৃণমূলের তরফে বলা হয়েছিল, বিক্ষুব্ধদের কাছে যথেষ্ট সংখ্যক সাংসদ নেই। যা দিয়ে তাঁরা এই দাবি করতে পড়েন। কারণ, সেই সময় অনুযায়ী অন্তত ১৯ জন সাংসদ প্রয়োজন ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে যখন সেই সংখ্যা পেরিয়ে গেল, তখন তৃণমূলের তরফে বলা হল, এমন কোনও স্বীকৃতি তাঁরা পাবেন না।
আরও পড়ুন: কোন আয়কর রিটার্ন ফর্ম ফিলআপ করবেন আপনি? ভুল ফর্ম ভরলেই আসতে পারে IT নোটিস
কিন্তু সেই ক্ষেত্রে কী হতে পারে? এর আগে রাজ্যসভায় দেখা গিয়েছে রাঘব চাড্ডার নেতৃত্বে আম আদমি পার্টির দুই তৃতীয়াংশের বেশি সাংসদ বিজেপিতে যোগ দেয়। যদিও লোকসভায় তৃণমূলের ক্ষেত্রে এমন কিছু ঘটল না। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, নতুন দলে যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ সাংসদরা। জানা গিয়েছে, ত্রিপুরার ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়ায় যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ সাংসদরা। যদিও এই NCPI বা ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়ার উপস্থিতি পশ্চিমবঙ্গে প্রায় নেই বললেই চলে। বাঁকুড়ার সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী এবিপি আনন্দকে জানিয়েছেন, “সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছে, চিঠি জমা পড়ে গিয়েছে। রাজ্যে পার্টি অফিস খোলা হবে।” আর এখান থেকেই স্পষ্ট, লোকসভায় ভেঙে একেবারে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেল তৃণমূল।
Swapan Samaddar : ধৃত স্বপন সমাদ্দার, আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় তাকে ঘিরে ‘চোর চোর’ স্লোগান
