কলকাতা: আজ ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবসেও ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস রাজ্যে। আইএমডি সূত্রে খবর, দক্ষিণবঙ্গে হলুদ সতর্কতা, হালকা থেকে মাঝারি বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বর্ষণের পূর্বাভাস। উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের হলুদ-কমলা সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস।
আরও পড়ুন, “বঙ্গে যোগ ফিরে এল”, আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন মুখ্যমন্ত্রীর
আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সক্রিয় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের উপরে। গতপরশু সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় উচ্চতায় পঞ্জাব থেকে হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশ হয়ে বিহার পর্যন্ত বিস্তৃত যে মৌসুমী অক্ষ বা অক্ষরেখাটি অবস্থান করছিল, তা বজায় রয়েছে। পাশাপাশি নিম্ন ট্রপোস্ফিয়ারে পশ্চিমা বায়ুর অক্ষরেখাটি , যা সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় উচ্চতা থেকে ১.৫ কিমি উপরে ২১ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশের উত্তরে এবং প্রায় ৮৭ পূর্ব দাঘ্রিমাংশ বরাবর অবস্থান করছিল, সেটিও অপরিবর্তিত রয়েছে।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিমি বেগে বয়ে যেতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। মূলত, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া-সহ একাধিক জেলায় প্রবল বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে। তবে শুধু এদিন নয়, টানা দুর্যোগের পূর্বাভাস রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায়। বিশেষ করে গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে ইতিমধ্য়েই জল জমে গিয়েছে শহরতলির নীচু এলাকাগুলিতে।
সপ্তাহান্তে বৃষ্টি বাড়বে আগেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। এই দুর্যোগ চলবে মঙ্গলবার পর্যন্ত। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তৎপর কলকাতা পুরসভা। আগেই খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। জোরকদমে চলছে মনিটরিং। কলকাতার একাধিক রাস্তায় স্ট্যান্ড বাই মোডে রাখা হয়েছে সাকশন মেশিন
বেশি জল জমলে তা নিয়ন্ত্রণের জন্য অতিরিক্ত পাম্পের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। তবে আপাতত গোটা বিষয়টাতেই নজরদারি চালাচ্ছেন পুরসভার কমিশনার স্মিতা পান্ডে।
অপরদিকে, উত্তরবঙ্গে হলুদ ও কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। মূলত উত্তরবঙ্গের উপরের দিকের জেলাগুলিতে দুর্যোগের আশঙ্কা বেশি রয়েছে। ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। তবে হলুদ সতর্কতা রয়েছে উত্তর দিনাজপুরে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে মালদা ও দুই দিনাজপুরে। তবে উত্তরবঙ্গ তুমুল বৃষ্টিতে ইতিমধ্য়েই বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গের সমতল ও পাহাড়। বৃষ্টিতে ফুঁসছে বালাসন নদী। কার্শিয়ঙের দুধিয়ায় ভেঙে পড়ে অস্থায়ী সেতুও। শুক্রবার কার্শিয়াঙের মাহানতির কাছে, ১১০ নম্বর জাতীয় সড়কের কাছে রাস্তায় নামে ধস। এছাড়াও পাহাড়ের একাধিক ছোট-বড় ধস নেমেছে।
Yoga Day 2026: “যাদের যেটা ভুল হচ্ছিল ধরিয়ে দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী”, বললেন অশোক কীর্তনিয়া
