‘শুধু কালীকে ধরলে হবে, দোয়াত আর পেনকেও ধরতে হবে’, তারাতলা বিপর্যয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কাদের গ্রেফতারি দাবি কল্যাণের ?


কলকাতা: কুণালের পর এবার কল্যাণ, নাম না করে ফিরহাদের গ্রেফতারি দাবি তুললেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। তৃণমূল সাংসদ বলেন, ‘শুধু কালীকে ধরলে হবে, দোয়াত আর পেনকেও ধরতে হবে। শুধু কালীকে ধরলে হবে না, দোয়াতকেও টেনে আনতে হবে। কালীর পর দোয়াত আর পেনকেও ধরুন। তবেই আপনি সার্থক হবেন, নতুন করে ইতিহাস লিখবেন শুভেন্দু অধিকারী। কালীকে ধরেছেন, কিন্তু পেন আর দোয়াত আপনার বি-টিমে রয়েছেন’, তারাতলা বিপর্যয়ে নাম না করে প্রাক্তন মেয়রের গ্রেফতারি দাবি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের

আরও পড়ুন, মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসের পরেই কালীগঞ্জকাণ্ডে অ্যাকশন, তামান্না খুনে FIR-এ নাম থাকা সবাই গ্রেফতার

 মুখ্য়মন্ত্রীর বক্তব্য়ে উঠে আসে কালী-র নাম, তাঁর হুঁশিয়ারির পরেই করা হয় গ্রেফতার

মূলত, তারাতলায় গোডাউন-বিপর্যয়ের পর, বৃহস্পতিবার বিধানসভায় মুখ্য়মন্ত্রীর বক্তব্য়ে উঠে আসে কালী-র নাম। মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বলেন, “আপনার কালীকে তুললে সব বেরিয়ে যাবে। কলকাতা কর্পোরেশনে কালী না বললে কোনও প্ল্যান হয় না।” আর এই ‘কালী’-র ছিটে গিয়ে লেগেছে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের গায়ে। কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, ফিরহাদ হাকিম মেয়র হওয়ার পর ওএসডি হিসেবে তাঁর কাজ সামলাতেন কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর হাতে ছিল প্রচুর ক্ষমতা। মেয়রের কাছে পৌঁছতে গেলে ‘কালীবাবু’ হয়েই যেতে হত সবাইকে। 

ফিরহাদ ঘনিষ্ঠ কে এই কালীচরণ বন্দ্য়োপাধ্য়ায় ?

কে এই কালীচরণ বন্দ্য়োপাধ্য়ায় ? কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের প্রাক্তন OSD, এর আগেও তাঁকে নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে তীব্র টানাপোড়েন দেখা গিয়েছে। ২০২৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ফিরহাদ হাকিমের তৎকালীন OSD এই কালীচরণ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের বিরুদ্ধে শেক্সপিয়ার সরণি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন, তৃণমূলেরই সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের অফিসের এক কর্মী। তাঁর অভিযোগ ছিল, “ফিরহাদ হাকিমের OSD কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করে, ব্যবসায়ী, সরকারি আধিকারিক ও সাধারণ মানুষের থেকে তোলা আদায় করছেন। নিজেকে প্রভাবশালী পরিচয় দিয়ে একাধিক এজেন্টের মাধ্যমেও কোটি কোটি টাকা প্রতারণা করেছেন।”

“উনি পুরসভাটাই চালাতেন একটা বকলমে, এক্সিকিউটিভ মেয়র বলে শুনেছি”

এই আবহে কালীচরণের গ্রেফতারির সূত্র ধরে,  সম্প্রতি বেলেঘাটা তৃণমূল বিধায়ক  কুণাল ঘোষ বলেন, উনি পুরসভাটাই চালাতেন একটা বকলমে, এক্সিকিউটিভ মেয়র বলে শুনেছি। কাউন্সিলররা খুব ভয় পেতেন। সব কাজটা কালীই চালাতেন।  পুরসভার কালীর প্রতি প্রেম এবং আস্থা প্রবল। ওই যে আমি বলেছিলাম, কান টানলে মাথা আসে। ‘ 

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *