Udayan Guha: নিকাশি নালা ভরাট করে ভুয়ো বিল্ডিং পরিকল্পনার মাধ্যমে বাণিজ্যিক ভবন তৈরি, উদয়নের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ


দিনহাটা, কোচবিহার: প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী ও দিনহাটার প্রাক্তন বিধায়ক উদয়ন গুহর বিরুদ্ধে এবার নতুন অভিযোগ। বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন তিনি। আর তারই মধ্যে এবার সামনে এল তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ। দিনহাটা থানায় উদয়নের নামে এই অভিযোগ দায়ের করেছেন স্থানীয় এক বাসিন্দা।

আরও পড়ুন: চলছে বুলডোজার, মাতলা নদীর চর দখল করে তৈরি সওকত মোল্লার ছেলের ক্যাফে ‘অরণ্যের কূলে’ ভাঙা শুরু

ছিল নিকাশি নালা, আর সেটাই ভরাট করে দিনহাটায় তৈরি করা হয়েছিল বাণিজ্যিক ভবন, অভিযোগ এমনই। আর সেই ভবন তৈরিতে অভিযোগের তীর দিনহাটার প্রাক্তন বিধায়ক উদয়ন গুহর দিকে। এই ঘটনার উল্লেখ করে দিনহাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন জনৈক আনোয়ার হোসেন।

তাঁর স্পষ্ট অভিযোগ, ভুয়ো বিল্ডিং পরিকল্পনার মাধ্যমে ‘উত্তরায়ণ’ নামে একটি বাণিজ্যিক ভবন তৈরি করা হয়েছিল। আর সেই ভবন তৈরির ফলে ক্ষতি হয়েছিল এলাকার জল নিকাশি ব্যবস্থার। যদিও ইতিমধ্যেই প্রতারণা, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মতো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে উদয়ন গুহকে। আর তারপর তাঁর বিরুদ্ধে উঠল এই অভিযোগ।

অভিযোগকারী বলেন, “দিনহাটাতে এই হাসপাতালের পাশেই একটা নালা আছে। ২০১৭ সালে সেই নালা বেআইনি ভাবে ভরাট করে একটা বিল্ডিং নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে জেলবন্দী, প্রাক্তন মন্ত্রী উদয়ন গুহ এই কাজ করেছেন। বেআইনি ভাবে নালা ভরাট করে নির্মাণ করে সেই ভবন আবার বেআইনি ভাবে বিক্রিও করেছেন। নিজেদের কাছের লোকেদের কাছে না কার কাছে। শুনলাম, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে বিক্রি করেছেন। সেটা নিয়েই আমরা একটা অভিযোগ করলাম।”

অন্যদিকে, ডেডলাইন পার, এবার ভাঙা শুরু হল সওকত মোল্লার ছেলের বেআইনি ক্যাফে। সরকারি জমি জবরদখল করে ক্য়াফে তৈরির অভিযোগ উঠেছিল সওকত মোল্লার ছেলের বিরুদ্ধে। আর তাঁকে এই অভিযোগেই নোটিস পাঠিয়েছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা প্রশাসন। গত মাসের ১৮ তারিখের মধ্যে সওকতের ছেলে ইমরান মোল্লাকে SDO অফিসে হাজিরা দিতে বলা হয়। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, ইমরানের আইনজীবীরা গিয়ে নথি জমা দিয়েছিলেন SDO অফিসে।

জেলা প্রশাসন বলছে, শুনানিতে সওকত মোল্লার ছেলের আইনজীবী কোনও বৈধ নথি দেখাতে পারেননি। আর তারপরই ইমরান মোল্লাকে ৭ দিনের মধ্যে অবৈধ কাঠামো ভেঙে সরকারি জমি খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এমনকি ২৯ জুনের ডেডলাইনও বেঁধে দেওয়া হয়েছিল তখনই। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *